হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

সনদ জালিয়াতি করে ২৬ বছর মাদ্রাসা সুপার

উপজেলা প্রতিনিধি, কমলনগর (লক্ষ্মীপুর)

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে শিক্ষা সনদ জালিয়াতি করে ২৬ বছর হাজীপাড়া আল আরাফাহ্ দারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসায় দায়িত্ব পালন করার অভিযোগ উঠেছে সুপার মো. নুরুল আমিনের বিরুদ্ধে।

অভিযোগে জানা যায়, মাদ্রাসার সুপার মো.নুরুল আমিন শিক্ষাজীবনে দাখিল, আলিম ও ফাযিলে তৃতীয় বিভাগে উত্তীর্ণ হন। মাদ্রাসায় এমপিওভুক্ত ও সুপার হতে তিনটি তৃতীয় বিভাগ সনদ গ্রহণযোগ্য নয়। অথচ দু’টি তৃতীয় বিভাগ থাকায় দু'জন শিক্ষকের এমপিও বাতিল হয়। অথচ তিনি সনদ জালিয়াতির মাধ্যমে মাদ্রাসায় এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও সুপার হন। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে মাদ্রাসার বই বিক্রি, শিক্ষক নিয়োগে বাণিজ্য, নানাবিধ দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হয়। তিনি ২০০১ সালে মাদ্রাসায় যোগদান করলেও ১৯৯৯ সালের যোগদান দেখিয়ে সরকারি বেতন আত্মসাৎ করেন।

শিক্ষা সনদ জালিয়াতির বিষয়ে তৎকালীন ২০১১ সালে তদন্তকারী সমবায় বিষয়ক কর্মকর্তা অসীম কুমার নাগ প্রতিবেদনে লিখেন, প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি ক্ষেত্রে শিক্ষকদের শিক্ষাজীবনে একটি মাত্র তৃতীয় বিভাগ গ্রহণযোগ্য। তবে মাদ্রাসা সুপার মো.নুরুল আমিন এমপিও প্রাপ্তির ক্ষেত্রে তিনটি মূল শিক্ষা সনদের ফটোকপিতে জালিয়াতি করে স্থানীয় প্রশাসন ও মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগকে সুকৌশলে ফাঁকি দেন। এমপিও লাভ করেন। যা সম্পূর্ণ নিয়ম ও নিয়োগ বহি:ভূত, এতে তার এমপিও বাতিল ও শাস্তির ব্যবস্থা বিদ্যমান থাকে।

মো.নুরুল আমিন বলেন, যথাযথ নিয়োগের নীতিমালা ও বিধি মোতাবেক তার নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, অভিযোগে বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এমএস

উচ্ছেদের এক সপ্তাহ পরেই পুরোনো রূপে ফিরল নিমসার বাজার

চাঁদপুরে ডাকাতিয়ায় দুই শিশু নিখোঁজ, একজনের লাশ উদ্ধার

দেড় ঘণ্টার দুধের হাটে লাখ টাকার বেচাকেনা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাসে দেশের প্রথম গভীর অনুসন্ধান কূপ

উন্নয়নের নামে হাজার কোটি টাকা লুটপাট

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে মাদার ভেসেলের জট

চট্টগ্রামে গণপরিবহনে ভাড়া নিয়ে নৈরাজ্য

লক্ষ্মীপুরে বিশেষ অভিযানে ২৪ ড্রাম অবৈধ ডিজেল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

ড্রোন হামলায় নিহত জাহেদ, দেড় মাস পর সন্দ্বীপে—অশ্রুসিক্ত বিদায়

সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: রেলমন্ত্রী