হোম > বিশ্ব > মধ্যপ্রাচ্য

ইরান যুদ্ধে যে সাত কারণে জিততে পারছেন না ট্রাম্প

সিএনএনের বিশ্লেষণ

আমার দেশ অনলাইন

১১ মার্চ, ২০২৬ তারিখে হোয়াইট হাউসে মেরিন ওয়ানের দিকে হেঁটে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের পাশ কাটিয়ে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান নিয়ে এক জটিল সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয়েছেন। তিনি চাইলেও এ যুদ্ধে নিজেকে বিজয়ী ঘোষণা করতে পারছেন না। যুদ্ধ ক্রমেই তার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে বলেই মনে হচ্ছে। ট্রাম্পের জন্য এ যুদ্ধের ইতি টানলে যে কৌশলগত ও অর্থনৈতিক পরিণতি হবে, তা যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ক্ষতির চেয়েও বড় হতে পারে।

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জনসন ও জর্জ ডব্লিউ বুশ মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করেও যেভাবে পরাজিত হয়েছিলেন ট্রাম, এখনো সে ভয়াবহ পরিস্থিতির সম্মুখীন হননি। তবে বিপদের লক্ষণ সর্বত্র দেখা যাচ্ছে।

ইতোমধ্যে ইরান বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানির পানিপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে, যা দুই সপ্তাহ ধরে চলা এ যুদ্ধে ট্রাম্পের দুর্বলতাকেই চিত্রায়িত করে। ইরানের এ পদক্ষেপ দেখিয়ে দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের বিপুল সামরিক শক্তি থাকলেও সব সমস্যা কেবল শক্তি প্রয়োগ করে সমাধান করা যায় না।

হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়া ট্রাম্পের সামনে একটি গুরুতর সামরিক ধাঁধা তৈরি করেছে। ইরানের সামরিক শক্তি তুলনামূলকভাবে দুর্বল হলেও এ পরিস্থিতিতে প্রণালিটি পুনরায় চালুর চেষ্টা করা মার্কিন নৌবাহিনীর জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক হতে পারে।

ইরান যুদ্ধে ট্রাম্পের পরিকল্পনার যথেষ্ট অভাব ছিল, নতুন এ পরিণতি সেটিকেই ইঙ্গিত করে। কারণ মার্কিন কর্মকর্তারা বহু দশক ধরেই জানতেন, আক্রমণ হলে ইরান কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে।

অবসরপ্রাপ্ত মার্কিন নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন লরেন্স ব্রেনান সিএনএনকে বলেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকলে কোনো বিজয় সম্ভব নয়। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য এটি পুনরায় সচল করতেই হবে, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেটা অত্যন্ত কঠিন, অনেকটা অসম্ভবই বটে।

তিনি আরো বলেন, ট্রাম্প যত দ্রুতই বিজয় প্রত্যাশা করুক না কেন, যুদ্ধের প্রথম কদিনের মধ্যেই বিজয় ঘোষণা করা ঠিক হয়নি। এ সংঘাত আমাদের প্রত্যাশার চেয়েও দীর্ঘায়িত হবে।

এ সংঘাত শুধু তেলের দামের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে মার্কিন বিমান বাহিনীর একটি বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় বড় পরিসরে সামরিক বাহিনী মোতায়েনের ঝুঁকি সামনে এনেছে। এর আগে সংঘাতে সাত মার্কিন নাগরিক নিহত হয়েছেন।

উত্তেজনা ও নিরাপত্তা হুমকি বেড়ে যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর ভার্জিনিয়ার গুলির ঘটনাকে সন্ত্রাসবাদ হিসেবে তদন্ত করা হচ্ছে। অন্যদিকে এফবিআই মিশিগানে একটি ইহুদিদের উপাসনালয়ে গাড়ি তুলে দেওয়ার ঘটনাকে “ইহুদিদের লক্ষ্য করে সংঘটিত সহিংসতা” হিসেবে বর্ণনা করেছে।

ট্রাম্প বৃহস্পতিবার বলেন, ইরানের পরিস্থিতি খুব দ্রুত এগোচ্ছে। সবকিছু খুব ভালো চলছে। আমাদের সামরিক শক্তি অতুলনীয়।

অপারেশন এপিক ফিউরি কি ব্যর্থ?

