নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক প্রসূতি নারীর ব্লাড গ্রুপ নির্ণয়ে গরমিলের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সোমবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জলঢাকার দক্ষিণ কাজিরহাট এলাকার বাসিন্দা মোতালেব হোসেনের স্ত্রীকে ভর্তি করা হয়। এ সময় বলা হয় তার রক্তের গ্রুপ ও (নেগেটিভ)।
পরে তাকে নেয়া হয় রংপুর টেকনোলিজিস্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। সেখানে ব্লাড গ্রুপ বলা হয়, এ (নেগেটিভ)।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নন্দা সেন গুপ্ত বলেন, এ (নেগেটিভ) রোগীর ক্ষেত্রে ও (নেগেটিভ) রক্ত প্রয়োগ করা হলে সাধারণত কোনো ক্ষতির আশঙ্কা থাকে না।
তবে রোগীর স্বামী মো. মোতালেব হোসেন বলেন, ব্লাড গ্রুপের এই গরমিল সম্পর্কে জানতে চাইলে ডা. নন্দা সেন গুপ্ত তার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। তিনি দাবি করেন, চিকিৎসক তাকে বলেন, আপনি কি আমাকে ভয়-ভীতি দেখানোর জন্য এসেছেন?
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অফিস ইনচার্জ মমিনুল ইসলাম বলেন, রিএজেন্টের সমস্যা থাকায় আমরা সঠিক রিপোর্ট দিতে ব্যাহত হয়েছি।
জেডএম