ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ এবং এর ফলে সৃষ্ট ‘ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিস্থিতির’ জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দায়ী করছেন যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ নাগরিক।
ওয়াশিংটন ডিসি থেকে আল-জাজিরার প্রতিনিধি মাইক হানা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কোনো ধরনের চাপে থাকার কথা অস্বীকার করে আসছেন। তিনি জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে কোনো দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন নেই এবং তিনি সময় নিয়ে এগোতে চান।
ট্রাম্পের দাবি, যুদ্ধ শেষ হলেই তেলের দাম কমে আসবে এবং অর্থনীতি আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে।
তবে এই যুদ্ধ ঠিক কবে শেষ হবে, সে বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট ধারণা পাওয়া যাচ্ছে না। এটি সাধারণ আমেরিকানদের জন্য চরম উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, কারণ দেশটিতে জীবনযাত্রার ব্যয় হু হু করে বাড়ছে। শুধু পেট্রোল পাম্পে জ্বালানির দামই নয়, বরং ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।
মার্কিন জনগণের মধ্যে এই ধারণা প্রবল হচ্ছে যে, বর্তমান অর্থনৈতিক সংকটের মূলে রয়েছে ট্রাম্পের শুরু করা এই যুদ্ধ। জনমতের এই প্রতিফলন ট্রাম্প এবং তার রিপাবলিকান পার্টির জন্য বড় রাজনৈতিক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, অধিকাংশ মার্কিনি এখন এই যুদ্ধ ও বর্তমান শোচনীয় অর্থনৈতিক অবস্থার জন্য সরাসরি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকেই দায়ী করছেন।
সূত্র: আলজাজিরা
এএম