হোম > সাহিত্য সাময়িকী > প্রবন্ধ

খিলাফত রাষ্ট্রের যুদ্ধনীতি

নাসরুল্লাহ ইবনে ইলিয়াস

ইসলামের ইতিহাসে প্রথম খলিফা আবু বকর সিদ্দিক (রা.)-এর শাসনকাল ছিল খুব সংক্ষিপ্ত। তবে এই স্বল্প সময়ে তিনি যে রণকৌশল ও যুদ্ধকালীন নৈতিকতার ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, তা কেবল তৎকালীন আরব ভূখণ্ডের জন্যই বৈপ্লবিক ছিল না, বরং আধুনিক বিশ্বের আন্তর্জাতিক মানবিক আইন (International Humanitarian Law) এবং সমরনীতির কালজয়ী অগ্রদূত হিসেবে বিবেচিত হয়।

আবু বকর (রা.)-এর সমরনীতির সবচেয়ে শক্তিশালী দলিল হলো, সিরিয়া অভিযানের সময় সেনাপতি ইয়াজিদ ইবনে আবু সুফিয়ানের প্রতি তার নির্দেশনা। তারিখে তাবারি ও তারিখে ইবনে কাসিরে খলিফার সেই নির্দেশনা অত্যন্ত গুরুত্ব নিয়ে উল্লেখ করেছেন। নির্দেশনাকে আধুনিক গবেষকরা ইসলামের ‘যুদ্ধকালীন সংবিধান’ হিসেবে অভিহিত করেন।

খলিফা প্রণিত সমরনীতির বিশ্লেষণ

ইয়াজিদ ইবনে আবু সুফিয়ানকে দেওয়া খলিফা আবু বকর (রা.)-এর ১০টি নির্দেশনা বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায়, তিনি যুদ্ধের ময়দানকে মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক রাখার বিষয়টি গভীরভাবে গুরুত্ব দিয়েছিলেন এবং এ লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেছিলেন।

তার প্রথম নির্দেশ ছিল বিশ্বাসঘাতকতা ও প্রতারণা না করা। যুদ্ধের কৌশলে ছলনা অনুমোদিত হলেও কৃত চুক্তি ভঙ্গ করা বা অশুভ উদ্দেশ্যে প্রতারণা করাকে তিনি সামরিক অপরাধ হিসেবে গণ্য করতেন। এটি আধুনিক কালের আন্তর্জাতিক আইনের ‘Good Faith’ বা সরল বিশ্বাসের নীতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

দ্বিতীয়ত, তিনি চরমপন্থা বা বাড়াবাড়ি (Exceeding limits) নিষিদ্ধ করেছিলেন। যুদ্ধের উদ্দেশ্য হতে হবে সুনির্দিষ্ট এবং সীমিত, ধ্বংসলীলার নয়।

সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য নির্দেশ ছিল মৃতদেহ বিকৃত করার ওপর নিষেধাজ্ঞা। প্রাক-ইসলামিক আরবে এবং তৎকালীন অন্যান্য মৃত শত্রুর কান-নাক কেটে বা পেট চিরে ফেলা হতো। আবু বকর (রা.) এই বর্বরতাকে সমূলে উৎপাটন করেন। এই নীতিটি বর্তমান জেনেভা কনভেনশনের প্রথম প্রোটোকলের ১৭ নম্বর অনুচ্ছেদের সঙ্গে হুবহু মিলে যায়, যেখানে মৃতদেহের সম্মান রক্ষার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া তিনি নারী, শিশু ও অতি বৃদ্ধদের হত্যার ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। এটি আধুনিক যুদ্ধের ‘Principle of Distinction’ বা যোদ্ধা ও বেসামরিকের মধ্যে পার্থক্যের মূল ভিত্তি।

প্রকৃতি ও অর্থনীতির সুরক্ষায় তার নির্দেশগুলো যুগান্তকারী ছিল। তিনি ফলগাছ কাটা, ফসল পোড়ানো বা জনবসতি ধ্বংস করতে নিষেধ করেছিলেন। বিশেষ করে আরবের প্রধান অর্থকরী ফসল খেজুর বাগান ধ্বংস করা বা পানিতে ডুবিয়ে নষ্ট করার বিষয়ে তিনি কঠোরভাবে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন। পশুপালের ক্ষেত্রেও তার নীতি ছিল স্পষ্ট—শুধু খাদ্য সংগ্রহের প্রয়োজন ছাড়া শত্রুপক্ষের কোনো ভেড়া, গরু বা উট হত্যা করা যাবে না।

