বঙ্গোপসাগরে উত্তাল ঢেউ ও বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়ে ১২ জন জেলেসহ একটি মাছধরার ট্রলারডুবির ঘটনায় চারজনের লাশ উদ্ধার হয়েছে। একই সাথে একজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। অন্যদের জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (১৩ জুলাই) মধ্যরাত ৪টার দিকে কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়ার অদূরে বঙ্গোপসাগরে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় নিখোঁজ নাছির উদ্দিন পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের বাসিন্দা।
উদ্ধার হওয়া মৃত জেলেরা হলেন কুতুবদিয়া উপজেলার বড়ঘোপ ইউনিয়নের অমজাখালীর মো. সাগর, মো. করিম, মো. আইয়ুব মনির ও একই উপজেলার আলী আকবর ডেইল ইউনিয়নের হায়দার পাড়ার বাসিন্দা কামাল হোসেন।
স্থানীয় মহিউদ্দিন জানান, রোববার সকালে কুতুবদিয়া উপজেলার বড়ঘোপ ইউনিয়নের অমজাখালী ঘাট থেকে নুরুল আবছারের মালিকানাধীন 'এফবি ফকিরা মসজিদ' নামের ট্রলারটি ১২ জন জেলে নিয়ে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যায়। সোমবার ভোররাত ৪টার দিকে হঠাৎ সাগর উত্তাল হয়ে প্রচণ্ড ঢেউয়ের আঘাতে ট্রলারটি ডুবে যায়। সেখানকার ৭ জন জেলে জীবন বাঁচিয়ে অন্য ট্রলারে উঠতে পারলেও ৫ জন নিখোঁজ ছিলেন।
এদিকে সোমবার (১৩ জুলাই) সন্ধ্যায় ট্রলারটি উদ্ধার করে নিয়ে আসা হলে ট্রলার থেকে ৪ জন জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে এখনো একজন জেলে নিখোঁজ রয়েছেন।
কুতুবদিয়া উপজেলা মৎস্য ফেডারেশনের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ জানান, গভীর সমুদ্রে মাছধরার ট্রলারডুবির ঘটনায় ৭ জন জেলে পার্শ্ববর্তী একটি ট্রলারে উঠতে সক্ষম হয়েছেন। এদের মধ্যে ৩ জন জেলে কুতুবদিয়া উপজেলায় ফিরে এলেও অন্য ৪ জন জেলে উদ্ধারকারী ট্রলারে করে নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারের চেষ্টা চালাছিলেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কুতুবদিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ওমর ফারুক। তিনি বলেন, সাগরে ট্রলারডুবির ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
তবে, এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিখোঁজ এক জেলের খোঁজ পাওয়া যায়নি।