চুয়াডাঙ্গায় শতভাগ স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা, মেধা ও যোগ্যতায় পুলিশ কনস্টবল পদে নিয়োগ পেয়েছে ২১ জন তরুণ-তরুণী। নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে প্রাথমিকভাবে মনোনীত হয়েছেন জেলার ২০ জন পুরুষ ও ১ জন নারীসহ ২১ জন তরুণ-তরুণী।
চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান রবিবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানান, চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে স্থানীয় ডিস চ্যানেল, পত্রিকা, মাইকিং ও ফেসবুকে প্রচারের মাধ্যমে চাকরি প্রত্যাশীদের বারবার সচেতন করা হয়। চাকরি প্রত্যাশীদের প্রতারক ও দালালদের শরণাপন্ন না হওয়ার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়। চূড়ান্তভাবে মনোনীত প্রার্থীদের চাকরি পাওয়ার সকল প্রক্রিয়া শেষ করতে সরকারি ফি বাবদ খরচ হয়েছে মাত্র ১২০ টাকা।
চুয়াডাঙ্গা জেলায় ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে ২০২৬ সালের ১৮ এপ্রিল সকাল ৮টা হতে নিয়োগ কমিটি প্রথম ধাপে চাকরি প্রার্থীদের মধ্য থেকে শারীরিক সক্ষমতা নির্ণয়ে কাগজপত্র যাচাই-বাছাই, শারীরিক মাপ, শারীরিক সক্ষমতা ও আনুষঙ্গিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে গত ৪ মে ২০২৬ লিখিত পরীক্ষায় ২৩৯ জন চাকরি প্রত্যাশী তরুণ-তরুণী অংশ গ্রহণ করেন। রোববার সকাল ১০টায় পুলিশ লাইন্সে লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। লিখিত পরীক্ষায় ৪৩ জন পুরুষ ও ১ জন নারী প্রার্থীসহ ৪৪ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হন।
লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেন। নিজেদের মেধা ও যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে ২০ জন পুরুষ ও একজন নারী প্রার্থী নিয়োগ বোর্ড কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়। নিয়োগ বোর্ডের পক্ষ থেকে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ ২১ জন তরুণ-তরুণীদের অভিনন্দন ও বাংলাদেশ পুলিশে স্বাগত জানানো হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা পুলিশ লাইন্স ড্রিলশেডে এদিন সন্ধ্যা ৬টায় নতুন চাকরি পাওয়া এই তরুণ-তরুণীদের পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করেন নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান।
নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে নিজ মেধা ও যোগ্যতায় বাংলাদেশ পুলিশের গর্বিত সদস্য হওয়ার জন্য নির্বাচিত হতে পেরে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ তরুণ-তরুণীরা খুশিতে আত্মহারা হয়ে পড়েন।
চূড়ান্ত ফল ঘোষণাকালে উপস্থিত ছিলেন মেহেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ আতিকুল হক ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এ্যান্ড অপস্) মোসফেকুর রহমান, ঝিনাইদহসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।
এমএইচ