হোম > আমার দেশ স্পেশাল > বিশেষ প্রতিবেদন

দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনায় থমকে গেছে বিশ্বমানের চিকিৎসার স্বপ্ন

গোলাম মোস্তফা

‘উন্নত ও জটিল চিকিৎসার জন্য বিদেশ নয়, দেশেই মিলবে স্বল্প খরচে বিশ্বমানের সেবা’—এমন আকাশছোঁয়া স্বপ্ন দেখিয়ে ২০২২ সালে যাত্রা শুরু করে দেশের একমাত্র সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল। ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত হাসপালাটিতে কিডনি প্রতিস্থাপন, লিভার ট্রান্সপ্লান্ট, ক্যানসার চিকিৎসা, কার্ডিওলজি ও অন্যান্য জটিল রোগের উন্নত চিকিৎসা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ছিল। কিন্তু উদ্বোধনের সাড়ে তিন বছর পরও সে স্বপ্ন বাস্তবে অধরা। বরং নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতি, তীব্র জনবল সংকট, প্রশাসনিক জটিলতা ও অব্যবস্থাপনার কারণে হাসপাতালটি কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে।

বর্তমানে সীমিতসংখ্যক চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারী দিয়ে নামমাত্র কিছু সেবা চালু থাকলেও প্রতিশ্রুত অধিকাংশ বিশেষায়িত সেবা বন্ধ বা অচল অবস্থায় রয়েছে। কিডনি প্রতিস্থাপনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম চালু হওয়ার পরও বিভিন্ন জটিলতায় কয়েক দফা বন্ধ হয় হাসপাতালটি। ল্যাবরেটরি ও অপারেশন থিয়েটারসহ প্রায় ২৮৩ কোটি টাকার চিকিৎসা যন্ত্রপাতি এখন নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। প্রায় ৮০ শতাংশ যন্ত্র একবারও ব্যবহার করা হয়নি। ইতোমধ্যে কিছু আধুনিক চিকিৎসা যন্ত্রাংশ নষ্টও হয়ে গেছে। এমনকি প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হাসপাতালের বিভিন্ন কক্ষের পলেস্তারাও খসে পড়ছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) অধীন সরকারি অর্থায়নে নির্মিত অত্যাধুনিক এ হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যয় বেসরকারি হাসপাতালের মতো নির্ধারণ করায় নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত মানুষ বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সীমিত পরিসরে কয়েকটি সেবা চালু থাকলেও কাঙ্ক্ষিত মানে সেবা পাওয়া যাচ্ছে না। বিগত পতিত সরকারের সময় থেকে শুরু করে অন্তর্বর্তী সরকার এবং বর্তমান প্রশাসনের আমলে দফায় দফায় বৈঠক হলেও হাসপাতালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা সময়সীমা নির্ধারণ করা যায়নি। তবে আইন পরিবর্তনসহ সীমিত পরিসরে কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিভিন্ন প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

অসমাপ্ত অবস্থায় উদ্বোধন

জানা গেছে, হাসপাতালটির নাম শুরুতে ছিল ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল’। সরকার পরিবর্তনের পর এর নাম পরিবর্তন করা হয়। ২০১৮ সালে নির্মাণকাজ শুরু হয়ে ২০২৩ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার আগেই ২০২২ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর তৎকালীন সরকারপ্রধান হাসপাতালটি উদ্বোধন করেন।

প্রায় এক হাজার ৫৬০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হাসপাতালটিতে দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের ঋণ ছিল এক হাজার ৪৭ কোটি টাকা, সরকারি সহায়তা ৩৩৮ কোটি টাকা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব অর্থায়ন ১৭৫ কোটি টাকা। ৭৫০ শয্যার বিশেষায়িত এ হাসপাতালে জরুরি ও ট্রমা, কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট, মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য, কার্ডিওভাসকুলার ও স্ট্রোক এবং হেপাটোবিলিয়ারি-লিভার ট্রান্সপ্লান্ট—পাঁচটি বিশেষায়িত কেন্দ্র রয়েছে। এছাড়া ১৪টি আধুনিক অপারেশন থিয়েটার, ১০০ শয্যার আইসিইউ, ১০০ শয্যার জরুরি ইউনিট, ভিভিআইপি ও ভিআইপি কেবিন, ডিলাক্স শয্যা, অডিটোরিয়াম, ক্যাফেটেরিয়া, পার্কিং, ফার্মেসি ও ব্যাংকিং সুবিধাও রয়েছে।

নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

হাসপাতালের নিয়োগ প্রক্রিয়াকে ঘিরে শুরু থেকেই একের পর এক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠে এসেছে। ২০২৩ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর আট ক্যাটাগরির ১৭২ পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এর মধ্যে মেডিকেল অফিসারের পদ ছিল ৬৮টি। ওই বছরই লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় এবং ২১ অক্টোবর ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু আবেদন গ্রহণ থেকে শুরু করে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, মডারেশন এবং পরীক্ষায় অংশ না নিয়েও উত্তীর্ণ হওয়া—ইত্যাদি বিষয়ে অভিযোগ ওঠে। এসব অনিয়মে তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ, তার একান্ত সচিব এবং সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের অতিরিক্ত পরিচালক ডা. রসুল আমিনের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে।

নিয়োগ বাণিজ্য নিয়ে সাবেক উপাচার্যের সঙ্গে ছাত্রলীগের সাবেক এক নেতার কথোপকথনের একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি গণমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচিত হয়।

এদিকে, প্রকল্পের অর্থায়নে অন্তত পাঁচ বছর চাকরির শর্তে কয়েক দফায় ১৫৭ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রশিক্ষণে পাঠানো হয়। কিন্তু প্রশিক্ষণ শেষে ৮৫ কর্মকর্তা হাসপাতালে যোগই দেননি। পরে এসব ঘটনা, যন্ত্রপাতি ক্রয়সংক্রান্ত অনিয়ম এবং বিভিন্ন নথিপত্র পর্যালোচনার জন্য ২০২৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি হাসপাতালে অভিযান চালায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদক তখন প্রয়োজনের অতিরিক্ত জনবল বিদেশে প্রশিক্ষণে পাঠানোর অভিযোগের সত্যতা পায়। একই সঙ্গে হাসপাতালের ভেতরে পরিচালিত দুটি ব্যাংক ও একটি ফার্মেসির কার্যক্রমেও অনিয়মের তথ্য উঠে আসে। এছাড়া ২০২৪ সালের আগস্টে পদোন্নতি, বদলি, টেন্ডার বাণিজ্য, বিদেশ ভ্রমণের নামে অর্থ আত্মসাৎ এবং অন্যান্য অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে ১০০ কোটি টাকার বেশি হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে সাবেক উপাচার্য ডা. শারফুদ্দিন আহমেদসহ কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ করেন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা।

এদিকে, ২০২৩ সালের ৩ জুলাই ৫২ পদে ৫৪৪ জন নিয়োগের জন্য আরেকটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। পরে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি ও অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট পুরো ফলাফল বাতিল করে। অভিযোগ অনুযায়ী, পদমর্যাদাভেদে প্রার্থীদের কাছ থেকে ১০ থেকে ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুস নেওয়া হয়েছিল। সংশ্লিষ্টদের দাবি, এসব অনিয়মের কারণে দক্ষিণ কোরিয়ার কোরিয়ান এক্সিম ব্যাংকও একপর্যায়ে প্রকল্পের কিছু কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রেখেছিল।

২৮৩ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি অচল হওয়ার শঙ্কা

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠান স্যামসাং ২০২২ সালে দুই ধাপে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে চিকিৎসা যন্ত্রপাতি হস্তান্তর করে। প্রকল্পের আওতায় ৪০৩ ধরনের মোট ছয় হাজার ৬১২টি চিকিৎসা যন্ত্র ৩৩ মিলিয়ন ডলারে কেনা হয়। সে সময় ডলারের বিনিময়হার ছিল ৮৬ টাকা। ফলে এসব যন্ত্রপাতি কিনতে ব্যয় হয় প্রায় ২৮৩ কোটি টাকা।

