হোম > ফিচার > তারুণ্য

‘প্লাস্টিকের ব্যবহার পরিবেশের ক্যানসার’

মিজানের অনন্য ক্যাম্পেইন

গাজী মুনছুর আজিজ

কক্সবাজারের সৈকতে আসা পর্যটকদের প্লাস্টিক ব্যবহারে সচেতন করতে ক্যাম্পেইন করেছেন পরিবেশকর্মী এস এম মিজান। ‘প্লাস্টিকের ব্যবহার পরিবেশের ক্যানসার’ স্লোগান নিয়ে তিনি সম্প্রতি সুগন্ধা সৈকতে এ ক্যাম্পেইন করেন। দিনব্যাপী এ ক্যাম্পেইনে দর্শনার্থীদের মাঝে পরিবেশের জন্য প্লাস্টিকের ক্ষতিকর দিকগুলো তিনি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘পরিবেশের জন্য প্লাস্টিক আজ এক ভয়াবহ হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক, যেমন— পলিথিন ব্যাগ, বোতল ও স্ট্র শত শত বছর ধরে মাটিতে ও পানিতে অবিকৃত অবস্থায় পড়ে থাকে। ফলে মাটি উর্বরতা হারায়, নদী, খাল ও সমুদ্র দূষিত হয় এবং জলজ প্রাণী মারাত্মক ক্ষতির শিকার হয়। অন্যদিকে প্লাস্টিক ভেঙে মাইক্রোপ্লাস্টিকে পরিণত হয়ে খাদ্যচক্রে প্রবেশ করছে, যা এখন মানবদেহেও শনাক্ত হচ্ছে। তাই প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো, পুনর্ব্যবহার বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব বিকল্প গ্রহণ করা এখন সময়ের দাবি।’

ক্যাম্পেইনে অংশ নেন আবদুর রাজ্জাক খান উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মো. ওয়ালি উল্লাহ, রমিজ উদ্দিন সরকার এবং বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশনের পরিবেশবিষয়ক পরিচালক মাহাবুর রহমান রাহী, সদস্য মো. সাম্মির প্রমুখ।

ছোটবেলা থেকেই এস এম মিজানের নেশা গাছ লাগানো। যেখানেই সুযোগ পান, নিজের উদ্যোগে গাছ লাগান। বিশেষ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আঙিনায় গাছ লাগানো তার অন্যতম নেশা। পাশাপাশি তিনি শিক্ষার্থীদের নিয়ে দূষণমুক্ত পরিবেশ গড়তে নিয়মিত আলোচনা অনুষ্ঠান, সচেতনতা ক্যাম্পেইন, ক্যাম্পাস পরিচ্ছন্নতা অভিযান, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবসে আলোচনা এবং শোভাযাত্রাও করে থাকেন। তার বাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দির লক্ষ্মীপুর গ্রামে।

গাছ লাগানোর অভিযান ও পরিবেশ সচেতনতা কার্যক্রম তিনি নিজ গ্রাম থেকেই শুরু করেছেন। লক্ষ্মীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আঙিনায় তার লাগানো ঔষধি গাছের উপকার ভোগ করছেন অনেকেই। নিজ গ্রামের মসজিদের আঙিনা ও সড়কের পাশে তার লাগানো গাছও দিচ্ছে সবুজ শোভা। তার লাগানো গাছ রয়েছে চান্দিনার কুটুম্বপুর উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ, দাউদকান্দির ইলিয়টগঞ্জ রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ উচ্চ বিদ্যালয়, ড. মোশাররফ ফাউন্ডেশন ডিগ্রি কলেজ, মুরাদনগর উপজেলার গোমতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও গোমতা ইসহাকিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, লাকসাম ক্রিসেন্ট মডেল কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি স্থানীয় সড়ক, মসজিদ, সামাজিক প্রতিষ্ঠানের আঙিনা, ঐতিহাসিক স্থাপনা কিংবা হাটবাজারের যেখানেই খালি জায়গা পেয়েছেন, সেখানেই তিনি গাছ লাগিয়েছেন। তার লাগানো গাছ রয়েছে দাউদকান্দির বানিয়াপাড়া মাদরাসা ও দরবার শরিফে যাওয়ার পথে, পুটিয়া থেকে আদমপুর যাওয়ার পথে এবং শিসউক অফিস সড়ক, শিসউক অফিস প্রাঙ্গণ, পুটিয়া অপূর্ব ট্যুরিজম পার্ক ও ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ থানা ভবন, ইলিয়টগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, ইলিয়টগঞ্জ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র, লক্ষ্মীপুর বড়বাড়ী মসজিদ, লক্ষ্মীপুর গ্রামের সিনএনবি সড়ক, মোবারকপুর জামে মসজিদ, দাউদকান্দি হাইওয়ে পুলিশ থানা পুরোনো ভবন, নিমসার মাঈন কোচিং সেন্টার, দেবিদ্বার, বুড়িচং, ব্রাহ্মণপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকার সামাজিক প্রতিষ্ঠানের আঙিনা ও সড়কের পাশে।

শাপলা-শহীদদের পাশে শাপলা স্মৃতি সংসদ

জুলাই মেমোরিজ বিস্মৃতির বিরুদ্ধে এক ডিজিটাল আর্কাইভ

শ্রমের দামে বোনা জীবনের স্বপ্ন

ভিন্নধারার বৈশাখ

উপকূল-কিশোরীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার গল্প

এক চোখে দেখা স্বপ্ন

শীতের রিক্ততা মুছে এসে গেছে বসন্ত

যেভাবে রাজনীতির লাইমলাইটে ওসমান হাদি

নির্বাচনে কারা প্রার্থী হতে বা ভোট দিতে পারবেন না

সদ্য সমাপ্ত নতুন কুঁড়ি প্রতিযোগিতা : বহুমাত্রিক বিশ্লেষণ ও মূল্যায়ন