এ মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসলে চাপ কমে যাবে এবং তাতে তেহরানের দর-কষাকষির অবস্থান দুর্বল হবে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির এক আইনপ্রণেতা। ইরানের বার্তা সংস্থা ফার্সকে দেওয়া বক্তব্যে দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি কমিটির সদস্য ইব্রাহিম রেজায়ি এ কথা বলেন। খবর আলজাজিরার।
তিনি বলেন, ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) আওতায় যুক্তরাষ্ট্রকে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন না করা পর্যন্ত ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো আলোচনা শুরু করবে না ইরান।
রেজায়ি বলেন, ‘এ মুহূর্তে আলোচনা নিয়ে কথা বলাও অযৌক্তিক। কারণ এতে তেলের দাম কমে যাবে, ফলে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ কমবে। একই সঙ্গে এটি আমেরিকানদের ইরানি জনগণের ওপর চাপ ও বৈরিতা অব্যাহত রাখতে উৎসাহিত করবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘যেকোনো আলোচনা শুরুর আগেই যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে হবে। তিনি স্পষ্ট করেন যে, ইরানের দাবি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না করা পর্যন্ত ইরান কোনো আলোচনার উদ্যোগ নেবে না।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য থেকে জানা যায়, সোমবার মার্কিন কর্মকর্তারা ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এর আগে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছিল, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি নিউইয়র্কে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।