হোম > সারা দেশ > ঢাকা

গোয়ালন্দে দেড় যুগেও সংস্কার নেই সড়কের, চরম দুর্ভোগে মানুষ

জহুরুল ইসলাম হালিম, গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী)

ফাইল ছবি

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায় দেড় যুগ পার হলেও মাত্র ১ হাজার ২০ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের কোনো সংস্কার বা উন্নয়ন হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘদিনের অবহেলায় সড়কটি এখন চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। ফলে প্রতিদিন চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে স্থানীয় কয়েক হাজার মানুষকে।

উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মৃধাডাঙ্গা ঈদগাহ মাঠ থেকে আবুলের দোকান বেড়িবাঁধ পর্যন্ত সংযোগ স্থাপনকারী এ স্বল্প দূরত্বের সড়কটি এলাকাবাসীর একমাত্র ভরসা। এ সড়কটিতে ৩৪৮ মিটার অংশে পিচঢালাই করা থাকলেও বাকি অংশে রয়েছে ইটের সোলিং । তবে পিচঢালাই অংশের পিচ-পাথর উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে । আর ইট সোলিংয়ের প্রায় ৯০ শতাংশ ইট উঠে গিয়ে পুরো রাস্তা শতভাগই এখন খানাখন্দে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সড়ক। এতে বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কজুড়ে পানি জমে কাদামাটিতে দুর্ভোগ বাড়ে। আর শুকনো মৌসুমে ধুলাবালির কারণে চলাচল দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, রোগী, ব্যবসায়ী ও কৃষিপণ্য পরিবহনকারীদের জন্য পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি কষ্টদায়ক।

কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটির বেহাল চিত্র স্থানীয়দের দুর্ভোগ বাড়িয়ে তুলেছে। সড়কের প্রায় ৯০ শতাংশ অংশেই নেই ইটের সোলিং, বেশির ভাগ জায়গায়ই বড় বড় খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। ফলে যান চলাচল হয়ে পড়েছে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে ব্যাটারিচালিত রিকশাগুলো খানাখন্দে জমে থাকা বালুতে চাকা আটকে যাচ্ছে, যাত্রীদের নেমে ঠেলতে হচ্ছে যানবাহন। এতে যেমন সময় নষ্ট হচ্ছে, তেমনি বাড়ছে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও।

স্থানীয় বাসিন্দা সুলতান মৃধা, মোস্তফা মৃধা ও রাজা মৃধা অভিযোগ করে আমার দেশকে বলেন, বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ভেবে জনপ্রতিনিধিরা ইচ্ছাকৃতভাবে সড়কটির উন্নয়নে কোনো উদ্যোগ নেননি। তাদের দাবি, গত ১৭ বছরে একাধিকবার আবেদন-নিবেদন করা হলেও কোনো উন্নয়ন হয়নি। ফলে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, রোগী বহনকারী যানবাহন এবং কৃষিপণ্য পরিবহনে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদের।

দক্ষিণ উজানচর আলিম মাদরাসার দাখিল পরীক্ষার্থী রবিন বলেন, জন্মের পর থেকেই তিনি রাস্তার এমন বেহাল ও ধসে পড়া অবস্থা দেখে আসছেন। বাড়ি থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দূরত্ব বেশি না হলেও ভাঙাচোরা সড়কের কারণে প্রতিদিন কষ্ট করে পায়ে হেঁটে যাতায়াত করতে হয়। তিনি জানান, রাস্তা ভালো থাকলে খুব অল্প সময়েই মাদরাসায় পৌঁছানো সম্ভব হতো। দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানান তিনি।

স্থানীয় আইয়ুব মৃধা বলেন, স্বল্প দূরত্বের এ পথটি এখন আমাদের জন্য ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ, স্কুল, মাদরাসা, বাজার এমনকি পাশের ফরিদপুর জেলায় যেতে অনেক সময় অন্তত পাঁচ-ছয় কিলোমিটার উল্টো সড়ক ব্যবহার করতে হচ্ছে।

উপজেলা প্রকৌশলী ফয়সাল জাহাঙ্গীর স্বপ্নীল আমার দেশকে জানান, সড়কটির উন্নয়ন কাজের জন্য ২০২২-২০২৩ অর্থবছরেই অনুমোদনের লক্ষ্যে একটি প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছিল। তবে বিভিন্ন প্রশাসনিক ও কারিগরি জটিলতার কারণে তা এখনো অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

গাঁজা সেবন করতে দেখে ফেলায় মাদ্রাসার ছাত্র খুন, গ্রেপ্তার ১

নারায়ণগঞ্জে তিতাস গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, আহত ৩

শ্রীপুরে মাদকসেবীর গুলিতে নারী আহত

ফতুল্লায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগ নেতা হাবিব গ্রেপ্তার

শ্রীপুরে ছুরিকাঘাতে স্ত্রীকে হত্যা, স্বামী পলাতক

ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানা গ্যাস সংকটে বন্ধ

কিশোরগঞ্জে সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার দাবি

পাকুন্দিয়ায় গরুচোর সন্দেহে গণপিটুনিতে নিহত ১

ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

টঙ্গীতে মার্কেটে আগুন, ১৫টি দোকান পুড়ে ছাই