যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আদালত পেন্টাগনের প্রেস-সংক্রান্ত বিধিনিষেধকে অসাংবিধানিক ঘোষণা দিয়েছে। আদালত জানিয়েছে, এই নীতি যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম সংশোধনী লঙ্ঘন করছে।
ওয়াশিংটন ডিসির জেলা আদালতের বিচারক পল ফ্রিডম্যান পেন্টাগনের ওই নীতির কিছু অংশ বাতিল করার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে তিনি নির্দেশ দেন দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের সাতজন সাংবাদিকের প্রেস পাস পুনরায় ফিরিয়ে দিতে। ওই সাংবাদিকেরা গত অক্টোবরে নতুন নীতিতে সই না করে তাদের পরিচয়পত্র ফিরিয়ে দিয়েছিলেন।
বিচারক তার রায়ে বলেন, পেন্টাগনের নীতি এমন সাংবাদিকদের সুবিধা দেয়, যারা কেবল ‘অনুকূল বা পূর্বনির্ধারিত তথ্য’ প্রকাশ করতে রাজি। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই নীতি সরকারকে অতিরিক্ত ক্ষমতা দিয়েছে এবং সাংবাদিকদের পেশাগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করছে।
রায়ে আরও বলা হয়েছে, এই নীতি সাংবাদিকদের পঞ্চম সংশোধনীর অধীনে ন্যায্য আইনি অধিকার লঙ্ঘন করে, কারণ এতে স্পষ্টভাবে বলা নেই কীভাবে কাজ করলে সাংবাদিকেরা তাদের পরিচয়পত্র হারাবেন না।
এই রায়কে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য একটি পরাজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রশাসন ইতোমধ্যে সংবাদমাধ্যমের ওপর চাপ বাড়ানোর নানা পদক্ষেপ নিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পার্নেল এক বিবৃতিতে বলেন, তারা আদালতের সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত নন এবং এর বিরুদ্ধে আপিল করবেন।
আদালত জোর দিয়ে বলেছে, জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হলেও সরকারের কার্যক্রম সম্পর্কে জনগণকে জানার অধিকার রক্ষা করা গণতন্ত্রের জন্য অপরিহার্য।
সূত্র: দ্য নিউইয়র্ক টাইমস
এসআর