গত ২৪ ঘণ্টায় দুই স্বাস্থ্যকর্মীসহ লেবাননে অন্তত ৫১ জন নিহত হয়েছেন। হ্যারেত সাইদা ও আল-সাকসাকিয়্যাহ গ্রামে জানাজা ও দাফনের সময় শত শত মানুষকে বিলাপ করতে দেখা যায়। অনেক নারী তাদের নিহত স্বজনদের ছবি হাতে নিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন।
দক্ষিণ লেবাননের টাইর শহরের সিভিল ডিফেন্স-প্রধান আলি সাফিউদ্দিন বলেন, ‘প্রতিটি সেকেন্ড, প্রতিটি দিন আমরা হুমকির মধ্যে আছি। আমরা প্রতিনিয়ত ভাবি—বেঁচে থাকব, নাকি মারা যাব। এখানে কাজ করতে এসে আমরা যেন আগেই জীবন ছেড়ে দিয়েছি। এত মানুষ হারিয়েছি, যে মনে হয় আমরাও আর বেঁচে নেই।’
এদিকে গাজা উপত্যকার আল-শাতি শরণার্থী শিবিরসহ বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় ইসরাইলি হামলায় আরো বেশ কয়েকজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। সেখানেও ধ্বংসস্তূপের সামনে বসে স্বজনদের প্রিয়জনদের জন্য শোক প্রকাশ করতে দেখা গেছে।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত মার্চ থেকে দেশটিতে ইসরাইলি আগ্রাসনে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২ হাজার ৮৪৬ জনে দাঁড়িয়েছে।
অন্যদিকে গাজায় নিহতের মোট সংখ্যা ৭২ হাজার ৭০০ ছাড়িয়ে গেছে। ক্রমবর্ধমান এই প্রাণহানির ঘটনায় শোকাতুর পরিবারগুলো বিশ্ববিবেকের কাছে বিচারের দাবি জানিয়েছে।
চলতি বছরের ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ইসরাইলি হামলায় এখন পর্যন্ত ১২ লাখের বেশি লেবানিজ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। গত ১৬ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও হামলার মাত্রা কমার বদলে আরো বেড়েছে।
সূত্র: আলজাজিরা
আরএ