হোম > সাহিত্য সাময়িকী > প্রবন্ধ

মুসলিম সভ্যতার স্বর্ণযুগে আন্তর্জাতিক অর্থ ব্যবস্থাপনা

আধুনিক ব্যাংকিংয়ের প্রাথমিক ভিত্তি

আবদুল মান্নান গালিব

ইতিহাসের আসল প্রাণ লুকিয়ে থাকে মানুষের বেঁচে থাকার প্রয়োজনে গড়ে ওঠা নানা ব্যবস্থা, প্রতিষ্ঠান ও জীবনচর্চার ভেতর। আমরা যখন মুসলিম সভ্যতার স্বর্ণযুগের কথা বলি, তখন সাধারণত চোখের সামনে ভেসে ওঠে সুউচ্চ গম্বুজ, জ্ঞানসমৃদ্ধ গ্রন্থাগার কিংবা মানমন্দিরে দাঁড়িয়ে থাকা কোনো জ্যোতির্বিজ্ঞানীর ছবি। কিন্তু এই দৃশ্যপটের আড়ালে সে যুগেই যে এক বিস্ময়কর অর্থনৈতিক বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল, তা অনেকটা আমাদের অগোচরেই থেকে যায়। আজকের আধুনিক ব্যাংকিং ও বাণিজ্যিক ব্যবস্থার বহু মৌলিক ধারণা মুসলিম সভ্যতার স্বর্ণযুগের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিকাশ লাভ করেছিল।

তৎকালীন বিশ্বের এই প্রাণবন্ত বেসরকারি ব্যাংক-ব্যবস্থা কোনো আকস্মিক ঘটনার ফল ছিল না। এর পেছনের চালিকাশক্তি ছিল শতাব্দী ধরে গড়ে ওঠা শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি। ব্যক্তিপর্যায়ের আর্থিক লেনদেন ও বাণিজ্যিক কাঠামো পূর্ণতা লাভের বহু আগেই মুসলিম সাম্রাজ্যের প্রাথমিক যুগে এর রাষ্ট্রীয়, প্রশাসনিক ও আইনি কাঠামো গড়ে উঠেছিল। অর্থাৎ মুসলিম অর্থনৈতিক ব্যবস্থার শিকড় কেবল বাজারে নয়; রাষ্ট্রচিন্তা, প্রশাসনিক দক্ষতা এবং সামাজিক আস্থার গভীর ভিতের মধ্যেও প্রোথিত ছিল।

সাক (চেক) ব্যবস্থাপনার সূচনা

অর্ধ পৃথিবীরও বেশি বিস্তৃত মুসলিম সাম্রাজ্যের অর্থনৈতিক কাঠামো কোনো এক দিনে গড়ে ওঠেনি। এর প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তির সূচনা হয় খলিফা উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)-এর আমলে। বিশাল সাম্রাজ্যে সরকারি ভাতা ও রসদ পৌঁছানোর প্রয়োজন থেকে তিনি ‘বায়তুল মাল’-এর সুসংগঠিত রূপ চালু করেন। পরে উমাইয়া যুগে বাণিজ্যিক কাফেলা ও দূরপাল্লার বাণিজ্যের বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে আর্থিক ব্যবস্থাও আরো বিস্তৃত হয়। খলিফা আবদুল মালিক ইবনে মারওয়ান আরবি মুদ্রাব্যবস্থা চালু করলে স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রার একটি অভিন্ন মান প্রতিষ্ঠিত হয়। এর ফলে সাররাফদের মধ্যে আস্থা গড়ে ওঠে এবং লেনদেন আরো শক্তিশালী করে তোলে।

ব্যাংকিং ব্যবস্থার সূচনা হয়েছিল মূলত সাররাফদের (অর্থকারবারি বা মানি চেঞ্জার) হাত ধরে। শুরুতে তারা ছিলেন মুদ্রার মান যাচাই ও বিনিময়ের কারিগর; কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তারাই হয়ে উঠলেন মানুষের সম্পদের বিশ্বস্ত জিম্মাদার। দূরপাল্লার বণিকরা সফরের ঝুঁকি এড়াতে নিজেদের অর্থ ও মূল্যবান সম্পদ সাররাফদের কাছে জমা রাখত। এর বদলে তারা পেতেন এক ধরনের লিখিত দলিল, যাকে বলা হতো ‘সাক’—আধুনিক চেক ব্যবস্থার পূর্বসূরি। এই ব্যবস্থার বিস্ময়কর দিক ছিল এর পারস্পরিক আস্থা ও নেটওয়ার্ক। বাগদাদের কোনো সাররাফের দেওয়া সাক কায়রো বা দামেশকে নিয়ে গেলেও সেখানকার অন্য সাররাফ সমপরিমাণ অর্থ পরিশোধ করত। আজকের মতো ডিজিটাল সার্ভার, অনলাইন নেটওয়ার্ক কিংবা জিপিএস তখন ছিল না; পুরো ব্যবস্থাটি দাঁড়িয়ে ছিল বিশ্বাস, স্বাক্ষরের গ্রহণযোগ্যতা এবং সুসংগঠিত যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর। এই ধারাবাহিকতা থেকেই ধীরে ধীরে আধুনিক চেক ও ব্যাংক ব্যবস্থার ভিত্তি গড়ে ওঠে।

