ইরান যুদ্ধ ইস্যুতে দেশের শেয়ারবাজারে বড় ধরনের দরপতন হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্সের পতন হয়েছে প্রায় ২০৯ পয়েন্ট।
শতকরা হিসাবে সূচক পতনের এই হার ৩.৭৭ শতাংশ। এই পতনের ফলে সাড়ে ৫ হাজার পয়েন্টের ওপরে থাকা সূচক লেনদেন শেষে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৩২৫ পয়েন্টে।
ডিএসইর শরিয়াহ ও ডিএসই-৩০ সূচকেরও বড় পতন হয়েছে। শরিয়াহ সূচকের ৩.৩০ শতাংশ ও ডিএসই-৩০ সূচকের ৪ শতাংশের বেশি পতন হয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকেরা জানান, ইরান যুদ্ধ ইস্যুতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে। এর মধ্যে তেল পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণলি ইরান বন্ধ করে দেওয়ার কারণে জ্বালানি তেলের সরবরাহব্যবস্থায় বড় ধরনের সংকট তৈরি হবে।
একদিকে মূল্যবৃদ্ধি, অপরদিকে সরবরাহব্যবস্থায় বিঘ্নের ফলে অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদদেশের শেয়ারবাজারেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, আজ লেনদেনের শুরুতেই অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর কমে যায়। ফলে সূচকের বড় ধরনের পতন দিয়ে লেনদেন শুরু হয়। লেনদেনের পুরো সময়জুড়ে পতনের এ ধারা অব্যাহত ছিল। ফলে আগের দিনের তুলনায় প্রায় ২০৯ পয়েন্টের পতন ঘটে। লেনদেনে অংশ নেওয়া ইস্যুগুলোর মধ্যে মাত্র ৩১টির দর বেড়েছে।
দুর্বল মৌলভিত্তির কোম্পানিগুলোর দর বেড়েছে সবচেয়ে বেশি। দরবৃদ্ধির শীর্ষে থাকা ১৩টি কোম্পানির দরই অভিহিত মূল্যের কম দরে লেনদেন হচ্ছে। অপরদিকে দর কমেছে ৩৪৯টি ইস্যুর এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১১টি ইস্যু।
এদিকে সূচকের বড় পতনের দিনে লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে। গতকাল ডিএসইতে প্রায় ৭৮০ কোটি টাকা লেনদেন হলেও আজ ৮৮৫ কোটি টাকার বেশি লেনদেন হয়েছে।