ইরানের বিরুদ্ধে আরোপিত নৌ অবরোধ আরও বিস্তৃত করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র—এমন আশঙ্কার খবর সামনে এসেছে। ইতোমধ্যে মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ইরানের বন্দরগুলো ঘিরে তাদের অবরোধ কার্যক্রমে ১২টির বেশি যুদ্ধজাহাজ, ১০ হাজারেরও বেশি সেনা এবং বিপুল সংখ্যক যুদ্ধবিমান মোতায়েন রয়েছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) বলেছে, এই অবরোধের অংশ হিসেবে এখন পর্যন্ত ইরান বা ইরান-সংযুক্ত ২৩টি জাহাজকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এদিকে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, এই অবরোধ কেবল ইরানের বন্দরগামী বা সেখান থেকে আসা জাহাজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নাও থাকতে পারে। বরং বিশ্বজুড়ে যেখানে ইরান-সংযুক্ত জাহাজ পাওয়া যাবে, সেগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই এমন নীতি গ্রহণ করেছে যাতে ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বা নিষেধাজ্ঞাভুক্ত জাহাজগুলোকে বিশ্বের যেকোনো স্থানে থামিয়ে তল্লাশি, এমনকি জব্দও করা যায়।
এই ধরনের অভিযানে সাধারণত বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মেরিন বা নেভি সিল সদস্যরা হেলিকপ্টারের মাধ্যমে জাহাজে উঠে নিয়ন্ত্রণ নেন। প্রয়োজনে জাহাজটিকে অন্য বন্দরে নিয়ে যাওয়াও হতে পারে—যা একটি জটিল ও বহু সংস্থার সমন্বয়ে পরিচালিত সামরিক প্রক্রিয়া।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি এই অবরোধ বিশ্বব্যাপী সম্প্রসারিত হয়, তবে তা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, জ্বালানি সরবরাহ এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
এসআর