হোম > বিশ্ব > মধ্যপ্রাচ্য

ইরান–যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ শান্তিচুক্তির সম্ভাবনা ক্ষীণ, দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধবিরতিই ভরসা

আমার দেশ অনলাইন

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা পুরোপুরি শান্তিচুক্তিতে পৌঁছাবে—এমন সম্ভাবনা খুবই কম বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক মার্কিন কূটনীতিক ও মিডল ইস্ট ইনস্টিটিউটের ফেলো অ্যালান আয়ার।

আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সংঘাত শেষ হলেও মধ্যপ্রাচ্যে প্রকৃত শান্তি ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই। তার মতে, সর্বোচ্চ যে ফলাফল আশা করা যায়, তা হলো একটি ‘দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধবিরতি’।

আয়ার বলেন, ‘ইরান দুবার হামলার শিকার হয়েছে। তারা মনে করে, ইসরাইল সরকারকে উৎখাত করতে চায় এবং যুক্তরাষ্ট্রও একই লক্ষ্য অনুসরণ করছে। তাই এখানে শান্তি আসবে না।’

তিনি আরও বলেন, ইরান এখনো যুদ্ধ প্রস্তুত অবস্থায় থাকবে, নিজেদের সামরিক শক্তি ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা পুনর্গঠন করবে এবং ভবিষ্যতে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের চেষ্টা করতে পারে, যা যুদ্ধের আগে তাদের নীতি ছিল না।

তার ভাষায়, আগে ইরানকে ‘নিউক্লিয়ার হেজিং স্টেট’ হিসেবে বিবেচনা করা হতো, অর্থাৎ তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করলেও সক্ষমতা ধরে রাখার কৌশল অনুসরণ করত। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অবস্থান সেই হিসাব বদলে দিয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি এমন এক জায়গায় পৌঁছেছে, যেখানে পূর্ণ শান্তিচুক্তির চেয়ে অনিশ্চিত কিন্তু স্থিতিশীল যুদ্ধবিরতিই বেশি বাস্তবসম্মত বিকল্প হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এসআর

ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহতের দাবি কুয়েতের সামরিক বাহিনীর

দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি হামলায় প্যারামেডিকসহ নিহত ৭

হিজবুল্লাহ ও ট্রাম্পের কারণে লেবাননে যেভাবে থমকে গেল ইসরাইলি পরিকল্পনা

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আসন্ন চুক্তিটিকে ইরানের নেতৃত্ব কীভাবে দেখছে?

ট্রাম্প-ইরান চুক্তির জন্য লেবানন কেন মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে?

লেবাননের ইসরাইলি হামলায় নারী ও শিশুসহ নিহত ৬

দক্ষিণ লেবাননে সামরিক অভিযান চলবে: ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী

লেবাননে যুদ্ধজনিত ক্ষতি পৌঁছাতে পারে ২৫ বিলিয়ন ডলারে

যুদ্ধের মধ্যেই কার্যকর হলো ভারত-ওমান বাণিজ্য চুক্তি

নেতানিয়াহুকে অকৃতজ্ঞ বললেন ট্রাম্প