ফুলবাড়ীয়া উপজেলার ২নং পুঠিজানা নামাপাড়া গ্রামের রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে ড্রোন হামলায় নিহত আ. রহিমের পরিবারের প্রতি এমপি কামরুল হাসান মিলন সমবেদনা জানালেন।
শোকাহত পরিবারকে সান্ত্বনা দিতে তার বাড়িতে ছুটে গেলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য কামরুল হাসান মিলন। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম সোহাগ, অফিসার ইনচার্জ রাশেদুল হাসান, পুঠিজানা ইউনিয়নের প্রশাসক রওশন জাহান প্রমুখ।
১২ মে মঙ্গলবার বিকালে নিহতের গ্রামের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। এমপি কামরুল হাসান মিলনকে পাশে পেয়ে কিছুটা সান্ত্বনা প্রকাশ করেন নিহত আ. রমিমের বাবা। তবে পিতার আকুতি আমার ছেলের লাশটা যেন পাই। বাবার আকুতিতে উপস্থিত সবার মধ্যে আবেগঘন পরিস্থিতির সৃষ্টিকরে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম সোহাগ বলেন, পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে লাশ দেশে আনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠানো হবে। একই সঙ্গে মানবিক সহায়তাসহ পরিবারের পাশে দাঁড়ানো হবে। কোনো দালালের প্রতারণার শিকার হয়ে থাকলে সে বিষয়েও আইনগত সহায়তা দেওয়া হবে।
সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মু. কামরুল হাসান মিলন বলেন, দালালের খপ্পরে পড়ে এমন ঘটনা ঘটছে। বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে সবাইকে সচেতন হতে হবে। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে জেনেছি, লাশ দেশে আনতে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। আমরা সর্বোচ্চ সহায়তা করব।
উল্লেখ, রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে ড্রোন হামলায় আ. রহিমের মৃত্যু হয়। তার বাড়ি ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার ২নং পুঠিজানা ইউনিয়নের নামাপাড়া গ্রামের আজিজুল হকের ছেলে।