হোম > সারা দেশ > খুলনা

দুই বছরের শিশুর মাথার ওজন ১২ কেজি

টাকার অভাবে চিকিৎসা মিলছে না

উপজেলা প্রতিনিধি, কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ)

ছবি: আমার দেশ

মাইমুনা দুই বছরের শিশু। একটা শিশুর স্বাভাবিক ওজন হওয়ার কথা ১২ থেকে ১৩ কেজি। এই বয়সে সে হাসবে, বিছানায় খেলবে, ঘর মাতিয়ে রাখবে এটাই তো কথা ছিল। কিন্তু ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বাজার গোপালপুর গ্রামের সম্রাট হোসেনের দুই বছরের শিশু মাইমুনা মাথায় জমে থাকা ১২ কেজি পানি বহন করে বেড়াচ্ছে। শিশুটির শরীরটার মোট ওজন ১৫ কেজি। কিন্তু এই ১৫ কেজির মধ্যে ১২ কেজিই শুধু তার মাথার ওজন। এক বুক হাহাকার আর চোখের পানি নিয়ে প্রতিদিন এই বিশাল মাথার ভার কোলে তুলে নেন এক জন্মদাত্রী মা। মায়ের কোলে যে শিশুর শান্তিতে ঘুমানোর কথা, সেখানে মাইমুনা ছটফট করে তীব্র যন্ত্রণায়। ফুটফুটে এই শিশুটি জন্মগতভাবে হাইড্রোসেফালাস বা মাথায় অতিরিক্ত পানি জমার এক দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত।

মধুহাটী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন জানান, মাইমুনার বাবা সম্রাট হোসেন পেশায় একজন সাধারণ সাইকেল মিস্ত্রি। বাজার গোপালপুরে একটি ছোট্ট দোকানে চাকা আর চেন মেরামতের ঠুকঠাক শব্দেই চলে তার পুরো সংসার। সংসারে রয়েছে আরো একটি কন্যা সন্তান। সারাদিন হাড়ভাঙা খাটুনি শেষে যা উপার্জন হয়, তা দিয়ে কোনোমতে ডাল-ভাত জুটলেও মাইমুনার এই ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ জোগানো তার পক্ষে কোনো অলৌকিক ঘটনার চেয়ে কম নয়।

ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. আনসার উদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, দ্রুত অপারেশন ও সঠিক চিকিৎসা করালে মাইমুনা সুস্থ হয়ে উঠতে পারে। কিন্তু এই চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন প্রায় তিন লাখ টাকা। একজন সাইকেল মিস্ত্রির কাছে এই অঙ্কটা যেন আকাশের চাঁদ ছোঁয়ার মতো। ফলে দীর্ঘ দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে টাকার অভাবে সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে মাইমুনার চিকিৎসা। আর চিকিৎসা বন্ধ থাকায়, দিন দিন মাথার আকার বেড়েই চলেছে, যা তার ছোট্ট শরীরটাকে আরো অবশ ও নিস্তেজ করে দিচ্ছে।

মাইমুনার মা রেখা খাতুন কান্নাভেজা কণ্ঠে বলেন, চোখের সামনে নিজের কলিজার টুকরাকে তিল তিল করে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে দেখার চেয়ে বড় শাস্তি পৃথিবীতে কোনো বাবা-মায়ের জন্য হতে পারে না। ওর মাথার ভারও নিজে সইতে পারে না। সারাদিন-রাত শুধু ছটফট করে। আমরা চেয়ে চেয়ে দেখা ছাড়া আর কিছুই করতে পারছি না। আল্লাহ কেন আমাদের এত বড় পরীক্ষা নিলেন।

এদিকে শিশুটির বাবা সম্রাট ও মাতা রেখা খাতুন সমাজের বিত্তবান, প্রবাসী এবং মানবিক হৃদয়ের মানুষদের কাছে তার মেয়ের চিকিৎসার সহায়তা চেয়ে আবেদন করেছেন। সহযোগিতা ও যোগাযোগের ঠিকানা, সম্রাট হোসেন (মাইমুনার বাবা), গ্রাম. বাজার গোপালপুর, উপজেলা. ঝিনাইদহ সদর, ঝিনাইদহ, মোবাইল নম্বর ও বিকাশ ০১৬৪১০৪৯৫৮৫।

সেতু আছে রাস্তা নেই, সাঁকো দিয়ে হাজারো মানুষের পারাপার

বাগেরহাট চেম্বার অফ কমার্সের নতুন কমিটির শপথ

চুয়াডাঙ্গায় জমি নিয়ে বিরোধে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যা

বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবিতে এখনো ৬ জেলে নিখোঁজ, চলছে উদ্ধার অভিযান

অস্ত্র-গুলিসহ খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী ও দুর্ধর্ষ ডাকাত খবির মোল্লা গ্রেপ্তার

সুন্দরবনে বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর ৩ সদস্যের আত্মসমর্পণ

স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার ‘ভা‌তিজা রাসেল’ বেনাপোল ইমিগ্রেশনে আটক

চুয়াডাঙ্গায় অফিসকক্ষে ঢুকে প্রধান শিক্ষিকাকে চড় মারলেন অভিভাবক

মোংলার আশ্রয়ণ প্রকল্পে এক পরিবারের নামে তিন ঘর

গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শনে কালীগঞ্জে সেনাপ্রধান