এফএ কাপ
ভুল তো ভুলই। হোক সেটা মাঠে কিংবা মাঠের বাইরে। মাঠের লড়াইয়ে ভুল করলেন দমিনিক সোবোসলাইও। তবে লিভারপুলের এ মিডফিল্ডারের ভুলটাকে শুধু ভুল বললে কম বলা হবে। সোবোসলাই যেটা করেছেন, সেটা এক অর্থে মহাভুল। যেটা হয়তো বাচ্চারাও করতে চাইবে না। এ কারণে ম্যাচের ফল ছাপিয়ে আলোচনার তুঙ্গে এখন তার এই ভুল। সোবোসলাইয়ের শিশুসুলভ ভুলে গোল হজম করলেও কোনো সমস্যা হয়নি। নিজেদের মাঠ অ্যানফিল্ডে দাপুটে জয়ে এফএ কাপের চতুর্থ রাউন্ডের টিকিট কেটেছে লিভারপুল। টুর্নামেন্টের তৃতীয় রাউন্ডে তৃতীয় স্তরের ইংলিশ দল বার্নসলিকে ৪-১ গোলে ধসিয়ে দিয়েছে দ্য রেড শিবির।
নিজেদের বক্সের ভেতর বলের নিয়ন্ত্রণ নিতে দৌড় দিয়েছিলেন সোবোসলাই। বলের দখল পেতে তার পিছু নিয়েছিল প্রতিপক্ষ বার্নসলি মিডফিল্ডার অ্যাডাম ফিলিপস। বলের নাগাল পেয়ে যান সোবোসলাই; কিন্তু বল পেয়ে যেটা করেছেনÑসেটা নিয়েই হইচই পড়ে গেছে। ব্যাক হিলে বল দিতে চেয়েছিলেন নিজের পেছনে। লিভারপুল গোলরক্ষক গিওর্গি মামারদাশভিলিকে হয়তো বল দিতে চেয়েছিলেন সোবোসলাই। যদিও তিনি ছিলেন খানিকটা দূরে, গোললাইনে। তবে ঠিক তার পেছনে ছিলেন ফিলিপস। সোবোসলাই বল ব্যাক-হিল করার চেষ্টা করেও পারেননি শতভাগ। বলের দখল খুইয়ে ফেলেন। তবে এই সুযোগে বল পেয়ে যান ফিলিপস। বল পেয়েই জড়িয়ে দেন লিভারপুলের জালে। তাতে ম্যাচের ৪০ মিনিটে সহজ একটি গোল পেয়ে যায় বার্নসলি।
ম্যাচ শেষে লিভারপুল কোচ আর্নে স্লট শিষ্য সোবোসলাইয়ের ভুল নিয়ে বলেন, ‘এফএ কাপ, লিগ কাপ, প্রীতি ম্যাচ কিংবা অনুশীলনেও এমন ভুল করা উচিত নয়। অদ্ভুত এক সিদ্ধান্ত এবং এ বিষয়ে আমার নিজস্ব মতামত আছে; কিন্তু সেটা আমি নিজের মধ্যেই রাখতে চাই।’
অবশ্য তার আগে থেকেই ম্যাচে আধিপত্য বিস্তার করে খেলতে থাকে লিভারপুল। ম্যাচের নবম মিনিটেই ডোমিনিক জোবোজলাইয়ের গোলে এগিয়ে যায় লিভারপুল। লড়াইয়ের ৩৬ মিনিটে গোল ব্যবধান দ্বিগুণ করে জেরেমি প্রিমপং। চার মিনিট বাদেই সোবোসলাইয়ের ভুলে গোল হজম করে বসে স্বাগতিকরা। ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজার ছয় মিনিট আগে ব্যবধান বাড়িয়ে দেন ফ্লোরিয়ান উইর্টজ। আর ইনজুরি টাইমে (৯০+৪ মিনিটে) লিভারপুলের জয়ের ব্যবধান বাড়িয়ে দেন হুগো একিতিকে।