নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে জনতার ধাওয়া খেয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মী মো. তুহিন একটি বিদেশি পিস্তল, ম্যাগজিন ও চার রাউন্ড গুলি ফেলে পালিয়ে গেছেন। এ ঘটনায় অস্ত্রের উৎস ও অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার বিকেলে বেগমগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বেতুয়াবাগ বাজারে বাবুলের দোকানের সামনে রাস্তায় এ ঘটনা ঘটে।
তুহিন গোপালপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কোটরামহব্বতপুর গ্রামের লামিয়া বাড়ির তাজু মিয়ার নাতি, তিনি নানারবাড়িতেই অবস্থান করতেন। তিনি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।
পুলিশ ও স্থানীয়রা আরো জানায়, মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে উপজেলার বেতুয়াবাগ বাজারে বাবুলের দোকানের সামনে ছাত্রলীগের ক্যাডার তুহিন একটি বিদেশি পিস্তল নিয়ে ঘোরাফেরা করছিলেন। এ সময় স্থানীয় জনগণ তাকে আটকের চেষ্টা করে। ওই সময় অস্ত্রধারী তুহিন ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে অস্ত্রটি ফেলে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
খবর পেয়ে বেগমগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার হওয়া পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও চার রাউন্ড গুলি জব্দ করে থানায় নিয়ে আসে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পালিয়ে যাওয়া তুহিন এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিদেশি পিস্তল নিয়ে স্থানীয় জাহাঙ্গীর ও হান্নান নামের দুই ব্যক্তিকে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং আঘাতের চেষ্টা করেন।
নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) টি এম মোশাররফ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, পালিয়ে যাওয়া অস্ত্রধারীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের উৎস এবং এর সঙ্গে অন্য কোনো ব্যক্তি জড়িত রয়েছে কি না, সে বিষয়েও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এমএইচ