বুড়িমারী স্থলবন্দরে নেই স্ক্যানার
লালমনিরহাটের বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে ভারত ও ভুটান থেকে পাথর আমদানির আড়ালে অবৈধ পণ্য আসছে কি না, তা নির্ণয় করার মতো কোনো উপায় নেই। কারণ, শুল্ক স্টেশনে স্ক্যানার মেশিন না থাকার সুযোগে নিরাপত্তা সংস্থার চোখ ফাঁকি দিয়ে অবৈধ পণ্য আনা হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। নির্বাচন সামনে রেখে ভারত থেকে বৈধ পণ্যের আড়ালে অস্ত্রসহ কোনো অবৈধ পণ্য আসছে কি না, তা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না। ভারতীয় ট্রাকগুলোতে পাথর ও কোলন পাউডার দেখা গেলেও ভেতরে ভিন্ন মালামাল আছে কি না, তা পণ্যবাহী গাড়ির জন্য স্ক্যানার মেশিন না থাকায় পরীক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না।
সরেজমিন দেখা যায়, বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে ভারত ও ভুটান থেকে প্রতিদিন ৩২০ থেকে প্রায় ৪০০ পাথরবাহী ট্রাক ও অন্যান্য পণ্য আমদানি-রপ্তানি করা হচ্ছে। কাস্টমস নিয়ন্ত্রিত এলাকার দুই-তিন কিলোমিটার বাইরে প্রায় ৩০-৩৫টি পাথরবোঝাই ২০-২৪ চাকার ভারতীয় ট্রাক অবস্থান করছে। কোনো ধরনের নজরদারি ছাড়াই এসব ট্রাক স্থানীয় ক্রাশিং সাইডে পাথর আনলোড করছে। অনেক ক্ষেত্রে এ প্রক্রিয়া শেষ হতে রাত হয়ে যাচ্ছে, যা অবৈধ।
স্থানীয়দের আশঙ্কা, নির্বাচনের মতো স্পর্শকাতর সময়ে কাস্টমস নজরদারির বাইরে থাকা এসব ট্রাক ব্যবহার করে অসাধু চক্র অবৈধ অস্ত্র বা সন্দেহজনক সামগ্রী পাচার করতে পারে।
বুড়িমারী কাস্টমসের সহকারী কমিশনার মো. দেলোয়ার হোসেন জানান, বুড়িমারীতে গাড়িসহ পণ্য স্ক্যান করতে ‘স্ক্যানার’ বসাতে আমরা এনবিআরকে একাধিকবার জানিয়েছি, তারা বলেছে, যত দ্রুত সম্ভব এ সমস্যার সমাধান করা হবে।