জাতীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম। শুক্রবার সংগঠনটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত এক বিবৃতি থেকে এ তথ্য জানা যায়।
এতে বলা হয়, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট উৎসবে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও জননেতা তারেক রহমানকে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে জনগণের এই রায় দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রত্যাশা, বঞ্চনা ও পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষার এক সম্মিলিত প্রকাশ।
এতে আরো বলা হয়, বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী রাজনীতির ইতিহাসে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদান বিশেষভাবে স্মরণ করছি। তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, জাতীয়তাবাদী চেতনার বিকাশ এবং আত্মনির্ভর অর্থনীতির ভিত্তি নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এরই ধারাবাহিকতায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া গণতান্ত্রিক আন্দোলন, সংসদীয় রাজনীতি ও জন-আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিত্বে এক দৃঢ় নেতৃত্বের পরিচয় দিয়েছেন। মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।
বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা কৃতজ্ঞ চিত্তে স্মরণ করছি, জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের, যারা গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মর্যাদাপূর্ণ নাগরিক জীবনের প্রত্যাশায় আত্মত্যাগ করেছেন। আমরা প্রত্যাশা করি তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, আইনের শাসন, জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে দেশ অগ্রসর হবে। উন্নয়নের প্রকৃত মানদণ্ড হবে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষার মানোন্নয়ন, প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের বাস্তবায়ন।
বিবৃতিতে স্থিতিশীল রাষ্ট্রের প্রত্যাশা করে বলা হয়, নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ে বাংলাদেশ হবে এমন একটি স্থিতিশীল রাষ্ট্র, যেখানে নাগরিকের অধিকার সুরক্ষিত থাকবে, মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত হবে এবং রাষ্ট্র সবার জন্য সমানভাবে কাজ করবে। আমরা দল-মতনির্বিশেষে দেশবাসীকে একটি সমন্বিত ও অংশগ্রহণমূলক রাষ্ট্র নির্মাণে শামিল হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।