
সবকিছুই মেসির, শুধু ট্রফিটা স্পেনের
মেটলাইফ স্টেডিয়ামে উপস্থিত ৮০,৬৬৩ জন দর্শকের সিংহভাগই এসেছিলেন এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে—লিওনেল মেসিকে আরও একবার বিশ্বজয়ী হিসেবে দেখার জন্য। নিয়তি হয়তো স্ক্রিপ্টটা অন্যভাবে লিখেছিল।

মেটলাইফ স্টেডিয়ামে উপস্থিত ৮০,৬৬৩ জন দর্শকের সিংহভাগই এসেছিলেন এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে—লিওনেল মেসিকে আরও একবার বিশ্বজয়ী হিসেবে দেখার জন্য। নিয়তি হয়তো স্ক্রিপ্টটা অন্যভাবে লিখেছিল।

রোববার দিবাগত রাতে স্পেন ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচের মধ্য দিয়ে পর্দা নেমেছে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ফুটবলপ্রেমীরা মেসি, এমবাপ্পে ও লামিনে ইয়ামালদের পারফরম্যান্স দেখতে স্ক্রিনে চোখ রেখেছেন। তবে এই উত্তেজনা যুক্তরাষ্ট্রে কর্মীদের কাজের উৎপাদনশীলতায় বড় ধরনের নে

ফাইনাল বলে কথা। শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে স্নায়ুচাপ, আক্রমণ, পাল্টা আক্রমণ, রোমাঞ্চ, উন্মাদনা, উত্তাপ, নাটকীয়তা, হাসি, কান্না, আনন্দ, উচ্ছ্বাস আর উৎসব সবই থাকল। তবে শেষ হাসিটা হাসল স্পেনই। গত বারের শিরোপাধারী আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্প্যানিশরা।

আর্জেন্টিনার এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্টিনেজ কেবল একজন প্রথাগত গোলরক্ষক নন, মাঠের একজন দুর্দান্ত পারফর্মার এবং খাঁটি ম্যাচ-উইনারও। ফুটবল ইতিহাসে খুব কম গোলরক্ষকই আছেন যারা একক দক্ষতায় ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি প্রতিপক্ষের পুরো দলের ওপর মানসিক আধিপত্য বিস্তার করতে পারেন।



















