হোম > খেলা > ক্রিকেট

অভিজ্ঞতায় বাংলাদেশ, পরিসংখ্যানে এগিয়ে নিউজিল্যান্ড

টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু আজ

পার্থ রায়, চট্টগ্রাম থেকে

দুই অধিনায়কের অভিজ্ঞতার পার্থক্যটা একটু দেখা যাক। বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন দাস যেখানে খেলেছেন ১২০ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ, সেখানে নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক খেলেছেন মোটে ২৯টি! দুই অধিনায়কের অভিজ্ঞতার পার্থক্যটা আভাস দেয়, দুদলের অভিজ্ঞতার বিশাল পার্থক্যেরও। ওয়ানডে সিরিজেও দুই দলের অভিজ্ঞতা পার্থক্যটাও ছিল এমন বড়। সেটার ছাপ মাঠে ছিল স্পষ্ট। টি-টোয়েন্টি সিরিজের আগেও দুদলের অভিজ্ঞতার পার্থক্য বিশাল। তবে সেই ধরনের কোনো চিন্তা করতে চান না অধিনায়ক লিটন দাস। বরং, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিউজিল্যান্ড বড় নাম—সেই চিন্তা করে মাঠে নামবে বলে জানান তিনি। তিন ম্যাচ টি- টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচ আজ।

বাংলাদেশে স্কোয়াডে আছেন অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা দুই ক্রিকেটার। তারপরও পুরো স্কোয়াডের অভিজ্ঞতা ৫৪৮ ম্যাচ। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডের ক্ষেত্রে সেই সংখ্যাটা ২৯৮! অর্থাৎ, প্রায় দ্বিগুণ অভিজ্ঞতায় এগিয়ে স্বাগতিকরা এই সিরিজে। বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন দাস অবশ্য এসব কিছু বিবেচনায় নিচ্ছেন না। প্রতিপক্ষের সবশেষ দলগত পারফরম্যান্সটাকেই রেখেছেন লড়াইয়ের ক্ষেত্র হিসেবে। সবশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল খেলেছিল নিউজিল্যান্ড।

সিরিজের আগে সংবাদ সম্মেলনে লিটন দাস বলেছিলেন, ‘নিউজিল্যান্ড বড় নাম। শেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও তারা শেষ চারে খেলেছে। তাদের কিছু নতুন প্লেয়ার থাকতে পারে, কিন্তু দল হিসেবে তাদের পটেনশিয়াল অনেক। আমাদের লক্ষ্য থাকবে এতদিন যেভাবে বড় দলগুলোর বিপক্ষে খেলেছি, সেভাবেই সেরা ক্রিকেট খেলা।’

লিটন নিউজিল্যান্ডকে যেভাবে সমীহ করছেন, ঠিক তেমনটাই হয়তো প্রত্যাশা কিউই অধিনায়ক টম লাথামের। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অভিজ্ঞতা কম থাকলেও টি-টোয়েন্টি ম্যাচ বলে খানিকটা নির্ভার থাকার চেষ্টা করেছেন তিনি। কিউই কাপ্তানের বিশ্বাস ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রচুর ম্যাচ খেলার অভ্যাসটা দারুণভাবে কাজে লাগাবে তার দলের ক্রিকেটাররা।

লাথাম বললেন, ‘আমাদের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা অনেক কম। কিন্তু ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রচুর অভিজ্ঞতা আছে। তারা তাদের পুরো খেলোয়াড়ি জীবনে ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে যা শিখেছে, তা কাজে লাগানোর চেষ্টা করবে।’

অভিজ্ঞতার পার্থক্যটা বড় হলেও মুখোমুখি লড়াইয়ের পরিসংখ্যানে নিউজিল্যান্ড এগিয়ে। দুই দলের ২০ দেখায় বাংলাদেশের জয় ৪ ম্যাচে ও হার ১৫টি। একটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছে বৃষ্টিতে। অতীত পরিসংখ্যানে যোজন যোজন এগিয়ে থেকেও তা কাজ করছে না এখানে। কারণ, দিনশেষে অভিজ্ঞতার মূল্যটা বেশি। যেটা ওয়ানডে সিরিজে দারুণভাবে প্রমাণ করেছে বাংলাদেশ দল। এই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে পরিসংখ্যানের পাতায় নিজেদের একটু ওপরে দিকে উঠানোর দারুণ সুযোগ বাংলাদেশের সামনে।

অভিজ্ঞতা-অতীত পরিসংখ্যানের পাশাপাশি দুদল চিন্তা করছে উইকেট নিয়ে। বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন বলেন, ‘উইকেট দুই দলের জন্যই সমান থাকবে। যতক্ষণ পর্যন্ত না বল খেলা হচ্ছে বলতে পারছি না। কিন্তু দেখে মনে হয়েছে ভালো উইকেট হবে।’ অন্যদিকে লাথাম বলেন, ‘আগের ম্যাচ থেকে ধারণা নেওয়ার চেষ্টা করব কেমন উইকেট হতে পারে।’

অভিজ্ঞতার পার্থক্য, অতীত পরিসংখ্যান আর উইকেটের মতো আলোচনায় বাংলাদেশের একাদশও। তিন পেসার নিয়ে একাদশ সাজাবে বাংলাদেশ। সেক্ষেত্রে শরিফুল ইসলামের খেলা অনেকটাই নিশ্চিত। তার কাঁধেই থাকবে টি-টোয়েন্টির বোলিং লাইনআপের নেতৃত্ব। তার সঙ্গী হতে পারেন তানজিম সাকিব ও রিপন মন্ডল। ফলে আব্দুল গাফফার সাকলাইনকে হয়তো প্রথম ম্যাচে সাইড বেঞ্চেই থাকতে হতে পারে।

তবে একাদশ যেমনই হোক, বাংলাদেশের নতুন শুরুর অপেক্ষা সিরিজ। সেই নতুন শুরুটা কেমন হবে?

বাংলাদেশে ফিরছে বল-বয় সংস্কৃতি

পাকিস্তান সিরিজে প্রথম টেস্টে নতুন মুখ অমিত-তামিম

মাঠের বিজ্ঞাপন ব্যানারে পেরেকের জায়গায় রংতুলি

জিতলেও বোনাস নেই, হারলেই জরিমানা

‘মুভ অন’ করে এখন লক্ষ্য ইতিবাচক ক্রিকেট খেলা

টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রস্তুতি শুরু

কোচদের লক্ষ্য বেঞ্চ শক্তিশালী করা

নাহিদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ সোধি

শেষ ম্যাচে হেরে শ্রীলঙ্কার কাছে সিরিজ খোয়াল বাংলাদেশ

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের বাংলাদেশ দল ঘোষণা