কিন্তু প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় অধিকাংশ যন্ত্রপাতি ব্যবহারের সুযোগই তৈরি হয়নি। যন্ত্রগুলোর কার্যকারিতা ও ওয়ারেন্টির মেয়াদ ছিল সর্বোচ্চ তিন বছর। ব্যবহার শুরুর আগেই ওই সময়ের বড় অংশ শেষ হয়ে গেছে। জানা গেছে, হাসপাতালের কার্যক্রম পূর্ণাঙ্গভাবে চালু না হওয়ায় প্রায় ৮০ শতাংশ যন্ত্র একবারও ব্যবহার করা যায়নি। কিছু যন্ত্রের দুই বছরের রিপ্লেসমেন্ট ওয়ারেন্টিও ইতোমধ্যে শেষ হয়ে গেছে। এমআরআই, সিটি স্ক্যান ও এক্স-রের মতো হাতেগোনা কয়েকটি যন্ত্র ব্যবহার হলেও অধিকাংশ আধুনিক যন্ত্র এখনো বাক্সবন্দি অবস্থায় পড়ে আছে।

দীর্ঘদিন ব্যবহার না হওয়ায় যন্ত্রপাতির কার্যকারিতা ও স্থায়িত্ব নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, ভবিষ্যতে এসব যন্ত্র সচল রাখতে সরকারকে নতুন করে বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হতে পারে। তাই দ্রুত জনবল নিয়োগ দিয়ে ধাপে ধাপে হাসপাতালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

তবে হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. সাইফ উল্লাহ মুন্সী বলেন, ‘চিকিৎসা যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়ে গেছে, বিষয়টি এমন নয়। তবে সেগুলোর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ অত্যন্ত জরুরি।’

রোগী কম, ব্যয় বেশি

দেশের বাইরে চিকিৎসা নিতে যাওয়া রোগীর সংখ্যা কমাতে যে হাসপাতাল গড়ে তোলা হয়েছিল, সেখানে এখন রোগীর উপস্থিতি আশানুরূপ নয়। সরজেমনি দেখা যায়, ঝকঝকে পরচ্ছিন্ন এ হাসপাতালে ঢুকলেই যে কেউ চমকে যাবনে এবং মুগ্ধ হবনে। অত্যাধুনিক অবকাঠামো, চলন্ত সিঁড়ি, ডিলাক্স কেবিন, প্রশস্ত লিফট ও আন্তর্জাতিক মানের সুযোগ-সুবিধা থাকলেও হাসপাতালের অধিকাংশ ফ্লোর প্রায় ফাঁকা পড়ে আছে।

নিচতলায় রোগীর কিছুটা উপস্থিতি থাকলেও উপরের তলাগুলো প্রায় সুনসান। ১৮টি ভিআইপি কেবিনসহ বিভিন্ন বিভাগে ভর্তি রোগীর সংখ্যা মাত্র ৫০ জনের মতো। অধিকাংশ কেবিন খালি। সিসিইউ, এনআইসিইউসহ বেশকিছু ইউনিট এখনো চালু হয়নি। বহির্বিভাগেও কাঙ্ক্ষিত রোগী নেই। রাজধানীর বাইরের হাসপাতাল কিংবা অন্যান্য চিকিৎসা কেন্দ্র থেকেও খুব বেশি রোগী রেফার করা হচ্ছে না।

উদ্বোধনের পর চিকিৎসা সরঞ্জাম ও জনবল সংকটের কারণে বহির্বিভাগ ও ভর্তি কার্যক্রম শুরু করা যায়নি। ২০২৩ সালের জুলাইয়ে ভর্তি কার্যক্রম চালু হয় এবং একই বছরের ডিসেম্বরে বহির্বিভাগের পরামর্শসেবা চালু করা হয়। পরে হেলথ চেকআপ কর্নারও চালু করা হয়।

