হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

‘মাতামুহুরী’ উপজেলা ও ‘পেকুয়া’ পৌরসভা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

আনছার হোসেন, কক্সবাজার

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফাইল ছবি

সরকার গঠনের মাত্র তিন মাসের মাথায় শনিবার পর্যটন নগরী কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ নিয়ে ষষ্ঠবারের মতো তিনি সমুদ্রতটের এই শহরে এলেন। এই সফরে প্রধানমন্ত্রী একটি নতুন উপজেলা, একটি নতুন পৌরসভাসহ বেশ কিছু উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করবেন। একই সময়ে সাফারি পার্কসহ বেশ কিছু স্থান পরিদর্শন ও সুধীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। তবে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ঘিরে কোনো ধরনের তোরণ নির্মাণ, পোস্টার সাঁটানো ইত্যাদি না করার নির্দেশনা রয়েছে জেলা বিএনপির।

সূত্রমতে, ১৯৮৫ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ করে প্রথমবার কক্সবাজার এসেছিলেন তারেক রহমান। এরপর ১৯৯৭ সালে পারিবারিক সফরে এসে কক্সবাজারে দুই দিন ছিলেন। এরও দীর্ঘ ছয় বছর পর ২০০৩ সালে হোটেল সী গালে অনুষ্ঠিত জেলা বিএনপির সম্মেলন ও কাউন্সিলে যোগ দেন তিনি। পরে ২০০৫ সালে কক্সবাজার স্টেডিয়ামে আয়োজিত বিএনপির তৃণমূল প্রতিনিধি সভায় যোগ দেন। ২০০৬ সালে তিনি হোটেল সী গালে অনুষ্ঠিত ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির মিলনমেলায় যোগদান করেন।

এদিকে তারেক রহমানের আগমন ঘিরে নতুন করে সেজেছে পর্যটন রাজধানী কক্সবাজার। জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন, জেলা প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। সমুদ্রনগরীতে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত কক্সবাজারবাসী।

প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার-১ মোহাম্মদ উজ্জ্বল হোসেনের স্বাক্ষর করা সংশোধিত সফরসূচি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শনিবার দিনব্যাপী কক্সবাজার সফর করবেন। এদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম, প্রশাসনিক অনুষ্ঠান ও জনসভায় যোগ দেবেন তিনি।

শনিবার সকাল ১০টায় কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন। পৌঁছেই তিনি কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নের পাতলীতে খাল পুনঃখনন প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন এবং পথসভায় বক্তব্য দেবেন।

পরে তিনি চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন করবেন এবং পার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। পরে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে দ্বিতীয় শহীদ মো. ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। দুপুরে প্রধানমন্ত্রী নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলা এবং পেকুয়া পৌরসভার প্রশাসনিক কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। বেলা ৪টায় চকরিয়া বাস টার্মিনালে আয়োজিত রাজনৈতিক জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন।

সন্ধ্যায় চকরিয়া পৌরসভার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন এবং সমুদ্র সৈকত এলাকা পরিদর্শনের পর রাত ৮টায় কক্সবাজার শহরের একটি অভিজাত হোটেলে সুধী সমাবেশে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। টানা ১২ ঘণ্টার সফর শেষে রাত ১০টায় ঢাকার উদ্দেশে বিমানযোগে রওনা করবেন তিনি। রাত ১১টার দিকে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্যমতে, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে কক্সবাজার জেলায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটিই হবে তার প্রথম কক্সবাজার সফর। সফর উপলক্ষে স্থানীয় প্রশাসন, রাজনৈতিক অঙ্গন এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে অন্তত ৬ জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী এবং অসংখ্য আমলা কক্সবাজার এসেছেন। গতকাল শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় কক্সবাজার এসে পৌঁছেছেন সরকারের ৬ জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। তারা হলেন—স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। বিএনপিদলীয় নেতাকর্মীরা তাদের স্বাগত জানান।

কাপ্তাইয়ে এখনো ঝুঁকিতে বসবাস ৫০০ পরিবারের

ক্রিকেটার নাঈমকে হেনস্তার ঘটনায় ২ পুলিশ প্রত্যাহার

লালমনিরহাট সীমান্তে ফের বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ

আমি ক্রিকেটার বলে বেঁচে গেলাম, সাধারণ মানুষ হলে কী হতো?

অফডকেও সুযোগ বাড়ছে বিদেশি বিনিয়োগের

সেই শিবিরনেতা অপহরণ নয় আত্মগোপনে ছিলেন, পুলিশের বিবৃতি

দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সায়েন্টেফিক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ব্লু ইকোনমিতে অপার সম্ভাবনার হাতছানি সীতাকুণ্ড উপকূলে

ইয়াবা করিডোর ও তামাকের জনপদ কক্সবাজার

ক্রিকেটার নাঈমকে ডিবি পরিচয়ে মারধর, থানায় নিয়ে হেনস্তা