বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসন থেকে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ (আসাদুজ্জামান ভূঁইয়া) জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা পেয়েছেন এবং ভোটপ্রচার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর মনোনয়নপত্র নির্বাচনী কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
রোববার সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি ভিডিও যুক্ত করে তিনি এলাকাবাসী ও সর্বস্তরের জনগণের প্রতি নির্বাচনি প্রচারণা, জনসংযোগ, যাতায়াত এবং প্রচার কার্যক্রম চালাতে আর্থিক সহযোগিতা ও দোয়ার জন্য আহ্বান জানান।
ভিডিওতে তিনি বলেন, বরিশাল-৩ আসনের প্রান্তিক ও প্রতন্তবর্তী অঞ্চলগুলোতে প্রচারণা কার্যক্রম পরিচালনা করা বেশ ব্যয়বহুল এবং কঠিন, তাই সাধারণ মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর ‘জুলাই সনদের ভিত্তিতে একটি নতুন বাংলাদেশ নির্মাণের সংগ্রাম’কে সামনে রেখে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে বিকাশ ও নগদ নম্বর এবং ব্যাংক হিসাবসহ আর্থিক সহায়তার তথ্য (ডিটেইলস) যাতে যারা চান তারা অর্থ দিয়ে সমর্থন করতে পারেন।
এ বিষয়ে বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিক্রিয়া এসেছে। অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও স্থানীয়ভাবে মন্তব্য করেন যে সাধারণত রাজনীতিবিদদের প্রচারণায় স্বনির্ভর অর্থ থাকে কিন্তু ফুয়াদ নিজের অর্থনৈতিক দুর্বলতার কথা ব্যক্ত করে সহযোগিতা চেয়েছেন; অনেকেই এটিকে তার সততা ও সরলতার বহিঃপ্রকাশ মনে করেছেন। একই সময়ে কিছু লোক এই ধরনের প্রকাশ্যভাবে অর্থ সহযোগিতা চাওয়াকে বাস্তব-রাজনৈতিক বাস্তবতার দিক থেকেও বিশ্লেষণ করছেন।
ফুয়াদ নিজে আইনি পেশায় সক্রিয় ও আলোচিত রাজনীতিবিদ; তার বার্ষিক আয় ও সম্পদের তথ্যও হলফনামায় দেখা গেছে তিনি তুলনামূলক কম আয়ের মধ্যে রয়েছেন, যেখানে বার্ষিক আয় প্রায় ৭ লক্ষ টাকার বেশি।
সংক্ষেপে, বরিশাল-৩ আসনে প্রার্থী ব্যারিস্টার ফুয়াদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করে নির্বাচনী প্রচারণায় আর্থিক সহায়তা ও দোয়ার অনুরোধ করেছেন, যা নিয়ে এলাকাবাসী ও নেটিজেনদের একাংশের ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।