শরীয়তপুর-৩ আসনের নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম, সহিংসতা ও ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলে ৬টি ভোটকেন্দ্রের ফল বাতিল করে পুনঃভোট গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি প্রার্থী মো. আজারুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার বিকালে শরীয়তপুরের ডামুড্যায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি ও দলের নেতারা এ দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, কোদালপুর ইউনিয়নের ৫৭, ৫৮, ৬০ ও ৬১ নম্বর কেন্দ্রসহ কয়েকটি কেন্দ্রে প্রকাশ্যে জালভোট প্রদান, বিরোধী দলের এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া, ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং মারধরের ঘটনা ঘটেছে।
তারা আরও অভিযোগ করেন, কোদালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কোদালপুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রসহ একাধিক কেন্দ্রে তাদের বৈধ এজেন্টদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। গোসাইরহাট পৌরসভার দীঘির পাড় কেন্দ্র ও লক্ষ্মীপুর কেন্দ্রসহ কয়েকটি স্থানে জামায়াতের নেতাকর্মীদের মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়েছে। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে কেন্দ্র দখল, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও ভোট ডাকাতির অভিযোগ তোলা হয়। এ সময় তারা বলেন, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছেন। একাধিকবার উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, পোলিং অফিসার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিষয়টি জানানো হলেও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি।
এদিকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে ১২ ফেব্রুয়ারি গোসাইরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর চিফ এজেন্ট মুহাম্মদ ইলিয়াছ। আবেদনে উল্লেখিত কেন্দ্রগুলোতে পূর্ণভোট গ্রহণের জোর দাবি জানানো হয়েছে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তা বা অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।