অপারেশন এপিক ফিউরিকে এখনই সম্পূর্ণ ব্যর্থ বলা হয়ত খুব তাড়াহুড়ো হবে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলা সামরিক দিক থেকে সফল হয়েছে। এতে সম্ভবত ইরানের ক্ষমতা কিছুটা দুর্বল হয়েছে। এছাড়া উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন মিত্রদের ওপর ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার গতিতে কিছুটা চির ধরেছে।

যুদ্ধের সময় মৃত্যু সবসময়ই দুঃখজনক, কিন্তু এখন পর্যন্ত মার্কিন ক্ষয়ক্ষতি ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধের সময়ের তুলনায় অনেক কম। সেই দীর্ঘ সংঘাতগুলো এড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

রাজনৈতিক ও সামরিক চ্যালেঞ্জের সামনে ট্রাম্প

ট্রাম্প নিজেকে দীর্ঘদিন ধরে একজন ব্যবসায়ী ও বিক্রেতার মতো অতিরঞ্জিত বক্তব্য দিতে ভালোবাসেন। তিনি কেন্টাকিতে বুধবার বলেন, আমি বলছি, আমরা জিতেছি। খুব তাড়াতাড়ি জয় বলাটা ভালো না, কিন্তু আমরা জিতেছি। প্রথম ঘণ্টাতেই যুদ্ধ শেষ হয়ে গেছে।

কিন্তু বাস্তব ঘটনাপ্রবাহ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্র এখনো বিজয় অর্জন করতে পারেনি। পরিস্থিতির জটিলতা ট্রাম্পের রাজনৈতিকভাবে সুবিধাজনক বিজয়ের গালগল্পকে চ্যালেঞ্জ করছে।

ট্রাম্প যেসব কারণে এখনও বিজয় দাবি করতে পারছেন না

১. হরমুজ প্রণালির সংকট

ইরান বিশ্বের প্রায় ২০% জ্বালানি তেল পরিবহনের পানিপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় তেল ও গ্যাসের দাম বেড়ে গেছে। তেলবাহী জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এবং সমুদ্র ও আকাশপথে হামলা চালাতে সক্ষম ড্রোনের ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে মার্কিন নৌবাহিনী এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে প্রবেশ করতে অনিচ্ছুক। এদিকে সংঘাতের কারণে জাহাজের বিমা প্রিমিয়ামও হঠাৎ করেই অনেক বেড়ে গেছে।

প্রণালিটি দ্রুত খুলে দেওয়ার কোনো স্পষ্ট সামরিক সমাধান নেই। এমনকি যদি এটি আবার চলাচলের জন্য উন্মুক্তও করা যায়, তবু সেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্রদের নিয়মিত নিরাপত্তা মিশন চালাতে হবে। যা ইতোমধ্যেই চাপের মধ্যে থাকা মার্কিন ও পশ্চিমা নৌবাহিনীর জন্য কঠিনই বটে।

এর চেয়ে ভালো বিকল্প হতে পারে ইরানের সঙ্গে একটি রাজনৈতিক সমাধান খোঁজা। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্প নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ দাবি করছেন, আর তেহরান তা বরাবরই প্রত্যাখ্যান করছে।

গবেষণা প্রতিষ্ঠান ডিফেন্স পায়োরিটিজের সামরিক বিশ্লেষণ বিভাগের পরিচালক জেনিফার কাভানাহ বলেন, ইরান খুব অল্পসংখ্যক এবং সস্তা ড্রোন দিয়েই প্রণালিটি বন্ধ করে রাখতে পারে। ফলে সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া অনেকটা কঠিন।

তিনি আরও বলেন, যুদ্ধ শুরুর আগেই বলেছিলাম, ইরান যে রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করে তার সমাধান রাজনৈতিকভাবেই করতে হবে। এখানে কোনো সামরিক সমাধান নেই। কারণ আপনি এখন যদি হরমুজ প্রণালি খুলেও দেন। প্রশ্ন হলো, এরপর এটিকে কি দীর্ঘ সময় ধরে চালু রাখা আদৌ সম্ভব?

২. ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে ঘিরে সমস্যা

মার্কিন-ইসরায়েলি যুদ্ধের প্রথম দফার হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খোমেনি নিহত হওয়ায় সংঘাতটি সরাসরি শাসন পরিবর্তনের প্রচেষ্টা হিসেবে চিত্রিত হয়েছিল। যদিও পরবর্তীতে ইরানের শাসনব্যবস্থা টিকে যাওয়ায় মার্কিন কর্মকর্তারা তাদের সেই লক্ষ্যকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করেন।

কিন্তু দীর্ঘদিনের এই শাসকের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে তার ছেলে মোজতবা খামেনি ক্ষমতায় আসায় ট্রাম্পের বিজয়ের বর্ণনা কিছুটা ম্লান হয়ে গেছে। এতে ডেমোক্র্যাটরা অপারেশন এপিক ফিউরিকে কৌশলগতভাবে ব্যর্থ হিসেবে তুলে ধরার সুযোগ পেয়েছেন।

ডেমোক্র্যাট দলের কংগ্রেস সদস্য ও সাবেক মেরিন সদস্য জ্যাক অচিনক্লস সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, নতুন সর্বোচ্চ নেতা তার বাবার চেয়েও বেশি চরমপন্থি এবং আরও কঠোর অবস্থানের।

৩. ইসরায়েল কি যুদ্ধ বন্ধে রাজি হবে?
যদি ধরে নেওয়া হয় যে রাজনৈতিক কারণে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ শেষ করতে চান, তবুও নিশ্চিত নয় যে ইসরায়েল এতে রাজি হবে। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ইসরায়েল প্রায় অনন্তকাল চলতে পারে এমন যুদ্ধের বাস্তবতার সঙ্গে অনেক বেশি মানিয়ে নিতে সক্ষম।

রোববার ট্রাম্প বলেন, যুদ্ধ কখন শেষ হবে তা তার এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে পারস্পরিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

গাজা, লেবানন, ইরান ও সিরিয়ার মতো জায়গায় ইসরায়েলের বারবার যুদ্ধ এবং সামরিক অভিযান দেশটি তাদের আঞ্চলিক নিরাপত্তার মিশন হিসেবে দেখে। যার বিজয়ের নির্দিষ্ট কোনো দিন তারিখ নেই। যা ট্রাম্পের পছন্দের দ্রুত বিজয়ের ধারণার থেকে ভিন্ন।

৪. যুদ্ধের লক্ষ্য নিয়ে বিভ্রান্তি

ট্রাম্প প্রশাসন যুদ্ধের উদ্দেশ্য নিয়ে বিভ্রান্তিকর ও পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিয়েছে। কখনো পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস, কখনোও শাসন পরিবর্তন। এতে ট্রাম্পের জন্য একটি পরিষ্কার “বিজয়-কাহিনি” তৈরি করা কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে যদি মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি ধীরে ধীরে তার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

৫. পারমাণবিক প্রশ্ন

ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, তিনি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে আবারও ধ্বংস করেছেন। যদিও একই দাবি তিনি আগেও করেছিলেন। কিন্তু ইরানের কাছে যদি এখনও উচ্চমাত্রায় ইউরেনিয়ামের মজুত থাকে, তাহলে তেহরানের ভবিষ্যতে আবার পারমাণবিক কর্মসূচি শুরু করার সম্ভাবনাও থেকে যাবে।

এই সপ্তাহে এমনও জল্পনা দেখা গেছে, ট্রাম্প হয়ত তেজস্ক্রিয় উপাদানগুলো উদ্ধার করার জন্য বিশেষ বাহিনী দিয়ে একটি অভিযান চালানোর নির্দেশ দিতে পারেন। কিন্তু এ জন্য বিশাল স্থলবাহিনী দরকার, যা ঝুঁকিপূর্ণ।