লোকবল সংকটের কারণে কিডনি প্রতিস্থাপন কার্যক্রম বারবার বন্ধ হয়েছে। প্রথম কিডনি প্রতিস্থাপন নিয়েও দাতা-গ্রহীতার মধ্যে অবৈধ আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ প্রমাণ হয়। একই ভাবে হার্টে রিং পরানো, এনজিওগ্রাম, অ্যান্ডোসকপি এবং বিভিন্ন ল্যাবসেবাও বিভিন্ন অভিযোগে বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে সীমিত আকারে লিভার প্রতিস্থাপন ও কিছু রোবটিক সার্জারি করা হচ্ছে।

রোগীদের অভিযোগ, সরকারি হাসপাতাল হলেও এখানে চিকিৎসা ব্যয় বেসরকারি হাসপাতালের সমপর্যায়ের। কেরানীগঞ্জ থেকে আসা মিজানুর রহমান বলেন, এক হাজার টাকা ভিজিট দিয়ে নিউরোসার্জারির অধ্যাপককে দেখাচ্ছি। কিন্তু কোনো উন্নতি নেই। সরকারি হাসপাতাল হয়েও খরচ বেসরকারি হাসপাতালের মতো। জনি মিয়া নামে আরেকজন বলেন, ঘাড়ের এমআরআই করতে সাত হাজার টাকা দিতে হয়েছে, যা সরকারি হাসপাতালের তুলনায় অনেক বেশি।

আইসিসিইউতে ভর্তি এক রোগীর স্বজন আলফাত হোসেন বলেন, পাঁচ দিনে দেড় লাখ টাকা খরচ হয়েছে। সেবার মানও আশানুরূপ নয়। তাহলে মানুষ কেন এখানে আসবে?

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্যানুযায়ী, পূর্ণাঙ্গ সেবা চালু করতে চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য কর্মী মিলিয়ে দুই হাজার ৭০০ জনের বেশি জনবল প্রয়োজন। বর্তমানে কর্মরত ৩০০ জনেরও কম। অর্থাৎ প্রায় ৯০ শতাংশ পদ শূন্য। এর মধ্যেই হাসপাতালটিতে দুই দফা চুরির ঘটনাও ঘটেছে। দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে এক অতিরিক্ত পরিচালককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বিএমইউর উপউপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ আমার দেশকে বলেন, বর্তমান প্রশাসন হাসপাতালটি চালু করতে নিরলসভাবে কাজ করছে। তবে কবে পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হবে, তা এখনই বলা কঠিন। এজন্য আইন পরিবর্তন প্রয়োজন। আমরা বিভিন্ন প্রস্তাবনা দিয়েছি এবং বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, শুধু যন্ত্রপাতিই নয়, ভবনের বিভিন্ন কক্ষের পলেস্তারাও খসে পড়ছে। নতুন জনবল নিয়োগের প্রস্তুতি চলছে। আগের নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল হবে কি না, সেটিও পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

সিন্ডিকেটের কারসাজিতে চালের বাজারে অস্থিরতা

আলোর মুখ দেখতে পারে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল

বেনজীর গ্রেপ্তারে আ.লীগে আতঙ্ক

কুখ্যাত বেনজীর দুবাইয়ে গ্রেপ্তার

পাঠ্যবই মুদ্রণে এনসিটিবিতে ফের সক্রিয় আওয়ামী সিন্ডিকেট

দুই দেশের বিবৃতিতে রহস্যময় ফারাক

উদ্যোক্তা ও তরুণবান্ধব বাজেট

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার ও অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের প্রচারণায় নিষেধাজ্ঞা

পচনশীল কৃষিপণ্য রক্ষায় এক হাজার হিমাগার তৈরির পরিকল্পনা সরকারের

নীতিগত সহায়তা চায় বিমান ও পর্যটন খাত