হোম > ফিচার > আমার জীবন

বিড়ালপ্রেমীদের জন্য মুহাম্মদ রাজের নতুন উদ্যোগ

আমার দেশ অনলাইন

বিড়াল এমন একটি প্রাণী, যাকে ঘিরে মানুষের ভালোবাসার ইতিহাস বহু পুরোনো। আর সেই ভালোবাসার শিকড় ইসলামের সোনালি ইতিহাসেও গভীরভাবে প্রোথিত। এবার সেই ঐতিহ্য আর ভালোবাসাকে সঙ্গী করে বাংলাদেশের বিড়ালপ্রেমীদের জন্য নতুন এক উদ্যোগ নিয়ে এসেছেন মুহাম্মদ রাজ। তার এই উদ্যোগের নাম ‘মিউ মিউ ব্রিটিশ ক্যাটস’।

মুহাম্মদ রাজ হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশের মহাপরিচালক। পাশাপাশি তিনি দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ মানবাধিকার সংস্থা সার্ক হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর অব ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

জানা গেছে, তার রয়েছে প্রাণী আমদানি ও রপ্তানির বৈধ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট লাইসেন্স। তবে তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, কেবল পৃথিবীর অন্যতম সেরা বিড়াল ব্রিড ব্রিটিশ শর্ট হেয়ার নিয়েই কাজ করবেন, তাও পুরোপুরি অবসর সময়ে, শখের বশে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, রাশিয়া, ইংল্যান্ড ও আমেরিকার মতো দেশ থেকে সরাসরি বিশুদ্ধ জাতের ব্রিটিশ শর্ট হেয়ার আনা হবে, যাতে দেশের মানুষ প্রতারণার ভয় ছাড়াই নিশ্চিন্তে আসল ব্রিড সংগ্রহ করতে পারেন। আনন্দের খবর হলো, খুব শিগগিরই, সম্ভবত এক সপ্তাহের মধ্যেই রাশিয়া থেকে আসছে তার দুটি নতুন বিড়াল, যাদের রয়েছে পূর্ণাঙ্গ পেডিগ্রি ও প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র।

মুহাম্মদ রাজের পরিকল্পনা কেবল বিড়াল সংগ্রহেই থেমে নেই। ১০ জুলাই ২০২৬ আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হতে যাচ্ছে তার নিজস্ব ওয়েবসাইট, যেখানে বিড়ালপ্রেমীরা বিভিন্ন জাত, যত্ন, স্বাস্থ্য ও সংগ্রহ নিয়ে সব তথ্য সহজেই পেয়ে যাবেন। এই ওয়েবসাইট ঘিরে এরই মধ্যে আগ্রহী মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে দারুণ উৎসাহ।

আরো উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, তিনি বিড়ালের পাশাপাশি রাস্তায় কষ্ট পাওয়া যেকোনো প্রাণীর সেবায় একটি রেসকিউ টিম গড়ে তোলার পরিকল্পনা করেছেন। এই দল অসুস্থ, আহত ও অবহেলিত প্রাণিদের উদ্ধার করে তাদের চিকিৎসা ও যত্নের ব্যবস্থা করবে। শুধু সুন্দর জাতের বিড়াল ঘরে আনাই নয়, পথের অসহায় প্রাণীর পাশে দাঁড়ানোও যে প্রকৃত ভালোবাসা, সেই বার্তাই যেন দিতে চান তিনি।

পরিকল্পনায় রয়েছে একটি ক্যাট হোস্টেলও, যেখানে মালিকরা প্রয়োজনে তাদের আদরের বিড়ালকে নিরাপদে রেখে যেতে পারবেন। কেউ ভ্রমণে গেলে বা ব্যস্ততার কারণে বিড়ালের যত্ন নিতে না পারলে, এই হোস্টেলে পেশাদার তত্ত্বাবধানে বিড়াল থাকবে সম্পূর্ণ নিরাপদ ও আদরে। পাশাপাশি বিড়ালের খাবারসহ নানা প্রাণীর জন্য মানসম্মত খাদ্যসামগ্রী সরবরাহের পরিকল্পনাও তিনি হাতে নিয়েছেন। অর্থাৎ একটি জায়গাতেই মিলবে বিড়াল, তার যত্নের তথ্য, খাবার আর নিরাপদ আশ্রয়, সব একসঙ্গে।

জনমনে এই উদ্যোগ ঘিরে আগ্রহও তুঙ্গে। মুহাম্মদ রাজের ফেসবুক পেজে অনুসারীর সংখ্যা ইতিমধ্যেই কুড়ি লাখ ছাড়িয়েছে। আর তার নতুন এই পেজটি মাত্র কয়েক দিনেই পেয়েছে প্রায় চল্লিশ হাজার লাইক, যা প্রমাণ করে দেশের মানুষ কতটা আন্তরিকভাবে উদ্যোগটিকে গ্রহণ করছে।

যে প্রাণীটিকে নবীজি (সা.) এত ভালোবাসতেন, সেই প্রাণীর সেবায় একজন মানবিক ব্যক্তিত্বের এমন এগিয়ে আসা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। মানুষ থেকে শুরু করে পথের নিরীহ প্রাণী, সবার প্রতি তার এই মমতা যেন একই সুতোয় গাঁথা।

জেডএম

দুপুরে ছোট মাছের কয়েক পদ

আখাউড়ার পথে-প্রান্তরে

বাহারি কাটে সালোয়ার

তীব্র গরমে ঘর ঠান্ডা রাখার উপায়

ইংল্যান্ডের চেস্টার শহর

মাংসের পিঠা-পুলি

মাংসের মজাদার চার পদ

চাঁদ ও মোটরসাইকেল

ঈদের প্রস্তুতি ও কেনাকাটা

উৎসব দিনের সাজ