সাক ব্যবস্থার বিস্তার ও ভীতিহীন বানিজ্যযাত্রা

আব্বাসি খেলাফতকালে বাগদাদ ছিল বৈশ্বিক বাণিজ্যের প্রধান কেন্দ্র। দেশ-বিদেশের ব্যবসায়ীদের গমনাগমনের ফলে খলিফারা অনুধাবন করতে পেরেছিলেন, রাজ্য চালাতে নিয়মতান্ত্রিক সেনাবাহিনীর সঙ্গে সঙ্গে সচল আর্থিক ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন। তাই আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিখুঁত ও মসৃণ করার জন্য তারা অর্থ ব্যবস্থার চালিকাশক্তি সাররাফদের পৃষ্ঠপোষকতা করেন। খলিফারা নিজেদের বেতন গ্রহণ ও রাষ্ট্রীয় ভাতা প্রদানের জন্য সাররাফদের ওপর নির্ভর করতেন। এই সময়েই ‘সুফতাজা’র (বিল অব এক্সচেঞ্জ) ধারণাটি পূর্ণতা পায়।

তখন সমরকন্দ থেকে রেশম বা অন্য কোনো পণ্য নিয়ে মরক্কোর পথে যাত্রা করা কোনো ব্যবসায়ীর সঙ্গে স্বর্ণ বা রৌপ্য মুদ্রা থাকতেই হবে—এমন কোনো বাধ্যবাধকতা ছিল না। তার ভরসা ছিল সাররাফদের দেওয়া ‘সুফতাজা’ (লিখিত অর্থপত্র)। বড় বড় বাণিজ্যকেন্দ্রে সাররাফদের গদি বা কার্যালয় থাকত। আর তারা নিজেদের মধ্যে গড়ে তুলেছিল আস্থা ও আর্থিক সহযোগিতার এক বিস্তৃত নেটওয়ার্ক। এই আন্তঃসংযুক্ত ব্যবস্থাকেই বলা হতো ‘জাহবাজাহ’ (আর্থিক নেটওয়ার্ক)।

জাহবাজরা শুধু বণিকদের লেনদেনই পরিচালনা করতেন না, রাষ্ট্রীয় অর্থনীতিতেও তাদের ছিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। তারা কৃষি খাজনা সংগ্রহ করতেন, রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা রাখতেন এবং প্রয়োজন হলে সরকারকে অগ্রিম অর্থঋণও দিতেন। অনেক ক্ষেত্রে তাদের ভূমিকা আধুনিক যুগের অর্থসচিব বা কেন্দ্রীয় অর্থপরিচালকদের সঙ্গে তুলনা করা যায়।

সাক ব্যবস্থার কার্যকারিতা ও সাফল্য

সাক ব্যবস্থার সাফল্যের পেছনে সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল ইসলামি আইনশাস্ত্রের স্বচ্ছ ও সুসংগঠিত কাঠামো। ঋণ, আমানত ও অংশীদারত্বসংক্রান্ত বিধানগুলো আলেম ও বিচারপতিদের মাধ্যমে সুস্পষ্ট হওয়ায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে আইনি নিরাপত্তা ও পারস্পরিক আস্থা তৈরি হয়েছিল। ‘মুদারাবা’ (লাভভিত্তিক বিনিয়োগ) ও ‘মুশারাকা’র (অংশীদারি ব্যবসা) মতো চুক্তির মাধ্যমে মানুষ একে অপরের ব্যবসায় অর্থ বিনিয়োগ করতে শুরু করে।

এই ব্যাংকিং ব্যবস্থা শুধু অর্থ জমা রাখার জন্য ছিল না; বরং নিরাপদ ও পেশাদার উপায়ে এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে সম্পদ স্থানান্তরের কার্যকর মাধ্যমও ছিল। সে যুগের মানুষ বুঝেছিল, একজনের অলস পড়ে থাকা অর্থ অন্যের ব্যবসায় ব্যবহৃত হলে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্র সবারই উপকার হয়।