জাতিসংঘের পারমাণবিক তদারকি সংস্থা মনে করে, ইরানের ইস্পাহান পারমাণবিক কেন্দ্রে এখনও প্রায় ২০০ কেজি উচ্চমাত্রায় ইউরেনিয়াম রয়েছে। এই মজুত সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস না করা পর্যন্ত ওয়াশিংটন কখনোই ইরানের পারমাণবিক শক্তিধর দেশ হওয়ার বিষয়ে শতভাগ নিশ্চিত হতে পারবে না।

যদিও ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস হয়েছে। তবে জাতিসংঘের পর্যবেক্ষকদের মতে, ইরানের কাছে এখনও প্রায় ২০০ কেজি উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রয়েছে। এগুলো থাকলে ভবিষ্যতে আবার পারমাণবিক কর্মসূচি শুরু করার সম্ভাবনা থেকে যায়।

৬. ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির স্থবিরতা

ট্রাম্প যুদ্ধের শুরুতে ইরানের জনগণকে বলেছিলেন, ধর্মীয় স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করার সময় এসে গেছে। কিন্তু ইরানে এখন পর্যন্ত এমন কোনো বিদ্রোহের প্রকাশ্য লক্ষণ দেখা যায়নি।

অনেক বিশ্লেষকের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বোমা হামলা বন্ধ হলে, ইরানের সরকার আবারও জনগনের উপর কঠোর দমন চালাবে।

৭. যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন জনগণকে আশ্বস্ত করছে যে, যুদ্ধের কারণে সাময়িকভাবে তেলের দাম বেড়েছে। দীর্ঘমেয়াদি লাভের জন্য এটি স্বল্পমেয়াদি কষ্ট।

মার্কিন জনগণের জন্য এই যুদ্ধের লাভ ততটা স্পষ্ট নয়। যুদ্ধের কারণে তেলের দাম ও জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ছে। সামরিক হতাহতের সংখ্যা ও অর্থনৈতিক চাপ বাড়লে রাজনৈতিক সমর্থনও কমে যেতে পারে।

ইতিহাসে খুব কম ক্ষেত্রেই স্পষ্ট বিজয় দিয়ে যুদ্ধ শেষ হয়েছে। যেমন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ১৯৪৫ সালে নাৎসি জার্মানি ও জাপানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বিজয়। এর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র যত যুদ্ধ জিতেছে তার চেয়ে অনেক বেশি সংঘাতে জড়িয়ে পরিষ্কারভাবে জিততে পারেনি।

এখন ট্রাম্প এমন এক পছন্দনীয় যুদ্ধের পরিণতির মুখোমুখি, যেখানে তাকে দ্রুত এমন একটি ফলাফল খুঁজতে হবে যা বিজয় হিসেবে দেখানো যায়। না হলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শক্তিশালী সামরিক সুবিধাও কমে যেতে পারে এবং দুর্বল প্রতিপক্ষ ধৈর্যের লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত সুবিধা পেতে পারে।

হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরানের সঙ্গে আলোচনার খবর নাকচ ইতালির

ইরানের সরকার পতন হবে, তবে হয়তো এখনই নয়: ট্রাম্প

‘যুদ্ধ ছড়াচ্ছে না, বরং সুবিধা বাড়ছে’: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

ইরানে মানবিক সহায়তা পাঠিয়েছে রাশিয়া

ইরাকে বিধ্বস্ত মার্কিন বিমানের ৬ ক্রুই নিহত

হরমুজ প্রণালীতে অজ্ঞাত বস্তুর আঘাতে জাহাজে আগুন

যুদ্ধের মধ্যেই আল-কুদস মিছিলে প্রেসিডেন্টসহ ইরানের শীর্ষ নেতারা

মধ্যপ্রাচ্যে ফ্রান্সের অবস্থান ‘প্রতিরক্ষামূলক’: ম্যাক্রোঁ

রাশিয়ার তেলের ওপর যে কারণে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র

যুদ্ধ থামাতে বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান আসিয়ানের