হোম > সারা দেশ > বরিশাল

পানের বাম্পার ফলনেও মুখে হাসি নেই চাষিদের

উপজেলা প্রতিনিধি, আমতলী (বরগুনা)

বরগুনার আমতলীতে এবার পানের বাম্পার ফলন হলেও ন্যায্য দাম না পেয়ে হতাশ প্রান্তিক চাষিরা। ভরা মৌসুমেও পান বিক্রি করে উৎপাদন খরচ তুলতে পারছেন না তারা। এতে অনেকেই লোকসানের মুখে পড়েছেন।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, আমতলী উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে প্রায় দেড় হাজারের বেশি পানচাষি রয়েছেন। চলতি মৌসুমে ১০৭ হেক্টর জমিতে পান চাষ হয়েছে। এর মধ্যে চাওড়া, গুলিশাখালী, কুকুয়া ও আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নে পানের আবাদ বেশি।

চাষিদের অভিযোগ, শ্রমিকের মজুরি, বাঁশের শলা, খৈল ও অন্যান্য উপকরণের দাম বেড়ে গেলেও পান বিক্রি করতে হচ্ছে পানির দামে। আগে যেখানে এক পাই (২৪ চল্লি) পান বিক্রি হতো এক হাজার টাকায়, এখন তা বিক্রি হচ্ছে মাত্র ২০০ টাকায়।

স্থানীয় পানচাষি দুলাল মাদবর ও রাজিব কাজী বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার পানের দাম অনেক কম। খরচও বেশি। এখন পানের বিক্রির টাকায় দিনমজুরের মজুরি দেয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।

তাদের অভিযোগ, পাইকারদের ইচ্ছামতো দাম নির্ধারণ করা হচ্ছে। এতে কৃষকরা বাধ্য হয়ে লোকসানে পান বিক্রি করছেন। অন্যদিকে পাইকারদের দাবি, বাজারে বর্তমানে পানের চাহিদা আগের তুলনায় অনেক কম। ফলে ক্রয়মূল্যও কমে গেছে।

আমতলী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রাসেল বলেন, আমাদের চেষ্টা থাকে পানের ফলনে যেন কোনো সমস্যা না হয়। এবার ফলন ভালো হয়েছে, কিন্তু বাজারে দাম কম। যদি এখান থেকে অন্যত্র পান রপ্তানির সুযোগ তৈরি হয়, তাহলে চাষিরা ভালো দাম পাবেন।

স্থানীয় কৃষকরা মনে করেন, বাজারে সিন্ডিকেট ভেঙে এবং রপ্তানির সুযোগ তৈরি হলে তারা আবারও ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন তারা। অন্যথায় লোকসান গুনতে হবে প্রান্তিক চাষিদের।

উজিরপুররে পৃথক দুর্ঘটনায় দুই জনের মৃত্যু

দশমিনায় আ. লীগ কার্যালয় উদ্বোধনের ৪ ঘণ্টা পর ভাঙচুর

জামায়াতে ভোট দেয়ায় জাসদ নেতাকে মারধর, বহিষ্কার দুই যুবদল নেতা

সমর্থকদের প্রতি শামীম সাঈদীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

দুর্বৃত্তের হামলায় পিরোজপুরে বিএনপির দুই নেতা গুরুতর জখম

পর্যটন ব্যবসায় ধস নামার আশঙ্কা

পটুয়াখালী ৪ আসনে জামানত হারালেন ১০ প্রার্থী

ঝালকাঠিতে হাতপাখার দুই প্রার্থীসহ জামানত হারালেন ১৪ জন

বিএনপির নেতাকর্মীরা নব্য আওয়ামী ফ্যাসিবাদ হয়ে উঠছে

জন্মদিনের দাওয়াত না দেওয়ায় দুপক্ষের সংঘর্ষে ১৫ জন আহত