এই নীতিগুলো প্রমাণ করে, আবু বকর (রা.)-এর সমরনীতি ছিল ‘টোটাল ওয়ার’ বা ধ্বংসাত্মক যুদ্ধের বিপরীতে ‘লিমিটেড ওয়ার’ বা নিয়ন্ত্রিত যুদ্ধের অনন্য প্রকাশ। তিনি স্পষ্টভাবে যোদ্ধা এবং অ-যোদ্ধাদের মধ্যে পার্থক্য রেখেছিলেন। আধুনিক বিশ্ব যুদ্ধের যে মানবিক রূপটি গত ১০০ বছরে তৈরি করার চেষ্টা করছে, আবু বকর (রা.) তা ১ হাজার ৪০০ বছর আগেই খুবই কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করে দেখিয়েছিলেন।

কূটনৈতিক প্রটোকল ও জিজিয়া নীতি

আবু বকর (রা.)-এর যুদ্ধনীতি কেবল সামরিক অভিযানের ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত ছিল না, বরং এর একটি সুনির্দিষ্ট কূটনৈতিক কাঠামো ছিল। কোনো বড় অভিযান শুরুর আগে সেনাপতিরা তিনটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দিতেন—

১. ইসলাম গ্রহণ : শুরুতেই প্রস্তাব দেওয়া হতো ইসলাম গ্রহণের, যা সে অঞ্চলের জনগণকে মুসলিম উম্মাহর সমান অধিকার ও ভ্রাতৃত্বের গ্যারান্টি দিত।

২. জিজিয়া (অমুসলিম প্রজাদের প্রদেয় নাগরিক কর) প্রদান : যারা নিজেদের ধর্ম পরিবর্তন করতে চায় না, তারা খেলাফাত রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্যের সঙ্গে সঙ্গে সামান্য পরিমাণ কর প্রদান করবে। বিনিময়ে খেলাফাত রাষ্ট্র তাদের নিরাপত্তা দেবে।

৩. যুদ্ধ : যদি প্রথম দুটি প্রস্তাবই প্রত্যাখ্যাত হয় এবং শত্রুরা আক্রমণাত্মক অবস্থান নেয়, তবেই যুদ্ধ শুরু হবে।

রিদ্দার যুদ্ধ ও মাল্টি-ফ্রন্ট কমান্ড সিস্টেম

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ইন্তেকালের পরে আরবের বিভিন্ন গোত্র ও ব্যক্তি নবুওয়াত দাবি এবং কেন্দ্রীয় শাসন ও জাকাত অস্বীকার করে বিদ্রোহ করে। আবু বকর (রা.) এই বিদ্রোহ দমনে যে প্রশাসনিক ও সামরিক কৌশল গ্রহণ করেন, তা খলিফার সমর-মেধার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তিনি মদিনাকে একটি সেন্ট্রাল কমান্ড সেন্টার হিসেবে ব্যবহার করেন এবং সমগ্র আরব উপদ্বীপের জন্য ১১টি আলাদা ব্রিগেড গঠন করেন। তিনি একাধিক ফ্রন্টে একসঙ্গে লড়াই করার সক্ষমতা অর্জনের মাধ্যমে আরব উপদ্বীপের ঐক্য পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন।

এরই ধারাবাহিকতায় তিনি খালিদ বিন ওয়ালিদকে তুলাইহাকে দমন করতে বুতাহে পাঠান। মুসাইলামাকে দমন করতে ইকরিমাকে ইয়ামামায় পাঠান। এভাবেই উত্তর আরব সীমান্ত, ইয়েমেন ও হাজরামাওত, ওমান, মাহরা, ইয়েমেনের উপকূল, পারস্য উপসাগরীয় এলাকা, নজদ ও মদিনার পূর্বাঞ্চল, সিরীয় সীমান্তে (তৈমা) তিনি সেনাদল পাঠান। এই ১১টি বাহিনীর সমন্বিত অভিযানের ফলে আরবের বুকে বিদ্রোহের অবসান ঘটে।

আবু বকর (রা.) সেনাপতিদের নির্দেশ দিয়েছিলেন যেন তারা আক্রমণ করার আগে আজান শোনার চেষ্টা করেন। যদি আজান শোনা যায় এবং তারা জাকাত মেনে নেয়, তবে আক্রমণ করা হবে না বরং আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা হবে।

‘গ্রিন জিহাদ’-এর পথিকৃৎ

আধুনিক ‘এনভায়রনমেন্টাল আইএইচএল’ বা পরিবেশবান্ধব সমরনীতির ধারণা আবু বকর (রা.) ১ হাজার ৪০০ বছর আগেই বাস্তবায়ন করেছিলেন। বর্তমান বিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তন ও যুদ্ধে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের ফলে পরিবেশের বিপর্যয় নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। কিন্তু আবু বকর (রা.) সেই সপ্তম শতাব্দীতেই ফলগাছ কাটার ওপর যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন, তার পেছনে গভীর কৌশলগত ধর্মীয় কারণ ছিল।

