রমজান মাস এলেই দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলো যেন এক ভিন্ন আবহে রঙিন হয়ে ওঠে। সারা দিনের ক্লাস, লাইব্রেরির নীরবতা আর ব্যস্ত একাডেমিক সূচির ফাঁকে বিকাল গড়াতেই শুরু হয় আরেক প্রস্তুতি—ইফতারের আয়োজন। কেউ হলের বারান্দায়, কেউ বিভাগীয় প্রাঙ্গণে, আবার কেউ খোলা মাঠে গোল হয়ে বসে ভাগাভাগি করে নেন খেজুর, ছোলা আর পানির বোতল। সামান্য আয়োজন, সীমিত সামর্থ্য; তবু উচ্ছ্বাসে ভরপুর তরুণ হৃদয়।
এই ইফতার শুধু ক্ষুধা নিবারণের মুহূর্ত নয়; এটি হয়ে ওঠে বন্ধুত্ব, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের এক অনন্য মিলনমেলা। ভিন্ন জেলা, ভিন্ন মত, ভিন্ন পটভূমি—সব পার্থক্য ভুলে শিক্ষার্থীরা এক টেবিলে বসে গড়ে তোলেন সাম্যের এক সাময়িক কিন্তু গভীর ছবি। পরিবার থেকে দূরে থাকলেও তারা একে অপরকে ঘিরে গড়ে তোলেন ছোট ছোট বৃত্ত, যেখানে ভাগাভাগি হয় খাবার, গল্প আর হৃদয়ের টান। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিদিনের ইফতার আয়োজন তাই এখন কেবল ধর্মীয় অনুষঙ্গ নয়, বরং ক্যাম্পাস সংস্কৃতির এক উজ্জ্বল অংশ। প্রতিনিধিদের পাঠানো সংবাদে উঠে এসেছে তার চিত্র।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় : টিএসসির ঘাসে রমজানের স্নিগ্ধতা
মাহির কাইয়ুম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
বিকালের শেষ প্রহরে টিএসসির সবুজ চত্বরে গোল হয়ে বসে আছে শিক্ষার্থীরা। মাঝখানে পত্রিকা বা দস্তরখান বিছানো; তার ওপর ছোলা, মুড়ি, পেঁয়াজু, বেগুনি, আলুর চপ, খেজুর আর শরবত। কেউ শরবত মিশিয়ে দিচ্ছে, কেউ খেজুর গুনে রাখছে। সবার চোখ ঘড়ির কাঁটায়, কানে আজানের অপেক্ষা। ইফতার সামগ্রী খুব বেশি নয়, কিন্তু মুখে উচ্ছ্বাস, আড্ডায় প্রাণচাঞ্চল্য। সূর্য পশ্চিমে হেলে পড়লেই শুরু হবে ইফতার। সবুজ মাঠের এই সমবেত মুহূর্তে ধরা দেয় রমজানের অপূর্ব স্নিগ্ধতা।
রমজানকে ঘিরে বদলে গেছে পুরো ক্যাম্পাসের চিত্র। আবাসিক হলের মাঠ থেকে কার্জন হল প্রাঙ্গণ—সবখানেই ইফতারের আয়োজন। ব্যক্তিগত উদ্যোগ, হলভিত্তিক কর্মসূচি ও ছাত্রসংগঠনগুলোর উদ্যোগে সন্ধ্যার ক্যাম্পাস হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত।
ডাকসুর উদ্যোগে নারী শিক্ষার্থীদের ইফতার
রমজান উপলক্ষে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক কার্জন হল প্রাঙ্গণে প্রায় ১ হাজার ২০০ আবাসিক ও অনাবাসিক ছাত্রীকে নিয়ে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
আয়োজকরা জানান, সুশৃঙ্খল ও স্বাচ্ছন্দ্যময় পরিবেশে নারী শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত ইফতারের সুযোগ তৈরি করাই ছিল মূল উদ্দেশ্য। অংশগ্রহণের জন্য ইমেইলের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। আসনসংখ্যা সীমিত থাকায় সবাইকে একসঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়নি; পরবর্তী পর্যায়ে আরো শিক্ষার্থীকে নিয়ে আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
