হোম > ফিচার > এক্কাদোক্কা

একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

গাজী মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জাবির

আমাদের জাতির জন্য এটি অত্যন্ত আনন্দের বিষয় যে, একুশে ফেব্রুয়ারি শুধু বাংলাদেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, ভৌগোলিক সীমা ছাড়িয়ে এই মহান দিবসটি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্থান করে নিয়েছে। বর্তমানে এটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে। ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩১তম সম্মেলনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে উদ্‌যাপনের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়।

ইউনেস্কোর সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশের উত্থাপিত এই প্রস্তাবটি আরো ২৭টি দেশের সমর্থনসহ পেশ করা হয়। প্যারিসে ইউনেস্কোর সদর দপ্তরে সংস্থার সাধারণ অধিবেশনে বলা হয়, ‘১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে মাতৃভাষার জন্য অভূতপূর্ব আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ সেদিন যারা প্রাণ উৎসর্গ করেছেন, তাদের স্মৃতির উদ্দেশে দিনটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণার প্রস্তাব করা হচ্ছে।’

ইউনেস্কো ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ পালনের যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করে বলেছে, ‘সাংস্কৃতিক ঐহিত্য সংরক্ষণে ভাষা হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার। মাতৃভাষার প্রচলন কেবল ভাষাগত বৈচিত্র্য ও বহু ভাষাভিত্তিক শিক্ষাকেই উৎসাহিত করবে না, তা ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের উন্নয়ন ও অনুধাবনের ক্ষেত্রে অবদান রাখবে। পারস্পরিক বোঝাপড়া, সহনশীলতা ও সংলাপের ওপর ভিত্তি করে বিশ্বসংহতি আরো জোরদার করবে।’

প্রস্তাবে আরো বলা হয়, ‘মাতৃভাষার উন্নয়ন ও বিস্তারের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণার মাধ্যমে সদস্য রাষ্ট্রগুলো এবং ইউনেস্কো সদর দপ্তরের নানা কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করা।’ এযাবৎকাল জাতিসংঘ কর্তৃক পালিত আন্তর্জাতিক দিবসের তালিকায় ছিল মে দিবস, আন্তর্জাতিক শিশু দিবস, আন্তর্জাতিক নারী দিবস, বিশ্ব পরিবেশ দিবস প্রভৃতি।

মুক্তিযুদ্ধের স্মারক মুক্তবাংলা ভাস্কর্য

জাপানি শিশুদের ভালো লাগা

স্মৃতির ডানায় বাংলা নববর্ষ

ক্যানু ক্রিস্টেলস রিভার যেন রঙধনুর নদী

বাঘের গোঁফের রহস্য

ডাঙায় থাকতে পারে মাডস্কিপার মাছ

ফুটবল খেলার ইতিহাস

শিশুমনের আপনজন মোহাম্মদ নাসির আলী

পিঁপড়ার ভাষা ও বুদ্ধিমত্তা

মা ছাড়া প্রথম ঈদ