ফুলবাড়ী কয়লা খনি থেকে দ্রুত কয়লা উত্তোলনের দাবিতে এলাকাবাসী ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন করেছে। পার্বতীপুর উপজেলার ৯ নং হামিদপুর ইউপির বৈগ্রাম চার রাস্তার মোড়ে এলাকাবাসী এ মানববন্ধন করে। জাতীয় সংসদ অধিবেশনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের আলোকে দিনাজপুরের ফুলবাড়ী কয়লা খনি থেকে দ্রুত কয়লা উত্তোলনের দাবিতে মানববন্ধন হয়েছে।
আজ শুক্রবার সকাল ৯টায় বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি সংলগ্ন ৯নং হামিদপুর ইউপির বৈগ্রাম চার রাস্তার মোড়ে ‘ফুলবাড়ী কয়লা খনি এলাকার সর্বস্তরের জনগণ’-এর ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন এলাকার পাঁচ শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জাকারিয়া নয়ন, ফুলবাড়ী কয়লাখনি থেকে দ্রুত কয়লা উত্তোলন শুরুর পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার দাবি জানান।
তিনি বলেন, ইতিপূর্বে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক মানুষ ন্যায্য ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। ফুলবাড়ী কয়লা খনি বাস্তবায়ন করা হলে একই ধরনের পরিস্থিতি যেন তৈরি না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। খনির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করারও দাবি জানান।
তিনি আরও বলেন, বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ৯ নং হামিদপুর ইউপির বৈগ্রাম এলাকায় ফুলবাড়ীর কয়লা খনির মুখ রয়েছে। এখান থেকে কয়লা উত্তোলনের দাবি জানান। দেশে জ্বালানি সংকটের কারণে এবং অর্থনৈতিকভাবে মুক্তি পেতে পৃথিবীর সর্বোবৃহৎ উৎকৃষ্ট মানের কয়লা খনি ফুলবাড়ী। এই কয়লা উত্তোলন করে জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব। অতি দ্রুত ফুলবাড়ী কয়লাখনি বাস্তবায়ন করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানান।
এ সময় ফুলবাড়ী ও বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি বাস্তবায়নের পক্ষে বক্তব্য দেন জাকারিয়া নয়ন, আব্দুল কাদের, আব্দুল আজিজ ও বিপ্লব হোসেনসহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ প্রমুখ। আয়োজনে ছিল ফুলবাড়ী কয়লা খনি এলাকা সর্বস্তরের জনগণ।
এমএইচ