শিক্ষার্থীরা জানান, এমন আয়োজন তাদের পারস্পরিক সম্পর্ক দৃঢ় করতে সহায়ক। অনেকেই চান, ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হোক।
ছাত্রসংগঠনগুলোর গণ-ইফতার
রমজানে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনও সক্রিয় ভূমিকা রাখছে। ছাত্রদলের উদ্যোগে ‘ইফতার উইথ হামিম’ কর্মসূচি, কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও সাহরি আয়োজন শিক্ষার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে ইফতার বিতরণ কর্মসূচি পরিচালনা করছে। আসরের নামাজের পর থেকে খেজুর, ফল, পানি ও অন্যান্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
শিক্ষার্থীরা জানান, এসব উদ্যোগ বিশেষ করে আবাসিক ও আর্থিকভাবে সীমিত শিক্ষার্থীদের জন্য সহায়ক। সংগঠনগুলোর মতে, রমজানের শিক্ষাকে ধারণ করে সহমর্মিতা ও মানবিক মূল্যবোধ ছড়িয়ে দিতেই এসব কর্মসূচি।
আলোয় সেজেছে হলপাড়া
রমজান উপলক্ষে নতুন সাজে সেজেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো। প্রবেশপথে ঝুলছে শুভেচ্ছাবার্তা, বর্ণিল আলোকসজ্জা আর চাঁদ-তারার নকশা। সন্ধ্যা নামতেই আলোর ঝলকানিতে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে পুরো হলপাড়া। হল সংসদগুলোর সহযোগিতায় এ সাজসজ্জা বাস্তবায়িত হয়েছে বলে জানা গেছে।
বিকাল গড়ালে টিএসসি ও হলসংলগ্ন এলাকায় বসে ছোটখাটো ইফতার বাজার। ভাজাপোড়া, ফলমূল, শরবত, মিষ্টি—সবই মিলছে অস্থায়ী দোকানে। শুধু শিক্ষার্থী নয়, আশপাশের এলাকার মানুষও পরিবার নিয়ে এসে মাঠে বসে ইফতার করছেন।
পাহাড়ঘেরা ক্যাম্পাসে বৈচিত্র্যের ইফতার
আতিকুর রহমান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
পাহাড়ঘেরা এই ক্যাম্পাসে রমজান এলেই বদলে যায় বিকালের চিত্র। পরিবারের কাছ থেকে দূরে থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য ইফতারের সময়টুকু কখনো কখনো আবেগময় হয়ে ওঠে। মায়ের হাতের রান্না, ঘরের টেবিল—সবই মনে পড়ে। তবুও ক্যাম্পাসজীবন পুরোপুরি নিঃসঙ্গ নয়। বন্ধুরাই হয়ে ওঠে নতুন পরিবার।
আছরের নামাজের পর শিক্ষার্থীরা ছুটে যান ইফতার সামগ্রী কিনতে। ছোলা, মুড়ি, বেগুনি, আলুর চপ, জিলাপি, ফল—নানা রঙে ভরে ওঠে দোকানগুলো। তারপর কেউ কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে, কেউ শহীদ মিনার এলাকায়, কেউ পাহাড়ের চূড়ায় বসে ইফতার করেন। ছোট ছোট বৃত্তে বসে গল্প, হাসি আর খাবার ভাগাভাগির মধ্য দিয়ে তৈরি হয় এক উষ্ণ পরিবেশ।
সংগঠনগুলোর সহমর্মিতা
রমজান মাসে বিভিন্ন ছাত্র ও সামাজিক সংগঠনও শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ায়। ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরসহ নানা প্ল্যাটফর্ম ইফতার ও সাহরির আয়োজন করে। প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী, আবাসিক শিক্ষার্থী ও পথশিশুদের নিয়েও আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ ইফতার মাহফিল।
ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে বড় পরিসরের ইফতার মাহফিলে কয়েক হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেন। ছাত্রী হলগুলোয়ও পৃথক আয়োজন করা হয়। সংগঠনগুলোর নেতারা জানান, রমজানের সৌন্দর্য ভাগ করে নেওয়া এবং সম্প্রীতির বন্ধন দৃঢ় করাই তাদের লক্ষ্য।
এই আয়োজনগুলো শিক্ষার্থীদের জন্য শুধু খাবারের ব্যবস্থা নয়; বরং এটি মানসিক সান্ত্বনা ও সামাজিক সংযোগের একটি বড় জায়গা। পরিবার থেকে দূরে থাকলেও বন্ধুত্বের উষ্ণতায় অনেকটাই পূরণ হয় শূন্যতা।
খোলা আকাশের নিচে সম্প্রীতির মিলনমেলা
ফাহমিদুর রহমান ফাহিম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে রমজান মানেই খোলা মাঠে ইফতার। শহীদ হবিবুর রহমান হল মাঠ, জুবেরী মাঠ, শহীদ মিনার, সাবাস বাংলাদেশ চত্বর—সবখানেই বিকাল থেকে জমতে থাকে ভিড়। ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে শিক্ষার্থীরা ঘাসের ওপর কাগজ বা দস্তরখান বিছিয়ে সাজান ইফতারি। খেজুর, ছোলা, মুড়ি, পেঁয়াজু আর শরবতের পাশাপাশি থাকে ফলের সমাহার।
এই আয়োজনে নেই কোনো ভেদাভেদ। বড় ভাই-ছোট ভাই, বর্তমান-প্রাক্তন—সবাই একই বৃত্তে বসে। অনেক সময় ভিন্ন ধর্মাবলম্বী বন্ধুরাও যোগ দেন। এতে ক্যাম্পাসে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল চিত্র ফুটে ওঠে।
এক শিক্ষার্থী বলেন, হলের চার দেয়ালের মাঝে ইফতার করা যায়; কিন্তু খোলা আকাশের নিচে সবার সঙ্গে বসে ইফতার করার অনুভূতিই আলাদা। আরেকজনের ভাষায়—‘এখানে আমরা শুধু রোজা ভাঙি না; সারা দিনের ক্লান্তি ভুলে একে অপরের সঙ্গে সময় কাটাই।’
ভিন্ন ধর্মের এক শিক্ষার্থী জানান, মুসলিম বন্ধুর ইফতারে অংশ নেওয়া তার কাছে সম্মানের বিষয়। আজানের মুহূর্তে তিনি নিজেকে আলাদা মনে করেন না; বরং বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার বন্ধনই বড় হয়ে ওঠে।
ইফতারের কয়েক মিনিট আগে মাঠজুড়ে নেমে আসে নীরবতা। আজানের ধ্বনি উঠতেই শুরু হয় রোজা ভাঙা। সেই মুহূর্তে ক্যাম্পাসজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে এক অপার্থিব প্রশান্তি।
সম্পর্কের উষ্ণতাই আসল
তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের চিত্র আলাদা হলেও অনুভূতি এক—ইফতার মানে মিলন। পরিবার থেকে দূরে থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য এটি মানসিক আশ্রয়। সামান্য আয়োজন, কিন্তু গভীর আবেগ। কোথাও বড় পরিসরের গণ-ইফতার, কোথাও বন্ধুদের ছোট বৃত্ত—সবকিছুর মধ্যেই আছে ভাগাভাগি আর একসঙ্গে থাকার আনন্দ।
রমজান তাই ক্যাম্পাসে কেবল ধর্মীয় অনুশীলন নয়; এটি সামাজিক সম্প্রীতির এক জীবন্ত অভিজ্ঞতা। খোলা আকাশের নিচে বসে খেজুর হাতে অপেক্ষার সেই মুহূর্তগুলো শিক্ষার্থীদের মনে থেকে যায় দীর্ঘদিন। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের ব্যস্ততার মাঝেও এই আয়োজন মনে করিয়ে দেয়—সংযমের পাশাপাশি রমজান শেখায় ভালোবাসা, সহমর্মিতা আর মানুষের পাশে থাকার শিক্ষা।