সাক, সুফতাজা ও জাহবাজাহ—অর্থের গাণিতিক পরিভ্রমণ

মুসলিম সভ্যতার স্বর্ণযুগে কীভাবে এক টুকরো কাগজ বিশাল বাণিজ্য কাফেলার অর্থনীতির ভরসায় পরিণত হতো? আব্বাসি যুগে এমন এক উন্নত আর্থিক কাঠামো গড়ে উঠেছিল, যার মাধ্যমে মুসলিম বিশ্বের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে নগদ অর্থ বহন ছাড়াই দূরবর্তী শহরগুলোয় নিরাপদ ও সুশৃঙ্খলভাবে পণ্য ক্রয়-বিক্রয় সম্পন্ন করা সম্ভব হতো। এই বিস্ময়কর ব্যবস্থার তিনটি প্রধান ভিত্তি ছিল সাক (চেকসদৃশ অর্থপত্র), সুফতাজা (দূর-দূরান্তে অর্থপ্রেরণ দলিল) এবং জাহবাজাহ (আর্থিক নেটওয়ার্ক)।

সাক : আধুনিক চেকের পূর্বরূপ

সাক ছিল জামানতদাতার (Depositor) পক্ষে ব্যাংক বা সাররাফের প্রতি একটি লিখিত নির্দেশ। এটি ব্যবহারের নিয়ম ছিল অত্যন্ত কঠিন। জালিয়াতির সুযোগ রোধের জন্য কোনো সাররাফ যখন খদ্দেরকে সাক দিতেন, তখন সেখানে টাকার অঙ্ক দুবার লেখা হতো—একবার সাধারণ অঙ্কে, আরেকবার কথায়।

মজার ব্যাপার হলো, আজকের যুগে আমরা চেক জালিয়াতি ঠেকাতে যে পদ্ধতি ব্যবহার করি, তার প্রায় সবটাই সেই আমলে চালু ছিল। সাকের নিচে বিশেষ সিলমোহর ব্যবহার করা হতো এবং বিশ্বস্ত সাক্ষীদের নাম ও সই থাকত। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সাকের কোণ ছিঁড়ে রাখা হতো অথবা বিশেষ ধরনের কালিতে লেখা হতো। ঐতিহাসিকরা দেখিয়েছেন, চতুর্থ হিজরি শতাব্দীতে মানুষ কেবল সাক দিয়েই জমিজমা বেচাকেনা করত। নগদ স্বর্ণমুদ্রা বহনের ঝুঁকি ছাড়াই কোটি কোটি দিনার-দিরহামের মালিকানা বদলে যেত।

সুফতাজা : বিপদমুক্ত বাণিজ্য নিশ্চয়তা

সুফতাজা ছিল তৎকালীন যুগের ‘বিল অব এক্সচেঞ্জ’ বা ‘লেটার অব ক্রেডিট’-এর মতো একটি লিখিত অর্থপত্র। দূরপাল্লার বাণিজ্যে এর গুরুত্ব ছিল অনেক। ধরুন, বসরার কোনো বণিক রেশম কেনার জন্য বাগদাদে যাচ্ছেন। তার কাছে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণমুদ্রা থাকলেও ডাকাতির ভয়ে তিনি তা সঙ্গে বহন করতেন না; বরং স্থানীয় কোনো বিশ্বস্ত সাররাফের কাছে অর্থ জমা দিয়ে একটি সুফতাজা নিতেন।

এই সুফতাজা ছিল মূলত বাগদাদের অন্য সাররাফের উদ্দেশে লেখা একটি নির্দেশপত্র—যাতে বলা থাকত, কাগজটির বাহককে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করতে হবে। এতে অর্থ পাওয়ার সময়সীমাও উল্লেখ থাকত। ফলে এটি ব্যবসায়ীদের জন্য নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য লেনদেনব্যবস্থায় পরিণত হয়েছিল। সুফতাজার কারণেই পথে ডাকাতি বা কাফেলা লুণ্ঠনের ঘটনা ঘটলেও মুসলিম বিশ্বের বাণিজ্যিক কার্যক্রম সহজে থেমে যেত না।

জাহবাজাহ : খলিফাদের অর্থ দপ্তর

আব্বাসি শাসনামলে ব্যাংকিং ব্যবস্থা আর বাজারের গলিতে সীমাবদ্ধ থাকেনি। এটি রাষ্ট্রীয় কোষাগারের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায়। এই পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বলা হতো ‘জাহবাজ’। জাহবাজরা ছিলেন খলিফাদের খাস ব্যাংকার। তারা বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আদায় করা খাজনা সংগ্রহ করতেন এবং সেই অর্থ সাররাফদের মাধ্যমে সুরক্ষিত রাখতেন।

