হোম > সারা দেশ > খুলনা

ন্যায্য মজুরির অভাবসহ নানা বঞ্চনার শিকার ওজোপাডিকোর কর্মচারীরা

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ

খুলনা ব্যুরো

ছবি: আমার দেশ

ওজোপাডিকোর কর্মচারীদের নানা বঞ্চনা আর দুর্দশার কথা উঠে এসেছে সংগঠনটির আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে। রোববার খুলনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা দাবি করেন, বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে বিদ্যুৎ সেবার মান মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে এবং কর্মচারীদের জীবন-জীবিকাও হুমকির মুখে পড়বে। সংবাদ সম্মেলনে তারা কর্মচারীদের কাজের চাপ, ন্যায্য মজুরির অভাবসহ জনবল সংকট, দ্রুত নিয়োগ ও আউটসোর্সিং বন্ধের দাবি জানান।

লিখিত বক্তব্যে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান বলেন, ওজোপাডিকোর অধীনে ১৭ লাখ ২৮ হাজার ৩১৬ জন গ্রাহক রয়েছেন। গ্রাহকসেবা পরিচালনায় ১০ হাজার ৭৮৬ কিলোমিটার বিতরণ লাইন ও ৯৭টি ৩৩/১১ কেভি উপকেন্দ্র রয়েছে। এর বিপরীতে কর্মরত কর্মকর্তা মাত্র ৪৪০ জন এবং শ্রমিক-কর্মচারী ৯৬৪ জন। তিনি অভিযোগ করেন, এ সীমিত জনবল দিয়ে প্রতিজন কর্মচারীকে গড়ে ১,৭৯২ জন গ্রাহকের সেবা দিতে হচ্ছে, যা বাস্তবসম্মত নয়। এতে সেবার মান যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তেমনি কর্মচারীদের ওপর বাড়ছে অস্বাভাবিক কাজের চাপ।

বিশেষ করে সাব-স্টেশন অপারেটর (এসবিএ) পদের সংকটকে গুরুতর সমস্যা হিসেবে তুলে ধরা হয়। ৯৭টি উপকেন্দ্রের মধ্যে ৮৬টিতে অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী এসবিএ পদের সংখ্যা হওয়া উচিত ৩৪৪ জন। কিন্তু বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ২২৫ জন, ফলে শূন্য রয়েছে ১১৯টি পদ। আগামী ২০২৭ সালের মধ্যে আরও ২০ জন অবসরে গেলে সংকট আরও প্রকট হবে।

সম্মেলনে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে শূন্য পদ পূরণ না করায় কর্মরত এসবিএ কর্মচারীরা প্রতিদিন স্বাভাবিক সময়ের বাইরে অতিরিক্ত ৮ থেকে ১৬ ঘণ্টা কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন। যেখানে দৈনিক প্রয়োজনীয় মোট কর্মঘণ্টা ২,৭৫২ ঘণ্টা, সেখানে বর্তমান জনবল দিয়ে পূরণ হচ্ছে মাত্র ১,৮০০ ঘণ্টা। ফলে প্রতিদিন অতিরিক্ত ৯৫২ ঘণ্টা কাজ করতে হচ্ছে, যা মাসিক হিসেবে দাঁড়ায় ২৮ হাজার ৫৬০ ঘণ্টা।

অভিযোগ করা হয়, এ অতিরিক্ত কাজের বিপরীতে যথাযথ মজুরি দেওয়া হচ্ছে না। প্রতি মাসে মাত্র ৯,২০০ ঘণ্টার বিল পরিশোধ করা হলেও বাকি ২১,৩৬০ ঘণ্টার কোনো পারিশ্রমিক দেওয়া হয় না। একই সঙ্গে কর্মচারীরা সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটিও ভোগ করতে পারছেন না, যার ফলে তাদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, ২০২৫ সালে ৭৫ জন এসবিএ, ৬২ জন সহায়ক ও ৪০ জন নিরাপত্তা কর্মী নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হলেও তা এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। এমনকি মৌখিক পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণের পরও তা স্থগিত করা হয়েছে।

তারা অভিযোগ করেন, স্থায়ী নিয়োগের পরিবর্তে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে জনবল নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে, যা একটি কারিগরি প্রতিষ্ঠানের জন্য অকার্যকর এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার ‘ডিসেন্ট ওয়ার্ক’ নীতির পরিপন্থি। তারা অবিলম্বে আউটসোর্সিং বন্ধ করে স্থায়ী জনবল নিয়োগের দাবি জানান। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন।

কুষ্টিয়ায় কথিত পীর শামীমের লাশ পুলিশ প্রহরায় দাফন

মোংলা বন্দরে রিকন্ডিশন গাড়ি আমদানি বৃদ্ধি, বাড়ছে রাজস্ব

খুলনায় তাঁতী দলের নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচিতে দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছিল

ঝিনাইদহ পৌরসভার রাস্তা ভেঙে ফেলার অভিযোগ

কালীগঞ্জে পাগলা কুকুরের তাণ্ডব, নারী-শিশুসহ আহত ২৩

কৃষকদের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে

কুষ্টিয়ায় কোরআন অবমামনার দায়ে কথিত পীরকে কুপিয়ে হত্যা, আস্তানা ভাঙচুর

যশোরে জামায়াতে ইসলামীর শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত

অভয়নগরে ট্রেনের ধাক্কায় স্কুলশিক্ষকের মৃত্যু