ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির বহিষ্কৃত সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানার ধানমন্ডিতে পাঁচ ফ্ল্যাট ও ৫ কাঠা জমির মালিক রুমিন ফারহানা, নগদ অর্থ ৩২ লাখ টাকা রয়েছে। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে দাখিল করা মনোনয়নপত্রের সঙ্গে হলফনামায় উঠে এসেছে এসব তথ্য।
রুমিন ফারহানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল–আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী।
হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, রাজধানীর ধানমন্ডির ল্যাবরেটরি রোডে রুমিন ফারহানার নামে ৫ কাঠা জমি ও ৫টি ফ্ল্যাট রয়েছে। এসব সম্পত্তি তিনি পিতার কাছ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছেন, যার জন্য কোনো মূল্য পরিশোধ করতে হয়নি। এছাড়া পুরানা পল্টনে তার নামে ১ হাজার ২৫৮ দশমিক ৮৮৪ বর্গফুটের একটি বাণিজ্যিক স্পেস রয়েছে, যার মূল্য দেখানো হয়েছে ৬৫ লাখ টাকা।
পেশা হিসেবে তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন অ্যাডভোকেট। তার হাতে নগদ অর্থ রয়েছে ৩২ লাখ ১৪ হাজার ১৭৩ টাকা। কোনো বিদেশি মুদ্রা তার কাছে নেই। ব্যাংকে জমাকৃত অর্থ, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ, বন্ড বা ঋণপত্রে কোনো অর্থ বিনিয়োগের তথ্যও হলফনামায় উল্লেখ করা হয়নি। তার নিজের নামে কোনো যানবাহন নেই। তবে তার কাছে ১০ ভরি স্বর্ণালংকার রয়েছে।
হলফনামা অনুযায়ী, তিনি কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ গ্রহণ করেননি। ২০২৫–২৬ অর্থবছরের জন্য দাখিল করা আয়কর রিটার্নে তার মোট আয়ের পরিমাণ দেখানো হয়েছে ৯৭ লাখ ১৪ হাজার ১৭৩ টাকা। এছাড়া তার নামে পূর্বে চারটি ফৌজদারি মামলা থাকলেও সবগুলোই নিষ্পত্তি হয়েছে বলে হলফনামায় উল্লেখ রয়েছে।
গত ২৪ ডিসেম্বর রুমিন ফারহানার পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন সাবেক যুবদল নেতা মো. আলী হোসেন। জোটগত সমঝোতার অংশ হিসেবে বিএনপি ওই আসনটি ছেড়ে দিয়ে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সহ-সভাপতি জুনায়েদ আল হাবিবকে মনোনয়ন দেয়।