হোম > সারা দেশ > ময়মনসিংহ

নেত্রকোনায় শিশু ধর্ষণের মামলায় শিক্ষক গ্রেপ্তার

আমার দেশ অনলাইন

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় ১২ বছরের ছাত্রীকে ধর্ষণ অভিযোগের মামলায় মাদরাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে গ্রেপ্তার করেছে র‍‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। বুধবার সকালে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ধর্ষণের পর ওই ছাত্রী সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ায় মাদরাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার। ওই শিক্ষক হযরত ফাতেমা তুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদরাসার পরিচালকও।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় মদন থানায় ভুক্তভোগীর মা আমান উল্লাহ সাগরকে অভিযুক্ত করে অভিযোগটি দায়ের করেন। অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাঁচহার বড়বাড়ি গ্রামের মৃত শামসুদ্দিন মিয়ার ছেলে।

মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর মদন উপজেলার পাঁচহার গ্রামে ২০২২ সালে হযরত ফাতেমা তুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন। একই মাদরাসয় তার স্ত্রীও প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত আছেন। ভুক্তভোগীও একই এলাকার বাসিন্দা। মেয়েটির মাকে ছেড়ে গেছে তার বাবা। জীবিকার তাগিদে শিশুটির মা সিলেটে গৃহপরিচারিকার কাজ করেন। ভুক্তভোগী শিশুটি তার নানির কাছে থেকে ওই মাদরাসায় লেখাপড়া করত।

অভিযোগ রয়েছে, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর ওই মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। এ ঘটনা কাউকে জানালে প্রাণনাশের ভয় দেখায় ওই শিক্ষক। এপ্রিল মাসের ১৮ তারিখে ওই শিক্ষক ছুটিতে যাওয়ার পর আর মাদরাসায় আসেনি বলে জানিয়েছেন মাদরাসার আরেক শিক্ষক। আর ভুক্তভোগী ছাত্রী গত পাঁচ মাস ধরে মাদরাসায় আসা বন্ধ করে দেয়।

পরবর্তীতে শিশুটির শারীরিক পরিবর্তন দেখে সন্দেহ হয় পরিবারের। তখন তার মা সিলেট থেকে এসে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পারে ঘটনা। শিশুটি মাদরাসার শিক্ষকের দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে জানায়। এরপর শিশুটিকে নিয়ে মদন উপজেলার বেসরকারি মেডিকেলে গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. সায়মা আক্তারকে দেখান। তিনি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানান, মেয়েটি পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

এ বিষয়ে ডাক্তার সায়মা আক্তার জানান, বাচ্চাটি তার মায়ের সঙ্গে ক্লিনিকে আসে এবং জানায় যে তার পেট সব সময় ভারী লাগে এবং পেটের ভেতরে কিছু একটা নড়াচড়া করছে বলে মনে হয়। চিকিৎসক তাকে পরীক্ষা করে দেখতে পান বাচ্চাটি প্রচণ্ড রক্তশূন্যতায় ভুগছে। তার শরীরে রক্ত নেই বললেই চলে।

এই গাইনি চিকিৎসক আক্ষেপ করে বলেন, মেয়েরা জন্মের সময় থেকেই ডিম্বাশয়ে ডিম্বাণু নিয়ে জন্মায়। সাধারণত ১১-১২ বছর বয়সে এই ডিম্বাণুগুলো পূর্ণতা পায় এবং প্রথম মাসিকের মাধ্যমে তার বহিঃপ্রকাশ ঘটে। শিশুটি তার জীবনের প্রথম মাসিক হওয়ার অভিজ্ঞতা পাওয়ার আগেই গর্ভবতী হয়ে পড়েছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির কারণে শিশুটি ও তার পরিবার বর্তমানে এক গভীর সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম জানান, এ ধরনের একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

এমবি

মদনে সেই শিক্ষক গ্রেপ্তার, ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে প্রকৃত আসামি নির্ধারণের দাবি

নেত্রকোনায় ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণা, আনন্দ মিছিল

প্রাক্তন স্ত্রীর অন্তরঙ্গ ভিডিও পোস্ট, যুবদল নেতার বিরুদ্ধে মামলা

মাদক-সন্ত্রাসের পক্ষে কোনো তদবীর নয়: এমপি হিলালী

রূপগঞ্জে পুলিশকে অবরোধ করে আটক যুবদল নেতাকে ছিনতাই

সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়ল নকল, বহিষ্কার দাখিল পরীক্ষার্থী

পূর্বধলায় স্কুলছাত্রী অপহরণ, থানায় অভিযোগ

শেরপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে গাঁজা চাষি আটক

যুক্তরাষ্ট্রে নিহত শিক্ষার্থী লিমনের লাশ গ্রামের বাড়িতে

মাদারগঞ্জে সাড়ে চার কিলোমিটার খাল খনন কাজের উদ্বোধন