বাগদাদের বড় বড় জাহবাজরা তখন এতটাই ক্ষমতাধর ছিলেন যে, রাষ্ট্র যখন অর্থসংকটে পড়ত, তখন তাদের থেকে ঋণ নিত। চতুর্থ হিজরি শতাব্দীতে ‘জাহবাজাহ’ দপ্তরটি আলাদা একটি প্রশাসনিক শাখায় পরিণত হয়। তারা টাকা রাখার সঙ্গে সঙ্গে মুদ্রার বিশুদ্ধতাও যাচাই করতেন এবং জালিয়াতি রোধে কঠোর নজরদারি রাখতেন। অনিয়ম রোধে মুহতাসিব বা বাজার নিয়ন্ত্রকরা নিয়মিত এই ব্যাংকগুলোকে তদারকিতে রাখতেন।

অবক্ষয়, উত্তরাধিকার এবং আধুনিক বিশ্ব

পৃথিবীর কোনো কিছুরই স্থায়িত্ব চিরন্তন নয়। একসময় যে সুবিশাল আর্থিক সাম্রাজ্য মুসলিম বিশ্বের বিস্তীর্ণ ভূখণ্ডজুড়ে প্রভাব বিস্তার করেছিল, ইতিহাসের অনিবার্য পরিণতিতে তারও অবসান ঘটে। তবে এ পতন কেবল একটি রাজবংশের রাজনৈতিক অবসান ছিল না; বরং তা ছিল বৈশ্বিক অর্থনৈতিক কাঠামোয় এক গভীর নেতিবাচক রূপান্তরের সূচনা।

রাজনৈতিক অস্থিরতা ও পুঁজির সংকট : চতুর্থ হিজরি শতাব্দীর পর থেকেই আব্বাসি খেলাফতের কেন্দ্রীয় শক্তি দুর্বল হতে শুরু করে। ব্যাংকিং ব্যবস্থার প্রাণ ছিল নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় নিশ্চয়তা। যখন বাগদাদের রাজপথে রাজনৈতিক কোন্দল দেখা দিল, তখন সাররাফরা আস্থা হারাতে শুরু করল। একসময় বাগদাদের বড় বড় জাহবাজরা খলিফাকে ঋণ দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনায় সহযোগিতা করতেন, কিন্তু পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রের সীমাহীন কর আরোপ এবং সামরিক ব্যয় মেটাতে গিয়ে এই ব্যাংকাররাই দেউলিয়া হতে শুরু করলেন। তাতার আক্রমণ এবং বাগদাদের ধ্বংসলীলা এই ব্যবস্থার কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেয়।

আধুনিক বিশ্বে এর উত্তরাধিকার

সময়ের প্রবাহে ‘সাক’ ব্যবস্থা বিলীন হলেও মুসলিমদের ব্যাংকিং জ্ঞান হারিয়ে যায়নি। ক্রুসেডের সময় ইউরোপীয়রা প্রাচ্যের সংস্পর্শে এসে বিস্ময়ের সঙ্গে দেখেছিল, কীভাবে এক টুকরো কাগজের মাধ্যমে বিশাল বাণিজ্য পরিচালিত হয়। পরবর্তীকালে ইতালির ভেনিস ও ফ্লোরেন্সের বণিকরা মুসলিমদের ‘সাক’ ও ‘সুফতাজা’ পদ্ধতির অনুকরণে আধুনিক ব্যাংকিং কাঠামো গড়ে তোলে। মুসলিম সভ্যতার ‘সাররাফ’ থেকে ইউরোপে মুদ্রা বিনিময়ের নতুন ধারা তৈরি হয়, পরে এটা ব্যাংকিং ব্যবস্থার ভিত্তি হয়ে দাঁড়ায়।

মূলত মধ্যযুগের মুসলিম ব্যাংকিং পদ্ধতিই ইউরোপের আধুনিক অর্থনীতির প্রাথমিক ভিত নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। আজকের অনলাইন ব্যাংকিং বা ডিজিটাল লেনদেনের মূল ধারণাটিও সেই পুরোনো চিন্তারই আধুনিক রূপ। সম্পদ যে শুধু সোনা-রুপা নয়, বরং বিশ্বাস ও তথ্যের আদান-প্রদানও অর্থনীতির শক্তি হতে পারে, মুসলিম বিশ্বের ব্যাংকাররাই তা প্রথম গভীরভাবে উপলব্ধি করেছিলেন।

মুসলিমদের জ্ঞানচর্চার কাঠামোগত প্রতিষ্ঠা

খালেদ ইবনে ওয়ালিদের অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রা

জুলাই ও ইকবাল

বাংলাদেশি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য নির্মাণে মুস্তাফা জামান আব্বাসী

পশ্চিমের সংকীর্ণতা ও দ্বিধা

নতুন যুগের আলোয় খুঁজি (শেষ পর্ব)

বাংলার বৈশাখের গান

বাঙালি জাতিসত্তার উপাদান: রাষ্ট্র, সার্বভৌমত্ব, প্রগতি ও ইসলাম

খেলাফতে রাশেদার শাম অভিযান

গালির মনস্তত্ত্ব ও জেন-জির ভাষা-বিদ্রোহ-সংস্কৃতি