হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

যাচাই-বাছাইয়ে বিএনপির দুই প্রার্থী বৈধ, প্রতীক মিলবে কার

মফিজুর রহমান লিমন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ফাইল ছবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা কর্তৃক যাচাই-বাছাইয়ে বিএনপির দুজন প্রার্থী বৈধতা পেয়েছেন । তবে ধানের শীষ প্রতীক যার মিলবে, তিনি হবেন এই আসনের মূল প্রার্থী। অন্যজনের মনোনয়ন বাতিল হয়ে যাবে।

বিএনপির প্রার্থী কে বা প্রতীক কার— এ নিয়ে দলের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে একধরনের দ্বিধাদ্বন্দ্ব ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ করা গেছে। একই আসন থেকে ৩ নভেম্বর প্রথমে দলের প্রবীণ নেতা সাবেক সংসদ সদস্য ড. মুশফিকুর রহমানকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

পরে আবার গত ২০ ডিসেম্বর জেলা বিএনপির সদস্য কবীর আহমেদ ভূইয়াকে দলের হাইকমান্ডের পক্ষ থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। গত ৩ জানুয়ারি যাচাই-বাছাইয়ের পর বিএনপির দুই প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে, এখন দুজনই এমপি হতে চাইছেন। এরপর থেকে তাদের পক্ষের নেতাকর্মীরা ব্যাপক প্রচার শুরু করেন। তবে বিষয়টি নিয়ে তৃণমূল পর্যায়ের সমর্থকেরা বিপাকে পড়েছেন। তারা কার পক্ষে কাজ করবেন তা নিয়ে আছেন দ্বিধায়।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কসবা উপজেলা বিএনপি সভাপতি ফকরুউদ্দিন আহাম্মেদ খান জানান, বিগত দিনে মাঠ পর্যায়ে ত্যাগ স্বীকার করে জেল-জুলুম ও গুমের স্বীকার হয়েছিলেন যারা, প্রার্থিতার ক্ষেত্রে তাদের বিষয়টি বিবেচনা করবেন বলে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ঘোষণা করেছেন। বিগত দিনে ফ্যাসিস্ট সরকার কর্তৃক কবির আহাম্মেদ ভূঁইয়া গুমের শিকার হয়েছিলেন। এছাড়া বিগত সরকারের ১৭ বছর মাঠে থেকে নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছেন। আমরা শতভাগ আশাবাদী যে কবির আহাম্মেদ ভূইঁয়া ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবেন।

এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আখাউড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল মনসুর মিশন জানান, দলের হাইকমান্ড থেকে পরিষ্কার করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, প্রথমে যাদের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, তাদের মনোনয়নপত্রই চূড়ান্ত। অর্থাৎ, মুশফিকুর রহমানের ধানের শীষ প্রতীক চূড়ান্ত। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বিষয়টি পরিষ্কার হবে বলে তিনি জানান।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে দুই প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জেলা বিএনপি সদস্য এবং দ্বিতীয় ধাপে দলটির মনোনীত প্রার্থী কবীর আহমেদ ভূইয়া জানান, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে মাঠে নিপীড়িত কর্মীদের পাশে ছিলাম। দল আমাকে মূল্যায়ন করেছে। অগণিত নেতাকর্মী দলের হাইকমান্ডের দিকে তাকিয়ে আছে। ধানের শীষের প্রতীক আমি পাব, এমনটাই বিশ্বাস করছি।’

অপরদিকে সাবেক সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমান বলেন, আপৎকালীন সময়ের জন্য সংযুক্তি-২ উল্লেখ করে বিকল্প আরেকজনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। আল্লাহ না করুক আমার যদি কিছু হয়ে যেত বা মনোনয়নটি বাতিল হয়ে যেত, তাহলে তিনি হয়তো প্রতীক পেতেন। এখন যেহেতু আমার মনোনয়নপত্রটি বৈধ হয়েছে। প্রতীক আমিই পাব।

নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী জানা গেছে, যাচাই-বাছাই ও আপিল শেষে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি।

গণশুনানিতে ক্ষুদ্র ঋণের সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরলেন তৃণমূলের নারীরা

চট্টগ্রামে গাড়ি কমেছে ৩০ শতাংশ, ভাড়া বেড়েছে ৪০ ভাগ

গণভোট বাস্তবায়নের দাবিতে ফেনীতে ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ কর্মসূচি

র‌্যাবের অভিযানে ৬০ কেজি গাঁজাসহ আটক ২, কাভার্ড ভ্যান জব্দ

কাপ্তাই হ্রদে ভাসলো বিজু ফুল, নৃ-গোষ্ঠীদের বর্ষবরণ উৎসব শুরু

চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়ছে জ্বালানিবাহী আরো দুই জাহাজ

মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে চবি শিক্ষার্থী জীবক চাকমার মৃত্যু

নদীতে ফুল নিবেদনের মধ্য দিয়ে তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায়ের বিষু উদ্‌যাপন

ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃত্যু, ক্লিনিক সিলগালা

কাপ্তাইয়ের সাঙ্গু নদীতে ফুল ভাসিয়ে বিষু উৎসব শুরু