সবুজ মাঠে বসে ভাগাভাগি করা সেই সাধারণ ইফতারই হয়ে ওঠে অসাধারণ স্মৃতি, যা হয়তো একদিন ক্যাম্পাস ছেড়ে যাওয়ার পরও হৃদয়ের গভীরে উষ্ণ হয়ে থাকবে।
বেরোবিতে খোলা আকাশের নিচে সম্প্রীতির বন্ধনে ইফতার
মো. ইমন আলী, বেরোবি
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) ক্যাম্পাসে রমজানের প্রতিটি বিকাল যেন ভিন্ন এক আবহ বয়ে আনে। স্নিগ্ধ বাতাস, সবুজে মোড়া বিস্তীর্ণ প্রাঙ্গণ আর পশ্চিম আকাশের লাল আভা মিলিয়ে খোলা আকাশের নিচে প্রতিদিন আয়োজিত হয় সম্প্রীতির বন্ধনে সম্মিলিত ইফতার। ব্যস্ত শিক্ষাজীবনের ফাঁকে এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের মনে আনে প্রশান্তি, আত্মিক তৃপ্তি ও ভ্রাতৃত্ববোধের গভীর অনুভূতি।
ইফতারের নির্ধারিত সময়ের আগেই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন মাঠ ও উন্মুক্ত স্থানে জড়ো হতে শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। কেউ পাটি বিছান, কেউ খাবার সাজান; খেজুর, ছোলা, মুড়ি, ফল, জিলাপি, পেঁয়াজু আর ঠান্ডা শরবতে পূর্ণ হয়ে ওঠে সারি সারি আসন। কেউ স্বেচ্ছায় পানির বোতল বিতরণ করেন। ছোট ছোট এসব দায়িত্বই গড়ে তোলে বড় এক সম্প্রীতির সেতুবন্ধ।
শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আয়োজনটি কেবল ইফতারে সীমাবদ্ধ থাকে না; এটি হয়ে ওঠে ভালোবাসা, সৌহার্দ্য ও সহমর্মিতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। সিনিয়র-জুনিয়র, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী, আবাসিক-অনাবাসিক—সবাই একসঙ্গে বসে একই খাবার ভাগাভাগি করেন। এতে দূরত্ব কমে, বাড়ে আন্তরিকতা। বিশেষভাবে ছাত্রীদের অংশগ্রহণ চোখে পড়ে। অনেকেই নিজ হাতে তৈরি পিঠা, ফলের সালাদ বা বিশেষ শরবত নিয়ে আসেন এবং সবার সঙ্গে ভাগ করে নেন। এতে পারস্পরিক বিশ্বাস ও বন্ধুত্ব আরো দৃঢ় হয়।
ইফতারের মুহূর্তে পশ্চিম আকাশে সূর্য ঢলে পড়লে চারপাশে নেমে আসে আবেগঘন নীরবতা। মসজিদ থেকে আজানের ধ্বনি ভেসে আসতেই সবাই একসঙ্গে দোয়া করেন। খেজুর ও পানি দিয়ে রোজা ভাঙার মধ্য দিয়ে শুরু হয় ইফতার। সেই সময়ে ক্যাম্পাসের স্বাভাবিক কোলাহল স্তব্ধ হয়ে গিয়ে ফুটে ওঠে সামাজিক সম্প্রীতির অনন্য চিত্র। শুধু মুসলিম শিক্ষার্থীরাই নন, অন্যান্য ধর্মের শিক্ষার্থীরাও অংশ নিয়ে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহমর্মিতার বার্তা দেন। এতে স্পষ্ট হয়—বিশ্ববিদ্যালয় কেবল জ্ঞানচর্চার স্থান নয়, মানবিকতারও উন্মুক্ত মঞ্চ।
ইফতার শেষে অনেকেই খোলা প্রাঙ্গণে আড্ডায় মেতে ওঠেন এবং স্মৃতিচারণ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়ে এই মিলনমেলার ছবি। শিক্ষার্থীদের মতে, এমন আয়োজন তাদের আরো কাছে টেনে আনে এবং সম্প্রীতির বন্ধন করে দৃঢ়। রমজানের পবিত্রতা ও মানবিকতার শিক্ষা ধারণ করে এই সম্মিলিত ইফতার বেরোবি ক্যাম্পাসে ঐক্য ও সহমর্মিতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।