হোম > সারা দেশ > ময়মনসিংহ

জামালপুরে অর্ধেকের বেশি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, উদ্ধার হয়নি অবৈধ অস্ত্র

জেলা প্রতিনিধি, জামালপুর

জামালপুরের ৫টি সংসদীয় আসনের মোট ভোটকেন্দ্রের ৫৩.৬ শতাংশ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, এর মধ্যে ১৯.৬ শতাংশ কেন্দ্র বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।

নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর নেতারা বলেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের আমলে ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের সময় ছাত্রলীগ ও যুবলীগ প্রকাশ্যে অবৈধ অস্ত্র প্রদর্শন করে জামালপুর শহরে অস্ত্র মহড়া চালায়। সরকারের পতনের পরও এসব অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার না হওয়ায় নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়েছে। ফলে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে নির্বাচনে অংশ নেয়া দলগুলোর কর্মী সমর্থকরা ।

জেলার ৭টি উপজেলা ও ৫টি সংসদীয় আসনে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্নে অস্ত্র উদ্ধার করা অত্যাবশ্যক বলে নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

জামালপুরে মোট ৬২৩টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে, যার মধ্যে ১২২টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, ২১২টি ঝুঁকিপূর্ণ এবং ২৮৯টি সাধারণ। সদর-৫ আসনে সবচেয়ে বেশি ১৬১টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে, অন্যদিকে জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী) আসনে সর্বনিম্ন ৮৮টি কেন্দ্রে ভোট হবে। ঝুঁকির দিক থেকে সদর-৫ আসন সবচেয়ে অবনতি হয়েছে, যেখানে ৫৫টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ এবং ৭৫টি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলো নিয়ে প্রার্থীদের মধ্যে দোষারোপ চলছে। ত্রয়োদশ সংসদীয় নির্বাচনে আওয়ামীলীগ অংশ না নিয়েও তাদের নেতাকর্মীদের অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের অভাবে নিরাপত্তা শঙ্কা বাড়ছে বলে রাজনৈতিক নেতারা উল্লেখ করেছেন। এতে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।

জামালপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সদর- ৫ আসনের প্রার্থী ওয়ারেছ আলী মামুন বলেন- ‘আমরা সবসময় একটি কথা বলে থাকি। জামায়াতে ইসলাম একসময় গুপ্ত রাজনীতি করেছে। তাদের যদি গুপ্ত কোনো পরিকল্পনা থাকে। সেক্ষেত্রে নির্বাচনে শঙ্কিত বা শঙ্কা থাকতে পারে। তাই ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের সংখ্যা বেশি।’

জামালপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি ও সরিষাবাড়ী-৪ আসনের প্রার্থী মো. আব্দুল আওয়াল বলেন-‘নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হলে বিএনপির পরাজয় যে নিশ্চিত এটা তারা নিজেরা উপলব্ধি করতে পারছে। কাজেই এই পরাজয়ের ঘানি সহ্য করার মতো ধৈর্য শক্তি তাদের মধ্যে নাই। তার কারনে অতীতে যারা একই কাজ করেছেন ফ্যাসিবাদী কায়দায়। ওই একই কাজ আমাদের বন্ধু প্রতিম সংগঠন করার চেষ্টা করছে একই কায়দায়। এটি খুবই বেদনাদায়ক ও দুঃখজনক। এদের জন্য কেন্দ্রগুলো ঝুঁকিপূর্ণ।’

জামালপুর পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো. যাবের সাদেক বলেন, “এবার অস্ত্রবাজি বা কেন্দ্র দখলের বিরুদ্ধেই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো পক্ষকে এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ বাধানোর সুযোগ দেওয়া হবে না।”

জামালপুর জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো. ইউসুফ আলী বলেন, “কেন্দ্রভিত্তিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোট দিতে অধিকার দেওয়ার জন্য আমরা প্রস্তুত। মাঠে পর্যাপ্ত সংখ্যক বাহিনী ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোতায়েন করা হয়েছে। আশা করছি, জামালপুরে সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন হবে।”

জামালপুরে বিএনপি, জামায়াতে ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও স্বতন্ত্রসহ মোট ৩১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি এই সব প্রার্থীর জন্য ২১ লাখ ১২ হাজার ১৮৭ জন ভোটার ভোট প্রদান করবেন।

ফুলবাড়ীয়ায় ১২১ কেন্দ্রের মধ্যে ৫০টি ঝুঁকিপূর্ণ

বকশীগঞ্জে জামায়াত প্রার্থীর পক্ষে গণমিছিল, মানুষের ঢল

যমুনা সার কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদন শুরু

মেলান্দহে জমি বিরোধের জেরে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন

গৌরীপুরে শ্রমিকদলের ৫ নেতা বহিষ্কার

ভালুকায় গৃহবধূকে জবাই করে হত্যা

প্রিজাইডিং অফিসারের পোস্ট নিয়ে গৌরীপুরে তোলপাড়!

দেশের মানুষ সৎ, দক্ষ ও আল্লাহভীরু নেতৃত্ব চায়: ছামিউল হক

ফুলবাড়ীয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর শক্ত উপস্থিতিতে পাল্টে যেতে পারে নির্বাচনি সমীকরণ

ইনসাফপূর্ণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে হলে হ্যাঁ ও দাঁড়িপাল্লাকে বিজয়ী করতে হবে: এটিএম মাছুম