একাধিবার আবেদন করলেও সাড়া দেয়নি মন্ত্রণালয়
ভোলার তজুমদ্দিনের শম্ভুপুর ইউনিয়নে গত দেড় বছরের ও বেশি সময় ধরে সার্ভার জটিলতায় নামজারি রিটার্ন বন্ধে ৭টি মৌজার জমি দলিল বন্ধ রয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন মৌজার কয়েক হাজার মানুষ।
বৃহস্পতিবার আমার দেশকে এ তথ্য জানিয়েছেন তজুমদ্দিন উপজেলার এসিল্যান্ডের দায়িত্বে থাকা ইউএনও মো. রেজাউল ইসলাম।
অনলাইনে ডিএলআরএমএসএ অন্তর্ভুক্ত না থাকায় নামজারি রিটার্ন বন্ধ থাকায় ভোলা জেলা প্রশাসক ও ভূমি মন্ত্রণালয়ে একাধিকবার চিঠি দেওয়া হলেও এখনও পর্যন্ত কোনো সুরাহা হয়নি।
এতে করে শম্ভুপুর ইউনিয়নের শিবপুর, বাদলীপুর, গোলকপুর, চর কোড়ালমারা, চর লামছি কোড়ালমারা, লামছি শম্ভুপুরের জমি কেনা-বেচা সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রয়েছে।
মৌজার বাসিন্দারা জানান, নামজারি বন্ধ থাকায় তারা জমি কেনা-বেচা করতে পারছেন না। জমি বিক্রি না করতে পারায় ক্রমেই বাড়ছে সামজিক কলহ,আটকে আছে বিয়ে শাদীসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ। এ মৌজা গুলোতে দিনের পর দিন বেড়ে চলেছে চরম ভোগান্তি আর চরম হতাশায় রয়েছেন এসব এলাকার বাসিন্দারা।
উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা যায়, আগে শম্ভুপুর ইউনিয়নটি পার্শ্ববর্তী বোরহানউদ্দিন উপজেলার আওতাধীন ছিল। বর্তমানে কাগজে কলমে ওই ইউনিয়নটি তজুমদ্দিনের দেখিয়ে কাজ করা হলেও অনলাইনে আপডেট করা হয়নি। সে কারণে এ ইউনিয়নে এখনও বোরহানউদ্দিন উপজেলার আওতাধীনই দেখাচ্ছে।
তজুমদ্দিন উপজেলা ভূমি অফিসের নাজির মনিরুজ্জামান জানান, দেড় বছর ধরে ডিএলআরএমএসএ এই মৌজাগুলো অন্তর্ভুক্ত না করতে পারায় এ সমস্যা হচ্ছে।
তিনি বলেন, এসিল্যান্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত তজুমদ্দিন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে আমরা ভূমি মন্ত্রণালয়কে একাধিকবার চিঠি দেওয়ার পর ও কোনো সমাধান হয়নি।
এদিকে. ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভূমি ব্যবস্থাপনা অটোমেশন প্রকল্পের সিস্টেম অ্যানালিস্ট এসএম আশিকুল ইসলাম তজুমদ্দিন উপজেলা ভূমি অফিসকে দায়ী করে আমার দেশকে বলেন, আমাদের এবং টেকনোলোজির দোষ দিয়ে লাভ নেই। এটি তারা চাইলেই সমাধান করতে পারে।