নাম তার আবুল কালাম। অডিটর হিসেবে কাজ করেন উপজেলা হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ে। সরকারি চাকরি হওয়ায় কর্মস্থলে আসেন মাঝেমধ্যে। আবার এলেও হয়ে যান অসুস্থ। তবু নিয়মিত কর্মকর্তা হিসেবে বেতন তুলছেন তিনি।
এভাবেই কাজে ফাঁকি দিচ্ছেন লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলা হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের এই অডিটর। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন ভুক্তভোগীরা।
অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা রামগতি উপজেলা হিসাবরক্ষক মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, কর্মস্থলে তেমন আসেন না অডিটর কালাম। সপ্তাহে মাত্র দুদিন অফিস করেন তিনি। তাও অসুস্থতার দোহাই দিয়ে আবার চলে যান। তবে আমি যেদিন অফিস করি, সেদিন তিনিও টানা কাজ করেন।
অফিস না করার কারণ জানতে চাইলে এই কর্মকর্তা বলেন, এর কারণ আমার কাছে জানা নেই। এখানে আমি অতিরিক্ত দায়িত্বে রয়েছি। অডিটর নিয়মিত না আসায় প্রতিদিন ফাইলের কাজ আটকে থাকে। এতে ভুক্তভোগীরা ফোন দিচ্ছেন। এছাড়া তার বিষয়টি ঊর্ধ্বতনকে জানিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে অডিটর আবুল কালাম বলেন, সপ্তাহে দু-তিনদিন অফিসে আসি। বাকি দিন কেন আসেন না জানতে চাইলে অজুহাত খোঁজেন তিনি।
অফিসে গিয়ে অডিটর কালামের হদিস মেলেনি। এমনকি ২৯ অক্টোবর কমলনগরে যোগদান করলেও বাতায়নে নেই তার তথ্য।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাহাত উজ জামান বলেন, এ উপজেলায় আমি নতুন এসেছি। অডিটরের বিষয়টি জানা নেই। খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।