বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম বলেছেন, পাট আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ এক সময় এই সোনালী আঁশের মাধ্যমে বিশ্বে বাংলাদেশের পরিচিতি ছিল। কিন্তু বর্তমানে এ খাত অনেকটা পিছিয়ে পড়েছে। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বন্ধ পাটকলগুলো চালু করে এ খাতে বৈচিত্র্য আনা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার উদ্যোগ নিয়েছে।
শনিবার দুপুরে পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলায় টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট প্রকল্পের কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০০১ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময় প্লাস্টিক ও পলিথিন নিষিদ্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় আবারও প্লাস্টিকের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলে মানুষকে পাট ও পাটজাত পণ্য ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করা হবে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানে পাটজাত পণ্যের ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন ক্ষেত্রে পাট ও চটের ব্যবহার নিশ্চিত করার পরিকল্পনাও রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, সরকারের সময়কাল খুব বেশি না হলেও ইতোমধ্যে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে অল্প সময়ের মধ্যেই দৃশ্যমান অগ্রগতি আসে। পাট ও পাটবীজের উৎপাদন বৃদ্ধি, বন্ধ পাটকল ও কারখানা পুনরায় চালু করা এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব বিলকিস জাহান রিমি, গণপূর্ত বিভাগ পিরোজপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শহীদুল ইসলাম, ভাণ্ডালিয়ার সহকারী কমিশনার (ভূমি) উজ্জল হালদার, ভাণ্ডারিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন আকন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বিপ্লব, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল মান্নান হাওলাদার, সদস্য সচিব মাসুদ রানা পলাশসহ উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।