আবু বকর (রা.) বিশ্বাস করতেন, সৃষ্টিজগতের প্রতিটি সত্তা—গাছপালা, প্রাণী, এমনকি প্রকৃতির নীরব উপাদানগুলোও নিজ নিজ উপায়ে আল্লাহর তাসবিহ ও গুণগান করে। তাই নিছক যুদ্ধজয়ের উদ্দেশ্যে আল্লাহর সৃষ্টিকে ধ্বংস করা বা কোনো নিরপরাধ প্রাণ বিনষ্ট করা খিলাফত রাষ্ট্রের আদর্শ হতে পারে না।

আজকের সামরিক পরিভাষায় একে ‘সাস্টেইনেবল ওয়ারফেয়ার’ বা টেকসই যুদ্ধনীতির ধারণার সঙ্গে তুলনা করা যায়। তিনি সুদূরদর্শিতার সঙ্গে উপলব্ধি করেছিলেন যে, যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর সেই ভূখণ্ডেই মানুষকে বসবাস করতে হবে। যদি নির্বিচারে গাছ কেটে ফেলা হয়, কূপ ও পানির উৎস ধ্বংস করা হয়, তবে বিজয় অর্জিত হলেও সেই অঞ্চল বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়বে। এই পরিবেশ-সচেতনতা আধুনিক ‘Green Movement’ বা পরিবেশবাদী দর্শনের সঙ্গে মিলে যায়।

কমান্ডারের জবাবদিহিতা

রিদ্দার যুদ্ধের সময় খালিদ বিন ওয়ালিদ কর্তৃক মালিক ইবনে নুওয়ায়রাকে হত্যার ঘটনা মদিনার সেন্ট্রাল কমান্ডে তীব্র প্রতিক্রিয়া জন্ম দেয়। আবু কাতাদা (রা.) এই ঘটনার প্রতিবাদে মদিনায় ফিরে আসেন এবং খালিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন। আবু বকর (রা.) সঙ্গে সঙ্গে খালিদকে মদিনায় তলব করেন এবং পূর্ণ তদন্ত শুরু করেন। যদিও পরে খালিদের পক্ষ থেকে ‘ভুল ব্যাখ্যা’ বা ইজতিহাদি ত্রুটির যুক্তি গ্রহণ করে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়, তবে এই ঘটনাটি প্রমাণ করে, খেলাফত রাষ্ট্রে সেনাপতিরা আইনের ঊর্ধ্বে ছিলেন না এবং যুদ্ধক্ষেত্রে যেকোনো অসংগতির জন্য তাদেরও জবাবদিহি করতে হতো।

শত্রুপক্ষ ও যুদ্ধবন্দিদের সঙ্গে আচরণ

আবু বকর (রা.)-এর অধীনে পরিচালিত যুদ্ধগুলোয় বন্দিদের (Prisoners of War) প্রতি যে আচরণ করা হতো, তা তৎকালীন বিশ্বের জন্য ছিল অকল্পনীয়। তিনি বন্দিদের খাদ্য, বস্ত্র ও আশ্রয়ের অধিকার নিশ্চিত করেছিলেন।

ইসলামের যুদ্ধনীতিতে বন্দিদের অপমান করা বা তাদের ওপর অহেতুক শারীরিক নির্যাতন করা নিষিদ্ধ। আবু বকর (রা.)-এর নির্দেশে সেনাপতিরা বন্দিদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ ব্যবহার করতেন। মুসলিমদের ব্যবহারে মুগ্ধ হয়ে অনেক সময় বন্দিরা ইসলাম গ্রহণ করতেন। তিনি বন্দিদের হত্যার চেয়ে তাদের বিনিময়ের মাধ্যমে মুসলিম বন্দিদের মুক্ত করা বা মুক্তিপণ নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার ওপর বেশি গুরুত্ব দিতেন।

আধুনিক নিরাপত্তা দর্শনের প্রতিফলন

আবু বকর (রা.) সামরিক বাহিনীর শৃঙ্খলা এবং গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে যে মানদণ্ড স্থাপন করেছিলেন, তা আজকের আধুনিক নিরাপত্তা দর্শনের (Security Doctrine) সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।

১. শুরা বা পরামর্শ ভিত্তিক কমান্ড : আবু বকর (রা.) কোনো বড় সিদ্ধান্ত একা নিতেন না। সাহাবাদের সঙ্গে পরামর্শ করে তিনি সেনাপতি নির্বাচন এবং রণকৌশল ঠিক করতেন। এটি আধুনিক ‘Joint Command Structure’-এর একটি প্রাথমিক রূপ।

