হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

পাহাড়ধসের আশঙ্কায় সতর্কতা জারি ও মাইকিং

বাঁশখালীতে পানিবন্দীদের দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়ার উদ্যোগ

আমার দেশ অনলাইনে সংবাদ প্রকাশের পর প্রশাসনের জরুরি বৈঠক

উপজেলা প্রতিনিধি, বাঁশখালী (চট্টগ্রাম)

ভারী বর্ষণে ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমীন।

গত তিন দিনের ভারী বর্ষণে সৃষ্ট পাহাড়ি ঢল ও সমুদ্রের জোয়ারের পানিতে বাঁশখালীর প্রায় ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হওয়ার সংবাদ ‘আমার দেশ’ অনলাইনে প্রকাশের পর জরুরি সভার আয়োজন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমীন।

তিনি ‘আমার দেশ’-এর প্রতিনিধিকে বলেন, “প্রত্যেক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও সরকারি কর্মকর্তাদের নিয়ে ইউএনও কার্যালয়ে জরুরি সভা করেছি। সবার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের সতর্ক করতে মাইকিং করা হচ্ছে। অধিক ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের কাছে সরাসরি গিয়ে তাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হবে। এছাড়া পানিবন্দী মানুষদের দ্রুত স্থানীয় আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। সেখানে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে।”

তিনি জনগণকে আতঙ্কিত না হয়ে প্রশাসনের সহযোগিতা নেওয়ার পরামর্শ দেন।

এদিকে বন বিভাগের তথ্যমতে, বাঁশখালীতে প্রায় ৪০ হাজার পরিবার অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণভাবে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস করছে। ভারী বৃষ্টিতে এসব পরিবারের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও প্রাণহানির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

অনিয়ন্ত্রিত বসতি স্থাপন, জীবিকার তাগিদ এবং মাথা গোঁজার ঠাঁই না পাওয়ার কারণে অনেকেই পাহাড় কেটে সেখানে ঝুঁকিপূর্ণ বসতি তৈরি করেছেন। বর্ষাকালে একটানা প্রবল বর্ষণে পাহাড়ের মাটি আলগা হয়ে ধসের আশঙ্কা তৈরি হয়। অতীতে বাঁশখালীর শীলকূপসহ বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধসে শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে।

বাঁশখালী ইকোপার্কের পরিচালক ও ফরেস্ট রেঞ্জার ইসরায়েল হক বলেন, “ঝুঁকি এড়াতে উপজেলা প্রশাসন ও বন বিভাগের পক্ষ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমীন মহোদয় নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী ইতোমধ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছি।”

জানা যায়, ঝুঁকিপূর্ণ বসতি সরাতে এর আগে বেশ কয়েকবার উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলেও পুনর্বাসনের অভাবে মানুষ আবারও পাহাড়ের ঢালে ফিরে আসে। বাঁশখালীর পাহাড়ি এলাকা শীলকূপ, চাম্বল, পুঁইছড়ী, নাপোড়া, জলদী, পাইরাং, গুনাগরী, কালীপুর, সাধনপুর ও পুকুরিয়া এলাকায় বহু মানুষ পাহাড়ের পাদদেশে মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে।

এদিকে আগামী ১২ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় টানা ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা থাকায় পাহাড়ধস, পাহাড়ি ঢল এবং নিচু এলাকায় আকস্মিক জলাবদ্ধতা বা বন্যার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পূর্বাভাসে সংস্থাটি জানায়, কয়েক দিন ধরে নিয়মিত ভারী বৃষ্টির কারণে পাহাড়ধসের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি স্থানে পাহাড়ধসের ঘটনাও ঘটেছে। তাই পাহাড়ি অঞ্চলের বাসিন্দাদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

কাপ্তাই হ্রদে পানি বাড়ায় কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৫ ইউনিট চালু

মিরসরাইয়ের সব পাহাড়ি ঝরনায় পর্যটক প্রবেশ নিষিদ্ধ

বান্দরবানের সঙ্গে সারাদেশের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার শঙ্কা

কমলনগরে দোকানঘরে রক্তাক্ত অবস্থায় ব্যবসায়ী উদ্ধার

বৈরী আবহাওয়ায় সাজেক পর্যটন কেন্দ্র সাময়িক বন্ধ

মিরসরাইয়ে পরিত্যক্ত ফ্যাক্টরি থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার

গোমতী নদীর চর থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রামে দেয়াল ধসে যুবক নিহত

থানচিতে ফিরলেন নাফাখুম ও আমিয়াখুমে আটকা ৯০ পর্যটক

কসবায় উত্তরা ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসারকে হত্যা