ইরানে হামলা চালিয়ে দেশটির শাসক গোষ্ঠীকে উৎখাত করা যাবে বলে ট্রাম্প প্রশাসন যে ধারণা করেছে তা বিশ্বাসযোগ্য মনে করছেন না অনেক বিশ্লেষক। খবর আলজাজিরার।
ম্যালকম এইচ কের কার্নেগি মিডল ইস্ট সেন্টারের পরিচালক মাহা ইয়াহইয়া বলেন, “ইরানের রাষ্ট্রক্ষমতার দায়িত্ব নেবে, এমন কোনো সংগঠিত বিরোধী শক্তি দেশটিতে নেই।
“বরং সেখানকার বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী, রাজনৈতিক কাঠামো ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ক্ষমতাটা ভাগ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।”
আল জাজিরাকে তিনি বলেন, বর্তমানে ঘোষিত একমাত্র বিরোধী নেতা হলেন সাবেক শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলাভির ছেলে, যিনি দেশের বাইরে অবস্থান করছেন।
“আর কুর্দি নেতৃত্বাধীন কোনো গণঅভ্যুত্থান ঘটতে পারে— এমন হিসাব একেবারেই ভ্রান্ত।”
ইয়াহইয়ার মতে, সামনের দিনগুলোতে অভ্যন্তরণী দ্বন্দ্ব আর বিশৃঙ্খলাই বেশি দেখা যাবে।
“সংঘাতের পর যে তেহরান থাকবে, তা ভিন্নমতালম্বীদের ওপর আরো বেশি দমনপীড়ন চালাতে পারে।”
ইয়াহইয়া বলেন, “আগামীকালও যদি সেখানে যুদ্ধ বন্ধ হয়ে যায়, তারপরও ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নাজুকই থাকবে।”