২. শত্রুর দূতের সঙ্গে আচরণ : শত্রুর দূতের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করার নির্দেশ তিনি সেনাপতিদের দিয়েছিলেন। কিন্তু তাদের সামনে নিজেদের কোনো দুর্বলতা প্রকাশ করতেও নিষেধ করেছিলেন। তিনি দূতের অবস্থান সংক্ষিপ্ত করার নির্দেশ দিতেন, যাতে তারা মুসলিম শিবিরের গোয়েন্দা তথ্য নিতে না পারে।

৩. শাআর বা রণধ্বনির ব্যবহার : যুদ্ধের ময়দানে নিজের বাহিনীকে চিনতে এবং উদ্দীপনা জোগাতে তিনি ‘শাআর’ বা বিশেষ কোড ব্যবহারের প্রচলন করেন। যেমন ইয়ামামার যুদ্ধে রণধ্বনি ছিল ‘ওয়া মুহাম্মাদাহ’ এবং ইয়ারমুকে ছিল ‘ইয়া মানসুর আমিত’।

৪. আকস্মিক পরিদর্শন ও রদবদল : তিনি নিয়মিতভাবে সেনাপতিদের চিঠি লিখে তাদের অবস্থা জানতেন এবং প্রয়োজনে তাদের কমান্ড পরিবর্তন করতেন। খালিদ বিন ওয়ালিদকে ইরাক থেকে সিরিয়ায় পাঠানোর সিদ্ধান্তটি ছিল তার এক অসাধারণ স্ট্র্যাটেজিক মুভ, যা রোমানদের বিস্মিত করেছিল।

জাস্ট ওয়ার থিওরি এবং আবু বকর (রা.)-এর দর্শন

পাশ্চাত্যের রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা প্রায়ই ‘জাস্ট ওয়ার থিওরি’ নিয়ে আলোচনা করেন, যার মূল প্রবক্তা হিসেবে সেন্ট অগাস্টিন বা হুগো গ্রোটিয়াসের নাম নেওয়া হয়। কিন্তু আবু বকর (রা.)-এর যুদ্ধনীতি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তিনি অগাস্টিনের কয়েকশ বছর আগেই এই থিওরির চেয়েও পূর্ণাঙ্গ ও মানবিক একটি কাঠামো দাঁড় করিয়েছিলেন।

খেলাফাত রাষ্ট্র দুই ধরনের যুদ্ধই করেছে—অফেন্সিভ (আক্রমণমূলক) এবং ডিফেন্সিভ (প্রতিরক্ষামূলক)। কিন্তু উভয়ের লক্ষ্যই ছিল আত্মরক্ষা এবং জুলুমের অবসান; আল্লাহর জমিনে কেবল আল্লাহর দাসত্বের পরিবেশ কায়েম করা। নিছক রাজ্য বিস্তার বা লুণ্ঠনের জন্য আবু বকর (রা.) কখনো কোনো যুদ্ধের আদেশ দেননি। অন্যদিকে যুদ্ধ চলাকালে আচরণের ক্ষেত্রে তিনি যে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছিলেন, তা আধুনিক Proportionality (আনুপাতিকতা) ও Necessity (অপরিহার্যতা) নীতির চেয়েও অনেক বেশি সূক্ষ্ম ছিল। তিনি বিশ্বাস করতেন, যদি দশজন অপরাধীকে শাস্তি দিতে গিয়ে একজন নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করতে হয়, তবে সেই যুদ্ধ ন্যায়সংগত হতে পারে না।

তার রণকৌশল বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তিনি মদিনাকে কেন্দ্র করে একটি আধুনিক কমান্ড ও কন্ট্রোল সিস্টেম গড়ে তুলেছিলেন, যেখানে তথ্য সংগ্রহ (Intelligence), দ্রুত মোতায়েন (Rapid Deployment) ও মানবিক নৈতিকতা (Humanitarian Ethics) একসঙ্গে কাজ করত। আবু বকর (রা.)-এর এই নীতিগুলো পরবর্তী সময়ে উমাইয়া ও আব্বাসীয় আমলের সামরিক কাঠামোর ভিত্তি ছিল।

ধর্মদ্রোহ প্রতিরোধ যুদ্ধ ও সাহাবিদের মতবৈচিত্র্য

ইসলামে রাষ্ট্রনীতি ও রাষ্ট্রগঠন

সাহরি ও ইফতারের মহিমা

শবেবরাত উৎসব : বাংলাদেশের সংস্কৃতি

সংস্কৃতি, ইসলাম ও বুদ্ধিবৃত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি

কুরতুবা থেকে ঢাকা, ইকবালের অসমাপ্ত জিহাদ

আজাদির লড়াইয়ে ম্যাগনানিমাস হাদি

হাছন মানসের ধারা ও তার সাহিত্য (শেষ পর্ব)

আত্মজীবনী: যেভাবে বেড়ে উঠি

যে স্বপ্ন ছফাকে ঘুমোতে দেয়নি