হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

নবীনগরে বৃষ্টির পানির চাপে আঞ্চলিক সড়ক ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

উপজেলা প্রতিনিধি, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)

ছবি: আমার দেশ

রাত পোহালেই ঈদের আনন্দ। এদিকে টানা ভারী বৃষ্টিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার শ্যামগ্রাম সলিমগঞ্জ আঞ্চলিক সড়ক ভেঙে বুধবার সকাল থেকে যোগাযোগ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। এতে তিনটি ইউনিয়নসহ পার্শ্ববর্তী বাঞ্ছারামপুর উপজেলার লক্ষাধিক মানুষ মারাত্মক দুর্ভোগে পড়েছেন।

শ্যামগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান খান মাসুম আমার দেশকে বলেন, সড়কের ভাঙনের সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায়।

আমার চোখের সামনে মুহূর্তের মধ্যে পানির চাপে সড়কটি ধসে গেছে। তিনি আরও বলেন, এই সড়কের ওপর থাকা ব্রিজের নিচ দিয়ে শ্যামগ্রাম ইউনিয়নের কুড়িনাল গ্রাম থেকে আসা খাল দিয়ে কয়েকটি গ্রামের পানি নিষ্কাসন ও বর্ষা মৌসুমে নৌকা চলাচল করত। কিন্তু সড়কের নির্মাণ কাজ শুরু হলে ব্রিজটি ভেঙে খালের মুখ বন্ধ করে এখানে তিন ফুটের সিমেন্টের পাইব বসানো হয়েছে। এটা ছিল প্রকৌশলীদের ভুল সিদ্ধান্ত বা ভুল পরিকল্পনা। একটি খালের পানি পাইব সরানোর চেষ্টা করার কারণে আজকে সড়কটি ধসে গেছে। সড়কটি ধসে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার কারণে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এই এলাকার মানুষকে। অবিলম্বে এই জায়গায় নতুন করে ব্রিজ নির্মাণ করা না হলে, আরও বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

শ্যামগ্রামের শফিকুল ইসলাম বলেন, গত মঙ্গল ও বুধবার অব্যাহত বৃষ্টির পানি ওই পাইপ দিয়ে সরতে না পেরে, পানির চাপে একপর্যায়ে সড়কটি মাঝখান থেকে ভেঙে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে সড়ক দিয়ে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে ।

তিনি আরও বলেন, এই সড়কে নবীনগর উপজেলার শ্যামগ্রাম, বড়িকান্দি, সলিমগঞ্জ ইউনিয়নসহ পার্শ্ববর্তী বাঞ্ছারামপুর উপজেলার লক্ষাধিক লোক প্রতিনিয়ত জেলা ও উপজেলায় যাতায়াত করে। সড়কটি দুই উপজেলার সংযোগ সড়ক এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার জনগণের জেলা সদরে যাতায়াতের জন্য এই সড়ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী মুস্তাক আহমেদ উজ্জল বলেন, সড়কটির আশপাশে একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বাজার থাকায় এবং এ অঞ্চলের মানুষ সড়ক পথে ঢাকায় যাতায়াত, প্রতি দিন ছোট বড় শতশত যানবাহন চলাচল করার কারণে সড়কটির গুরুত্ব অনেক বেশি। হঠাৎ এ ভাঙনে শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের যাতায়াত বন্ধ হয়ে গেছে, সৃষ্টি হয়েছে মারাত্মক ভোগান্তি।

তিনি আরও বলেন, ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়কির নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে, (শ্যামগ্রাম- শ্রীঘর বাজার) ২০২৫ সালের আগস্ট মাসে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এখনো শেষ হয়নি। তবে ৯ কোটি টাকা উত্তোলন করে নিয়ে গেছে বহুল আলোচিত ঠিকাদার লোকমান হোসেন।

এ বিষয়ে জানতে জেলা ও উপজেলা (এলজিইডির) নির্বাহী প্রকৌশলীর মুঠো ফোনে একাধিক বার কল করেও সারা পাওয়া যায়নি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদের কাছে সন্ধ্যা ৭টায় মুঠোফোনে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভাঙনের জায়গার নাম-ঠিকানা দিয়ে আমাকে সহযোগিতা করুন। পরে বিস্তারিত তথ্য পাঠানোর ৩০ মিনিট পর জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ আমার দেশকে নিজ থেকে মুঠোফোনে জানান, আপনার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানানো হয়েছে, তারা ঘটনাস্থলে গিয়েছে এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং ইতিমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে।

এদিকে, স্থানীয়রা দ্রুত সড়কটি সংস্কার করে স্বাভাবিক যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনঃস্থাপনের জোর দাবি জানিয়েছেন।

এমএইচ

৫ আগস্টের পর বাকলিয়ায় নজিরবিহীন গোলাগুলি, আহত ১৫ পুলিশ

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রতি পরিবার পাবে ১ কেজি করে মাংস

লন্ডভন্ড বিদ্যুৎ লাইন সচল করতে মাঠকর্মীদের ছুটি বাতিল

কালবৈশাখীর তাণ্ডবে আনোয়ারায় বিদ্যুৎ বিপর্যয়

চট্টগ্রামে শরিকানা কোরবানিতে পেশাজীবীদের ভরসা এখন অনলাইন

কালবৈশাখী ঝড়ে বিদ্যুৎহীন সন্দ্বীপ, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

শাহরাস্তিতে ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ

‎মধ্যপ্রাচ্যকে অনুসরণ করে ‎পরশুরামে ঈদুল আযহার জামাত অনুষ্ঠিত

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের আশুগঞ্জ-সরাইল বিশ্বরোডে যানজট

চট্টগ্রামে পাহাড় কাটা বন্ধ করল পরিবেশ অধিদপ্তর