হোম > ফিচার > স্বাস্থ্য

লো ভিশন এইড ডিভাইস

ডা. গোলাম রাব্বানী রলিন

ছবি: সংগৃহীত

লো ভিশন বা কম দৃষ্টিশক্তি এমন একটি অবস্থা, যেখানে রোগীর দৃষ্টিশক্তি সাধারণ চশমা, কনট্যাক্ট লেন্স, ওষুধ বা শল্যচিকিৎসা দ্বারা সম্পূর্ণরূপে সংশোধনযোগ্য নয় এবং তা দৈনন্দিন জীবনের স্বাভাবিক কার্যকলাপ ব্যাহত করে।

এ অবস্থায় রোগীর জন্য লো ভিশন এইড ব্যবহারের গুরুত্ব অপরিসীম। লো ভিশন এইড বলতে বোঝায় বিভিন্ন ধরনের অপটিক্যাল ও নন-অপটিক্যাল যন্ত্র। যেগুলোর মাধ্যমে রোগীরা তাদের অবশিষ্ট দৃষ্টিশক্তি ব্যবহার করে কার্যকরভাবে কাজ করতে পারেন। অপটিক্যাল এইডের মধ্যে রয়েছে হ্যান্ড হেল্ড বা স্ট্যান্ড ম্যাগনিফায়ার, টেলিস্কোপিক গ্লাসেস, হাই-পাওয়ার রিডিং গ্লাস ইত্যাদি।

নন-অপটিক্যাল এইড হিসেবে ব্যবহার করা হয় বড় হরফের প্রিন্টেড ম্যাটেরিয়াল, কনট্রাস্ট বাড়ানোর জন্য ফিল্টার, স্পেশাল লাইটিং এবং অডিও বই। সাম্প্রতিক সময়ে ডিজিটাল লো ভিশন এইড যেমনÑ সিসিটিভি ম্যাগনিফায়ার, ইলেকট্রনিক রিডার ও মোবাইল অ্যাপস, রোগীর আত্মনির্ভরশীলতা অনেকাংশে বৃদ্ধি করেছে।

চক্ষুবিশেষজ্ঞ হিসেবে আমাদের দায়িত্ব হলো রোগীর দৃষ্টিশক্তির মাত্রা ও প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক লো ভিশন এইড নির্বাচন করা এবং প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া। সময়মতো এই সহায়ক প্রযুক্তি ব্যবহারে রোগীর জীবনমান উন্নত করা সম্ভব।

লেখক : ডা. গোলাম রাব্বানী রলিন, কনসালট্যান্ট

বাংলাদেশ আই হাসপাতাল, জিগাতলা

শিশু জন্মের আগেই ইচ্ছামতো বেছে নেওয়া যাবে বৈশিষ্ট্য

ফুসফুসের ক্যানসার প্রতিরোধে নতুন পথের সন্ধান দিলেন গবেষকেরা

শারীরিক সুস্থতায় সুষম খাদ্য

হাম উপসর্গে আরো ৭ জনের মৃত্যু

স্বাস্থ্যব্যবস্থা ২০২৬ : রোগীকেন্দ্রিক সংস্কার জরুরি

টিনএজারদের কিডনিতে পাথর হওয়ার অন্যতম কারণ জাঙ্ক ফুড

ভারী খাবার খাওয়ার পর করণীয়

আত্মীয়ের সঙ্গে বিয়ে কি নিরাপদ? গবেষণায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

হাম উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু

শিশু ইব্রাহিমকে বাঁচাতে চিকিৎসায় প্রয়োজন ৬০ লাখ টাকা