হোম > সারা দেশ > ঢাকা

সংযোগ সড়ক না থাকায় কাজে আসছে না ইছামতি নদীর সেতু

রফিকুল ইসলাম, শিবালয় (মানিকগঞ্জ)

মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে ইছামতী নদীর ওপর সংযোগ সড়কবিহীন সেতু । আমার দেশ

ভূমি অধিগ্রহণ ও দখলের জটিলতায় সংযোগ সড়ক না হওয়ায় মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে ইছামতি নদীতে ২০ কোটি টাকার সেতু কোনো কাজে আসছে না। ঝুঁকি নিয়ে ভাঙা সেতু দিয়ে পারাপার হচ্ছেন মানুষ। এতে বাড়ছে মানুষের ভোগান্তি।

জানা গেছে, মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে উন্নয়নের প্রতীক সেতুর নির্মাণকাজ দুই বছর আগে শেষ হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় কোনো কাজে আসছে না । ১৯ কোটি ৬৭ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতু ব্যবহার উপযোগী হচ্ছে না। ফলে বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভাঙা ও পুরোনো সেতু দিয়ে পারাপার হচ্ছে স্থানীয় জনগণ ও যানবাহন।

সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছেন, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ঝিটকা বাজারের কাছে ইছামতি নদীতে সেতু নির্মাণের জন্য দরপত্রের মাধ্যমে কাজ বিতরণ করেন সওজের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সবুজ উদ্দিন খান। ২০২৪ সালের ২৮ জুন ১৯ কোটি ৬৭ লাখ ৩৪ হাজার ৫৩৮ টাকায় ইজারাদারি প্রতিষ্ঠান ধ্রুব কনস্ট্রাকশনের সঙ্গে সেতু নির্মাণের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয় সওজ। শর্ত ছিল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এক বছরের মধ্যে সংযোগ সড়কসহ সেতু নির্মাণ করে দেবে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সেতুর অবকাঠামো নির্মাণকাজ শেষ হয় বলে জানা যায়। কিন্তু সেতুর সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে বাধার মুখে পড়তে হয়। ঝিটকা বাজারের ব্যবসায়ীরা ক্ষতিপূরণ চেয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণে বাধা দেন বলে জানা যায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, সেতুর দুই প্রান্তে সংযোগ সড়ক নেই। তবে সেতুর দুই পাশে অল্প কিছু বালু ফেলা হয়েছিল ২ বছর আগে। এরপর আর কোনো কাজ করা হয়নি সংযোগ সড়ক নির্মাণে । এ কারণে

নতুন সেতুর পাশে পুরোনো ভাঙাচোরা ও সরু সেতু দিয়ে চলাচল করছে সব ধরনের যানবাহন। এতে রয়েছে চরম ঝুঁকি। বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় জনগণ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেতু পার হচ্ছেন।

ঝিটকার বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম বলেছেন, আমরা কৃষিকাজ করি। আমাদের কৃষি পণ্য বাজারে আনতে অনেক সমস্যা হয়। এ সেতু পরিপূর্ণভাবে নির্মাণ করলে ভালো হতো। পাশে আরেক সেতু আছে, সেটাও ভাঙা। ঝুঁকি নিয়ে সেই সেতু দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। তবে সেটি ছোট ও সরু হওয়ায় ঝিটকায় যানজট লেগে থাকে। এতে আমাদের অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়। এলাকার আরেক বাসিন্দা রাসেল মিয়া পেশায় অটোরিকশা চালক, তিনি ক্ষোভের সঙ্গে বলেছেন, ভাঙা সেতু দিয়ে হেঁটে চলাচল করা কষ্ট হয়, গাড়ি নিয়ে তো অনেক দূরের কথা। সেতুর বিষয়ে ধ্রুব কনস্ট্রাকশনের প্রকৌশলী সাগর আহমেদ বলেন, আমাদের কাজ শেষ হয়ে যেত অনেক আগে। কিন্তু ভূমি অধিগ্রহণ ও দখলের জটিলতায় এখনো সংযোগ সড়কের কাজ ধরতে পারিনি। তবে আশা করছি আগামী কয়েকদিনের মধ্যে দখলমুক্ত হলে আমরা কাজ শুরু করতে পারব।

মানিকগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আব্দুল কাদের জিলানী বলেন, ঝিটকা বাজারের পাশে যেখান দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে, সেখানে অনেকগুলো দোকান রয়েছে। দোকানগুলোকে উচ্ছেদ করার পরে কাজ শুরু করা যাবে। এছাড়াও ভূমি অধিগ্রহণের বিষয় আছে। প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আশা করি সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। দ্রুত আমরা কাজ শুরু করতে পারব বলে তিনি আশ্বাস দেন।

পাহারাদারকে বেঁধে ৭ দোকানে ডাকাতি, স্বর্ণালংকারসহ নগদ টাকা লুট

বাসের সঙ্গে মোটরসাইকেল-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ২

জাতীয় কবির স্মৃতিবিজড়িত তেওতা জমিদার বাড়ির বেহাল দশা

গোয়ালন্দ প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শামসু রিপোর্টার আর নেই

জুলাইযোদ্ধাসহ আলেমদের মুক্তির দাবিতে নরসিংদীতে মানববন্ধন

ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে এসে জরিমানার ফাঁদে ৩ বাইকার

শীতলক্ষ্যা নদীতে গোসলে নেমে দুই স্কুলছাত্রী নিখোঁজ, একজনের লাশ উদ্ধার

নরসিংদীতে অভিযানে ৯ হাজার লিটার ডিজেল জব্দ

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কথাবার্তায় বাগাড়ম্বরে বিশ্বাস করেন না

বিএসএফের গুলিতে সীমান্তে বাংলাদেশি নিহত, ৪ দিন পর লাশ উদ্ধার