
কোরবানি কার নামে হবে, যা বলছে ইসলাম
কোরবানি কার নামে হবে, কার ওপর ওয়াজিব এবং অন্যের নামে কোরবানি দেওয়া যাবে কি-না এসব বিষয় নিয়ে ইসলামি শরিয়তে নির্দিষ্ট কিছু বিধান রয়েছে।

কোরবানি কার নামে হবে, কার ওপর ওয়াজিব এবং অন্যের নামে কোরবানি দেওয়া যাবে কি-না এসব বিষয় নিয়ে ইসলামি শরিয়তে নির্দিষ্ট কিছু বিধান রয়েছে।

কোরবানির ঈদের সময় একই পশু দিয়ে আকিকা করতে পারবেন কী-না সেই প্রশ্নও করেন অনেকে। যদিও এ নিয়ে আলাদা আলাদা ব্যাখ্যা রয়েছে ইসলামে। ইসলামের ভিন্ন ভিন্ন মাহজাবে রয়েছে আলাদা ব্যাখ্যা।

ইসলামের বিধান অনুযায়ী, ঈদুল আজহায় পশু কোরবানি সামর্থ্যবান নর-নারীর ওপর ওয়াজিব। কিন্তু অনেকেই জানেন না, ঠিক কত টাকা হলে একজন মুসলমানের ওপর কোরবানি ওয়াজিব হবে। অর্থাৎ, যার কাছে কোরবানির দিনগুলোতে তার মৌলিক প্রয়োজন মেটানোর পর নির্দিষ্ট পরিমাণ বা নিসাব পরিমাণ সম্পদ অবশিষ্ট থাকে তাহলে তাকে কোরবানি দিতে

আল্লাহতায়ালা মুমিনদের বিবিধ হিসাবনিকাশের জন্য বারো মাসে একটি বছরের রূপ দান করেছেন। তিনি বলেন, ‘নিশ্চয় আল্লাহর বিধান ও গণনায় আসমানগুলো ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন থেকেই মাস বারোটি, এর মধ্যে চারটি মাস সম্মানিত (নিষিদ্ধ বা হারাম মাস)।



আপনার জিজ্ঞাসা


প্রথম হজের প্রতীক্ষা



নববর্ষ উদযাপনে ধর্মীয় নির্দেশনা


গ্রন্থ আলোচনা

