নির্ধারিত সীমানার বাইরে মেইন রোডে কোরবানির পশু রাখা দেখতে পেয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেন ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। সোমবার ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতাধীন দিয়াবাড়ি পশুর হাট পরিদর্শনে গিয়ে এ ব্যবস্থা নেন তিনি।
ডিএনসিসি প্রশাসক দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের নিয়ে মেইন রোড থেকে সব ধরনের কোরবানির পশু সরিয়ে দেন এবং রাস্তা যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার নির্দেশ প্রদান করেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে ডিএনসিসির আওতাধীন স্থায়ী এবং অস্থায়ী পশুর হাট পরিদর্শনে যান ডিএনসিসি প্রশাসক। পরিদর্শনকালে দেখা যায়, উত্তরা সেন্টার মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে সড়কে ডাইভারশন দিয়ে পশু বেঁধে রাখা হয়েছে। বিষয়টি দেখে প্রশাসক ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং কোনোভাবেই যেন রাস্তায় পশুর হাট বিস্তৃত না হয় সে বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দেন।
এসময় সংশ্লিষ্ট পশুর হাটের ইজারাদারকে তাৎক্ষণিক ফোন করে ঘটনাস্থলে আসতে বলেন প্রশাসক। পরে ইজারাদারকে সড়কে হাট না বসানোর নির্দেশ প্রদান করেন। নির্দেশনা অমান্য করা হলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে জরিমানা করারও নির্দেশ দেন তিনি।
এ বিষয়ে ইজারাদারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সকালে বৃষ্টির কারণে কিছু পশুর মালিক সাময়িক সময়ের জন্য মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে পশু রেখেছিলেন। তারা ডিএনসিসির নির্দেশনা মেনে চলছেন এবং রাস্তায় যেন কোনোভাবেই পশু না রাখা হয় সে ব্যবস্থা নিচ্ছেন।
এর আগে সকালে রাজধানীর গাবতলী পশুর হাট পরিদর্শন করেন ডিএনসিসি প্রশাসক। এসময় তিনি হাসিলের অতিরিক্ত কোনো ধরনের অর্থ আদায় না করার জন্য কঠোর নির্দেশনা দেন। পাশাপাশি পশুর হাটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে দায়িত্বরত নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।
পরবর্তীতে ডিএনসিসি প্রশাসক রাজধানীর ৩০০ ফিট, বেরাইদ ও স্বদেশ প্রপার্টিজের খালি জায়গায় স্থাপিত অস্থায়ী পশুর হাট পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে ঈদকে কেন্দ্র করে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াতে যেন কোনো ধরনের যানজট বা দুর্ভোগ সৃষ্টি না হয় সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
পশুর হাট পরিদর্শন কার্যক্রমে ডিএনসিসি প্রশাসকের সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রকিবুল হাসানসহ ডিএনসিসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ।