মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে শ্রমিকদের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে তিন সাংবাদিকসহ ২০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার বিকেলে শহরের চৌমুহনা এলাকায় এ সংঘর্ষ হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পূর্বের কথাকাটাকাটির জের ধরে হঠাৎ উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া–পাল্টা ধাওয়া হয়। এ সময় কয়েকজনকে লাঠিসোটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়াতে দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই পুরো এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং আশপাশের দোকানপাট দ্রুত বন্ধ হয়ে যায়। সাধারণ মানুষের মধ্যে সৃষ্টি হয় চরম আতঙ্ক।
সংঘর্ষের কারণে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে দেয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
শ্রীমঙ্গল থানার ওসি মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান বলেন, সংঘর্ষে জড়িতদের শনাক্তে ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদিকে শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জের আসনের সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী বলেন, আমি উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি। দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি সমাধান হবে।
এ ঘটনায় ঢাকা–সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে প্রায় তিন থেকে চার ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে। এতে দূরপাল্লার যাত্রী ও সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েন। দীর্ঘ যানজটে শত শত যানবাহন আটকে পড়ে।
জেডএম