নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সোমবার বিকেলে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ফাঁকা গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
সংঘর্ষের সময় কয়েকটি বাড়িতে ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ জানায়, নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক বিল্লাল হোসেনের সাথে কায়েতপাড়া ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দল সমর্থক আমিন হোসেনের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় বিল্লাল হোসেন রূপগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।
সংঘর্ষে দুই পক্ষের কর্মী সমর্থকরা রামদা, ছুরি, লাঠিসোঁটা ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে একে অপরকে ধাওয়া করে। এসময় ৩/৪ রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ করে প্রতিপক্ষের বাড়িঘর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। পুরো এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পড়লে নিরাপদে আশ্রয়ের খোঁজে আশপাশের বাড়ির নারী ও শিশুরা ছুটাছুটি শুরু করে।
সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ১৫ জন আহত হয় বলে প্রাথমিক ভাবে খবর পাওয়া গেছে। আহতদের মধ্যে বিল্লাল হোসেন(৩৫), মোমেন খাঁ (২৮), অপু মিয়া (২২) কে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রূপগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম বলেন, পরিকল্পিতভাবে বিল্লাল হোসেন ও তার সমর্থকরা হামলা চালিয়ে গুলিবর্ষণ করেছে।
রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএইচএম সালাউদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এমই